এখন নিস্তব্ধ চারিধার, যেন একটা বিরাট আঁধার গ্রাস করতে আসছে আমাদের সত্ত্বাকে, আলো দেখা যায় না কোথাও আলো খুঁজতেও সাহস করে না কেউ, অন্ধকারের গলি খুঁজে বেড়াব মোহাবিষ্ট মানুষ।
মনে হয় পৃথিবীটা দাঁড়িয়ে আছে এক অতল খাদের ধারে- পলকে ঘটে যাবে বিপর্যয় ঝোড়ো হাওয়ার সামনে কম্পমান প্রদীপ শিখার মত অসহায় আমাদের চেতনা, বিধ্বস্ত আমাদের বিচার বোধ। দিকে দিকে স্বার্থের ফিসফাস্ শব্দ-
একাকীত্বের বিষাক্ত ফণা ছোবল মারছে, ছটফট করছে সববাই, রুদ্ধদ্বারে মরছে মাথা ঠুকে। তবু কেউ অর্গল খুলবে না, প্রাচীর ভাঙবে না— তিলে তিলে সইবে স্বেচ্ছা নির্বাসনের যন্ত্রণা। হয়তো একদিন সুতীর আলোক রেখা আসবে নিকষ কালো আঁধারের বুক চিরে, ভয়ংকর শব্দে ভেঙে পড়বে নিঃসঙ্গতার দেওয়াল, রুদ্ধশ্বাসে ছুটে যাবে মানুষের কলতান বাঁধ ভাঙা নদীর মতো। হয়তো সেদিন আবার ফিরে পাবো হারিয়ে যাওয়া ছন্দ, খুঁজে নেব বিস্মৃত আনন্দ, কিন্তু আজ কেন আমরা এমন প্রাণহীন নিস্পন্দ?
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।