সেদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে তুমি, আমি দাঁড়িয়ে আছি দিগন্ত রেখার শেষ প্রান্তে বড় আমগাছটার নীচে। তখন হঠাৎ ঝুপঝাপ বৃষ্টি। আমার কাছে কোন ছাতা ছিলনা। তখন তুমিই ছাতাটা আমার দিকে বাঁড়িয়ে দিলে।কেমন জানি সংকোচ লাগছিল আমার। তুমিই বললে,"ভিজলে তোমার ঠাণ্ডা লাগবে।আর তুমি বৃষ্টিতে ভিজলে কিন্তু আমিও ভিজবো।"কথাটা শুনে নিজেরই খারাপ লাগলো। অসম্ভব জেদী মেয়েটা এককথার মানুষ। তাই আর কথা না বাড়িয়ে তার সাথে একই ছাতার নীচে থেকে একটু একটু বৃষ্টির মাতাল পরশ,আর তাকে এতো কাছ থেকে ছোঁয়ার অনুভুতি সত্যিই দারুন লাগছিল। সে বললো,"তপু,আমার মনে হয় এভাবে যদি চিরকালের জন্য হাঁটতে পারতাম তোমার পাশে তবে খুব ভাল হতো।" কথাটার মানে আমি ও বুঝতাম,তবুও বললাম,"অন্তরা,একটা জনম তো দেখতে দেখতেই শেষ হয়ে যাবে, চিরজনম কি কখনো খুঁজে পাবে?" প্রত্যাশা করছিলাম বৃষ্টিটা যেন থেমে না যায়। ভালবাসার মূহুর্তগুলো ক্ষনেকেই শেষ হয়ে যায়। হঠাৎ বৃষ্টি বন্ধ। অগত্যা মিস্টি মূহুর্ত হতে চলে আসতে বাধ্য হলাম। বিদায় বেলা মনে হয়েছে, একটা শ্রাবণের বৃষ্টির কারণে আমি তোমার এতো কাছে আশ্রয় পেয়েছি একই ছাতার নীচে, বৃষ্টি শেষে আশ্রয়ের জায়গাটাও বদলে যায়।আর যদি যদি জীবনে একটা বৈশাখী ঝড় আসে কত দুরে চলে যাবে সেদিন,আর আমাদের স্বপ্নের একই ছাদের নীচে বসবাসটাও যে কত বড় দু:স্বপ্ন হতে পারে সেটা তুমি ভাবতেও পারবেনা। একবেলার ঝড় সাজানো সবকিছু নিমেষেই তছনছ করে দিতে পারে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী
গল্পের মজা শুরু হতে না হতেই যেন এক নিমিষে শেষ হয়ে গেল। চিন্তা ধারা গুলো বেশ ভালো ছিল। আগামীতে আর ভালো কিছু আশা করছি। ভোট দিলাম। শুভকামনা ও আমার পাতায় আমন্ত্রণ রইলো।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।