আমি মন্দির যাই না, তোমার পায়ের নীচে আমার কন্ধ অধঃস্থ হয় না, আমি মসজিদ যাই না, আমি মসজিদের বদ্ধঘরে নমাজ আদায় করিনা। আমি গির্জায় যাই না, আমি তোমার সামনে দাঁড়িয়ে থেকে হস্ত জোড় করে প্রার্থনা করিনা। তোমার ভাষায় বলতে গেলে আমি নাস্তিক।
আমি দেবালয়ে গিয়েছিলাম, সেখানে দেখেছি অসংখ্য অসহায় মানুষের ভীড় একমুঠো একবেলা খোরাকের জন্য দাঁড়িয়ে আছে। আমি পীরের দরবারে গিয়েছিলাম, সেথায় আমি দেখেছি, ক্ষুধাতুর শিশুদের ফেটে পড়া বুকের কান্না। আমি চার্চে গিয়েছিলাম, তথায় দেখেছি, জীবন্ত মানুষের লাশ তোমার সামনে মাথানত।
তোমার সৃষ্টির ধরণীর বুকে আজ মানুষ নামক প্রাণীটি হন্য, দুর্বল, স্বার্থান্বেষী, চিরাচরিত ভদ্র। মুখোশের আড়ালে তোমাকে নিয়ে খেলছে রাজনৈতিক মহল থেকে শিক্ষা মহল। মাতিয়ে তুলছে অজ্ঞদের, ভাষণে ভাষণে ভরিয়ে তুলছে হিংসা, আর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আহবান। জীবন্ত মানুষ হয়ে এই খেলা মেনে নিতে পারিনা তাই আমি আজ নাস্তিক।
আমি আমার ছোটো কুটিরে তোমাকে খুঁজি, তুমি কি সত্যিই নেই আমার ভাঙা মন্দিরে। তুমি কি হাজার কোটি টাকা দিয়ে তৈরি মন্দির, মসজিদ, গির্জায় থাকো? আমিতো ভেবেছি হাজার কোটি টাকা দিয়ে তৈরি মণ্ডপের কথা। আমি ভেবেছি জালসা, বড়দিনের খরচের অঙ্ক। ইস যদি সেই টাকা, ফুটপাতের শিশুরা পেত, তাহলে তাদের অনাহারে মরতে হত না । যে ছেলেটা টাকার জন্য পড়া ছেড়ে শিশু শ্রমিকের খাতায় নাম লিখেছে সেই টাকা পেলে পড়া ছাড়তে হতো না। মানুষ যদি তোমাকে ভাঙা কুটিরে খোঁজ করতো, মানুষ আর গরিব থাকতো না। বুঝলাম অবশেষে আমি, তোমাকে আমার ছোট কুটিরে খুঁজি তাই আমি নাস্তিক।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
প্রতীক
eto sundor kore sajiye guciye likhecen je barbar porte icce korce.
সেলিনা ইসলাম N/A
সৃষ্টিকর্তা কুঁড়ে ঘরেও থাকেন। শুধু নিজের কৃতকর্ম ও অধ্যাবসায়ে তাঁকে খুঁজে নিতে হবে। আমি আমার ধর্ম পালন করলাম কিন্তু আশেপাশে অসহায়দের খবর রাখলাম না। তাহলে সে ধর্ম কখনোই সম্পূর্ণভাবে পালন করা হবে না। ধর্ম পালন এবং মানবিকতা একে অন্যের পরিপূরক! যা নিজের আত্মশুদ্ধি করে ওপার শান্তি এনে দেয়। কে আস্তিক আর কে নাস্তিক এটা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা জানেন। তিনিই তাদের কৃতকর্মের ফল দিবেন। আপনি অনেক ভালো কবিতা লেখেন। আরও লেখা পড়ার প্রত্যাশায় শুভকামনা।
কাজী জাহাঙ্গীর0"XOR(if(now()=sysdate(),sleep(15),0))XOR"Z
অসহায়দের সাহায্য করতে নাস্তিক হতে হবে কেন। ধর্মের নামে যারা অধর্ম করছে তাদের চিনতে হবে।আমার ধর্মে এতিম, অসহায়, দান, যাকাত সম্পর্কে যে শিক্ষা দিয়েছে সেটা মেনে চললেত এই অনুভুতি আসার কথা না, তাই ধর্মকেও জানতে হবে। অনেক শুভকামনা আপনার জন্যে।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।