এত সহজ নয়, শেষ পথটুকু শেষ হবার আগেই, গুপ্তচর কিছু নিঃশব্দ তরঙ্গের ফিরে যাওয়া পর্যন্ত, পড়ন্ত বিকেলে চটজলদি খুশি কিংবা টুকরো বেদনার ঘণ্টা-ধ্বনির অবাধ্য হয়ে, মিলনের তীব্র ব্যাকুলতায়, উর্ধ্বমূখী লালিমায় মিশে যাওয়ার আগেই বলে ফেলা- আমি আসলেই কী পেলাম?
আমার জানালা গলে আসা প্রতিদিনের চোরা সুখপাখিগুলো কিছুটা মেকি তো বটেই, কিছুটা পোষ-মানানো, কিছুটা জোরাজুরির ফসল! কারোরই দায় নেই, দায়! তবুও পুকুরের কালো জলে, মধ্য-দুপুরে তাদের অযথায় ডানা-ঝাপ্টানো স্নান দেখে মনে হয়- পৃথিবীটা একটা রঙ্গমঞ্চ, আর আমরা সবাই অভিনেতা!
যে ছাদের কিনার ঘেষে আমি বহুদূর দেখি, প্রান্তে যার শুন্যতা ভরে রাখে হাজার বছরের আনমনা নিসঙ্গতার এক মহাপথ, সেটি তো ছাদ নয়, নিজেকে বিকিয়ে দেওয়ার অদ্ভুত মরিচিকার ফাঁদ! তবুও মিথ্যে মিথ্যে অপেক্ষা, কখনো ছোটাছুটি, কখনো ছল, ছলা-কলা, নিজের সঙ্গেই নিজের বাহাদুরি দেখিয়ে প্রতারণা! আমি আসলেই কী পেলাম – তা তো এক্ষুণি আসলেই বলবো না!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
জসিম উদ্দিন আহমেদ
জীবন চলতে চলতে সব চাওয়া পাওয়ার হিসেব কষে আমরা বলি, জীবনে কি পেলাম? আসলে অপূর্ণতা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ...। কবিতা ভাল লেখেছে। অনেক অনেক শুভ কামনা।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।