স্বৈরাচারী আইয়ুব বিরোধী গণ-আন্দোলনে
গর্জে উঠেছিল সারাবাংলা ভীষণ রকমে।
পাক-সরকারের পতন দাবিতে,
ছাত্র-জনতার মিছিল ছিল রাজপথ জুড়ে।
শাসকরাজের পোষা কুকুর ছুড়েছিল গুলি,
বুক পেতে তা নিয়েছিল এক আত্নোৎসর্গকারী।
‘আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তরুণ ছাত্রনেতা,
বুকের তাজা রক্তে লিখে গিয়েছিল
স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের রূপগাথা।
গণ-অভ্যুত্থানের আরেক প্রজ্জ্বল নাম
‘মতিউর রাহমান মল্লিক’
কিশোর এই সেনানী,
তাজা রক্তে এঁকে গিয়েছিল
স্বাধীনতা আর গণতন্ত্রের ছবি।
তাদেরি আত্নত্যাগ আর সংগ্রামের পথ বেয়ে
বাঙালি পেয়েছিল স্বাধীনতা উনিশ একাত্তরে।
স্বাধীনতার চুয়ান্নতম বছরে
গণতন্ত্রের দাবি
কেন আজও ধ্বনিত স্বাধীন বাংলাদেশে?
স্বৈরতন্দ্রের হিংস্র থাবায়
ঝরছে ছাত্র-জনতার রক্ত!
আবু সাঈদ, মুগ্ধরা
মুগ্ধতা ছড়িয়ে
পড়ছে ঢলে মৃত্যুর কোলে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
স্বৈরাচারী আইয়ুব বিরোধী গণ-আন্দোলনে
গর্জে উঠেছিল সারাবাংলা ভীষণ রকমে।
১৯ আগষ্ট - ২০২১
গল্প/কবিতা:
১৬ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।