প্রচণ্ড একটা চাপা উত্তেজনা কাজ করে ভেতরে আমার বেশ পরিপাটি সেজে বেরিয়ে পড়ি অনেক আগেই পৌঁছে যাই সময়ের ঢের আগে। কলিংবেল চাপি দুরুদুরু বুকে বারবার ভেতরের ঘরে চোখ রাখি। এই বুঝি এলো সে। কিন্তু না। বেঁধে দেয়া সময়ের এক মিনিট আগেও আসে না সে
কোমল স্বপ্নের কাঙ্ক্ষিত মানুষটি আজ সামনে আমার তাকাতে পারছিলাম না চোখ তুলে। বনলতা সেন দৃঢ়পায়ে এগিয়ে এলো– যেনো ভয় নেই কোনো, অকুণ্ঠচিত্তে বললো আমায়, “অই ছোকরা, তুমি নাকি কবি?” বনলতা সেনের সামনে নিজেকে সত্যিই অকিঞ্চিৎকর এক বালক মনে হয় নিজেকে।
মাথার ভেতরে সাজিয়ে রাখা কবিতা অকস্মাৎ যাই ভুলে। মনে করতে পারিনা কোনোদিন কবি ছিলাম আমি। ধমকে উঠে বনলতা সেন, ” কী ভেবেছো? পাখির নীড়ের মতো চোখ তোলে জানতে চা'বো– এতোদিন কোথায় ছিলেন?” সামনে আমি অকূল পাথার ছাড়া কিছু দেখতে পাইনা। বনলতারা বদলায়!! মাথার কাছে রাখা স্মার্ট-ফোনে তখন ক্রমাগত বেজে চলছে অ্যালার্মটা।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।