আমার জনক এখন খুবই জবুথবু
বিছানায় সেঁটে থাকে পিঠ তাঁর ঘামের আঠায়
মেপে মেপে তিন পায়ে কদম ফেলেন দুয়েক
দৃষ্টি আর পৌঁছে না একাত্তরে পুরু লেন্স ফুঁড়ে
এলএমজি শব্দটিও স্মরণে আসে না আর
ওটি নাকি ছিল তার খই ফোটাবার হাতিয়ার।
থুত্থুড়ে ঘাটের মড়া আমার পিতা
ন্যুব্জদেহে ঝুলে আছে সেই বাঁকা হাত
ফোঁস করে দাঁড়াতো যা ফণার মতো
বলতেন – দ্যাখ দ্যাখ এইখানে শেলের ফুটো
এখন সন্দিগ্ধ চোখে চেয়ে চেয়ে ভাবেন
হাতখানি কেন তার বেখাপ্পা অমন ।
জনয়িতা এখন আমার মূঢ়-মূক প্রায়
ছেঁড়া-ফাটা মুখ জুড়ে শুকনো ছনের বন
হয়তো বা মনে পড়ে তাঁর অ্যামবুশের কথা
কাদা-জল-কাঁটাঝোপ মিশকালো নিশীথ নিগড়ে
খসখসে তর্জনী উদাসীন তালাশ করে
ঝুলে থাকা চীনেজোঁক বুক-পিঠ রন্ধ্র-কুহরে।
বীরবর বাজান আমার অধোমুখ এখন
একদিন ছিল তাঁর শিরদাঁড়া সটান ঋজু
বাঁকা হাতে সাঁতরেছেন তিনি রক্তের নদী
ভাল হাত উঁচু করে ধরেছেন বিজয় কেতন
এখন খোঁজেন শুধু হারানো সে মুক্তির দিন
বাঁকা হাতে হয়তো দেখেন বাষ্পিত রক্তের ধারা।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
আমার জনক এখন খুবই জবুথবু
বিছানায় সেঁটে থাকে পিঠ তাঁর ঘামের আঠায়
১৯ নভেম্বর - ২০১৭
গল্প/কবিতা:
১৮৪ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।