বাবা ছিলেন হালে, জালে, হাঁটুজল মাঠে
দিনভর সূর্যের সাথে
রুয়েছেন চরাচরে জীবনের যত আয়োজন।
রেখেছেন আমার মাথায় কিণাঙ্কিত হাত
কুপি জ্বেলে সায়ংকালে
হয়তো বুনেছেন স্বপ্নের বীজ অবসন্ন হাতে।
দিয়েছেন পিরান পাতলুন সব বাবার সাধ্যে
‘ভালবাসি’ শব্দটি ছাড়া
ঢেলেছেন রক্তে-ঘামে ঢের ভালবাসা তবু।
হয়তো আরও ছিল দেদার, মনে নেই আজ
কালান্তরে গেছে সব
জেগে থাকে শুধু বাতিঘর এক - বাবার তর্জনী।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মাহাবুব হাসান
আব্বার সাথে আমার ছোটবেলার স্মৃতি হলো তার তর্জনী ধরে সকালে ঘুরতে বেরোনো। সেই স্মৃতিটাই ফিরিয়ে আনলো এই কবিতা। আপনার কবিতার এমনিতেই আলাদা আবেদন আছে। এটাও তাই। পুরো শৈশব থেকে প্রাপ্তবয়স্ক বয়সটা ঘুরে আসা যায়। সাথে নতুন কিছু শব্দ শেখা-জানা।
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
বাবার খসখসে তর্জনী পিছলে পড়েনি আজও
সঞ্চয়ের ঝাঁপি থেকে
সে আছে চিরঞ্জীব স্মরণের বিশাল মহালে।
১৯ নভেম্বর - ২০১৭
গল্প/কবিতা:
১৯০ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।