আরে ভাই গনী মিয়া,এত্ত বড় বোঝা নিয়া,
কোথায় চললে মশায়?
শোনো ভাই কাঠুরিয়া,কাইটোনা আর করাত দিয়া,
পরাণ বুঝি যায়!
পথ চলেছি জন্ম নিয়েই,ঋণের বোঝা মাথায়।
এত্ত বড় মহাধনী!তোমার ধনের অভাব নাই,
কেমন করে, তোমার শীরে, ঋণ নিয়েছে ঠায়?
জন্ম নিয়ে মায়ের বুকের দুধ খেয়েছি বেশ,
কেমন করে ঋণের বোঝা করব আমি শেষ?
চার পায়েতে হাঁটতে শেখা পিতার হাতটি ধরে,
আজকে পিতা হাঁটতে পারে,লাঠি ছেলের ভরে।
নেমক হারাম,করলো আরাম,মাতা-পিতার কাঁধে,
এমন বোঝা বইছি যে ভাই, আপন কামায় সাধে।
তোমার তো ভাই ঢের রয়েছে,শোধ করে দাও দায়?
আপন কামায় যা করেছি,হালাল কিছু নাই।
হারাম দিয়েই পরাণ মাখা,
এ ব্যরাম আরাম হবে কি ভাই?
তোমার যারা ছেলে সন্তান তাদের কিছু দাও,
এত্ত বড় ঋণের বোঝা একাই কেন বও?
সে সব কি আর সাধ করে হয়!
মোহর ফাকির বিয়ে-
বাকির খাতায় নাম লিখেছি,
শোধ হবে সব লাশের পরে গিয়ে।
এমন বউয়ের গর্ভে যারা,জগতে দেয় পাড়া,
কেমন করে পিতার ডাকে, দিতে পারে সাড়া?
আচ্ছা গনি মিয়া,কি লাভ তোমার হলো অবশেষ?
কি আর করা কাঠুরিয়া,ঋণের বোঝা ছিড়ছে মাথার কেশ।
২৯ সেপ্টেম্বর - ২০১৬
গল্প/কবিতা:
৩৭ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী