বাবার বাবা

বাবা (জুন ২০২৬)

এম. আব্দুল কাইয়ুম
  • ২৭
আমি তো এখন নিজেই বাবা,
ছিলাম আমি বাবার বাবা
বড় মায়ার আদরের টুকরা।

তবু মাঝরাতে হঠাৎ কখনো
নিজের বাবাকেই খুঁজি—
ক্লান্ত কাঁধে হাত রাখার মতো
একটু নিশ্চিন্ত ছায়া খুঁজি।

আমি আজ নিজেই বাবা—
আমার কাঁধে পরিবারের নিরাপত্তা,
আমার স্ত্রীর ভরসা, ভালবাসার পুরুষ
নিষ্পাপ সন্তানের মাথার ছায়া ভবিষ্যৎ।

এই দায়িত্বই আমাকে গর্ব করে
এই ভালোবাসাই আমার শক্তি।
একজন বাবা শুধু মানুষ নন—
তিনি পরিবারের নীরব অভিভাবক,
অদৃশ্য এক বটগাছের ছায়া।

সন্তানের হাসির ভেতরে
লুকিয়ে থাকে হাজার চিন্তা,
বাজারের হিসাব,
ভবিষ্যতের ভয়,
আর না বলা কত ব্যথা।

বাবারা কাঁদে না সহজে—
কারণ চোখের জলে
সংসারের ভরসা নড়ে যায়।
তাই বুকের ভিতর ঝড় উঠলেও
মুখে রাখি শান্ত আকাশ।

আমি যখন সন্তানের হাত ধরি,
তখন বুঝি—আমার বাবাও এভাবেই
নিঃশব্দে আগলে রেখেছিলেন আমাকে।
নিজের স্বপ্নগুলো ভেঙে, অনেক করে
আমার জন্য বানিয়েছিলেন নতুন কাল।

আজ আমি বাবা হয়েছি—
দায়িত্বের ভার কাঁধে নিয়ে
হাঁটি প্রতিদিন।
তবু ভেতরে কোথাও আছে টান
বাবার ছোট ছেলে এখনো
বারবার দিনেরাতে বাবাকেই ডাকি।

“বাবা, গো তুমাকে বড়ই ভালবাসি
বাবা, তুমি একটু পাশে থেকো।”
তোমার দুআর হাত মাথায় রেখো।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

“বাবা, গো তুমাকে বড়ই ভালবাসি বাবা, তুমি একটু পাশে থেকো, তোমার দুআর হাত মাথায় রেখো।”

২২ জুলাই - ২০২৩ গল্প/কবিতা: ৪১ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "বিশালতা”
কবিতার বিষয় "বিশালতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬