সেদিন টিএসসিতে গিয়েছিলাম পুরনো স্মৃতি চারণ করতে। সময়টা ঠিক দেখা হয়নি তবে আন্দাজ করতে পারি চারটার এদিক সেদিক হবে। একজন কে দেখলাম কয়েকটা বাচ্চার সাথে বসে আছে। বাচ্চাগুলোর হাতে ফুলের মালা। পেছন থেকে দেখে পরিচিতা মনে হলো তাই দূর থেকেই ডাকদিলাম নাম ধরে কিন্তু তাকালো না। কাছে গিয়ে দেখি অনুমান মিথ্যে নয় এ সেই চিরপরিচিতা অনুই। কিন্তু আমার দিয়ে তাকিয়ে আবার সেই আগের কাজই করা শুরু করলো বাদাম এর খোসা ছাড়িয়ে বাচ্চা গুলোকে দিচ্ছে। আমি সামনে বসে অনেকক্ষণ কেবল তাকিয়েই রইলাম সেই আগেকার অনুই! অভ্যাস টাও আগের মতোই আছে কিন্তু বুঝলাম না আমার দিকে তাকিয়েও কেনো কিছু বললো না। আমি কি বদলে গেছি? অনু কি আমাকে চিনতে পারলো না? এই তিন বছরে কি আমার এতই পরিবর্তন হয়েছে, একসময় যে নিঃশ্বাস এর শব্দে চিনে ফেলতো সে দেখেও চিনলো না? আমি আর কিছুই বলতে পারলাম মানে ভাষা হারিয়ে ফেললাম যেনো। ঠিক কতক্ষণ ওভাবে নিশ্চুপ বসে ছিলাম জানি না কিন্তু অনু এর মাঝে একবার ও আর তাকায় নি। বাচ্চা গুলো ও নির্বিকার ভাবে অনুর দেয়া বাদাম গুলো খেয়ে যাচ্ছে। একসময় বাদাম গুলো শেষ হয়ে গেলে অনু বাচ্চাদের বল আজ আর না তোরা যা এখন আমি উঠবো। এর মাঝে অনুর ফোনটা বেজে উঠলো। অনেকদিন পর শুনলাম সেই আমার প্রিয় টিউনটা। ফোনটা রিসিভ করেই অনু তড়িঘড়ি করে উঠে দাড়ালো আর ব্যাগে কিছু একটা বের করার জন্য হাত দিলো। মনটা এবার সত্যিই খারাপ হয়ে গেলো অনুর আচরনে। দুহাত দিয়ে মুখটা ঢেকে ফেললাম। এরপর যখন আবার তাকালাম তারপর যা দেখলাম তার জন্য একে বারেই প্রস্তুত ছিলাম না। চলে যাচ্ছে আমার অনু, তার হাতে একটা সাদাছড়ি!
চিৎকার করে ডাকলাম অনু.....আওয়াজ বেরুলো না গলাটা ধরে এলো কেবল!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
সাদিক ইসলাম
অণু গল্প ভালো আরো গভীরতা পেলে আরো ভালো হতো। শুভ কামনা।
মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া
নায়িকার নামের মতোই গল্পটি একটি অনুগল্প। অনুগল্প হলেও গল্পের থিম ভালো লেগেছে। পছন্দ, ভোট ও শুভকামনা রইল আপনার জন্য। লিখতে থাকুন সতত। সময় পেলে আসবেন আমার গল্প ও কবিতার পাতায়।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।