(এক)
“ভূমিকম্প!!”
রাহাতের আর্তনাদে সহকর্মীরা মাথা তুলে তাকাল। আসলেই কি ভূমিকম্প হয়েছে?
“না ভাই! এইটা ভূমিকম্প না, ফ্যান্টম ভাইব্রেশন”
“আপনি ক্যামনে নিশ্চিত হইলেন?”
“এই যে, আমার মেশিনে কোনো কাঁপাকাঁপি ধরা পড়ে নাই!”
নাহিদ ওর ‘লোকাল সিসমোগ্রাফ’-এর দিকে আঙুল উঁচিয়ে দেখাল। ডেস্কে মাঝামাঝি পানিভর্তি একটা ছিপিবদ্ধ ট্রান্সপারেন্ট বোতল। নূন্যতম ঝাঁকুনি হলেও এই দেশি সিসমোগ্রাফে ধরা পড়ত।
রাহাত কিছুটা বিব্রত হয়ে কাজে মন দিলো। কম্পিউটারে কাজ করতে করতে আবারো তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল। ঢুলতে ঢুলতে হাতটা ঠক করে ডেস্কের ওপর পড়তেই তন্দ্রা কেটে গেল। রাহাত এদিক ওদিক তাকিয়ে বুঝতে চেষ্টা করল কেউ দেখেছে কিনা।
আর কেউ না দেখলেও কাচঘেরা চেম্বারে বসে বস ঠিকই দেখেছেন। তিনি হাত উঁচিয়ে রাহাতকে ডাকলেন
“কী ব্যাপার রাহাত সাহেব, ডেস্কে বসে ঘুমাচ্ছেন কেন?”
“স্যরি স্যার! আসলে কয়দিন ধরে রাত জাগতে জাগতে…”
“রাত তো আমরাও জাগি, তাই বলে অফিসে এসে ঘুমাই না তো”
বলতে বলতে হায়দার আহমেদ লম্বা হাই তুললেন। উনি যে একটু আগে নিজেই ঝিমাচ্ছিলেন সেটা রাহাত স্বচক্ষে দেখেছে। কিন্তু বসকে তো আর সেটা বলা যাবে না।
“… বুঝলেন, এই ‘মাইক্রো স্লিপ’ জিনিসটা খতরনাক! দুনিয়াতে যত মোটর এক্সিডেন্ট হইতে দেখেন, তার মেজরিটি হয় মাইক্রো স্লিপের কারণে …”
“(মনে মনে) হ, তরে কইছে, তুই বেশি জানস!”
“যান, চোখেমুখে পানি দিয়ে ডেস্কে বসেন। আর নোটটা দ্রুত রেডি করে দিয়ে যান”
বলতে বলতে বস আবার হাই তুললেন। একটু বিব্রত হয়ে তিনিও গেলেন পারসোনাল ওয়াশরুমে চোখেমুখে পানি দিতে।
(দুই)
কলের ঠান্ডা পানি রাহাতের ত্বক শীতল করলেও মেজাজ ঠান্ডা করতে পারছে না। কেন জানি বস ওকে দুচোখে দেখতে পারে না। ছোটখাট ভুল হলেও ক্ষমা নেই। পাশের ডেস্কে ফারিয়া মেয়েটা সারাদিন ঝিমায়; কই, উনি তাকে তো কিছু বলেন না! উলটো তাকেই প্রমোশন দিয়েছে রাহাতকে বঞ্চিত করে।
পেছন থেকে তাগাদা পেয়ে রাহাতের সম্বিৎ ফিরল। ওয়াশরুমে ছোটখাট জটলা। সবারই চোখ লাল। কয়দিন রাত জেগে জেগে এই হাল।
সপ্তাহখানেক আগে জোরেশোরে ঝাঁকুনির পর যখন ডিজেস্টার এক্সপার্টরা বলল দুই সপ্তাহের মধ্যে এরচেয়ে বেশি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে তখন থেকে টেনশনে বাষ্পরুদ্ধ অবস্থা অপরিকল্পিত নগরায়নে দিশেহারা এই শহরের বাসিন্দাদের।
পরশু মধ্যরাতে ঝাঁকুনিতে ঘুম ভাঙে রাহাতের। ভূমিকম্পের আফটার শক নাকি যমজ ভাইবোনের মতো অল্প সময়ের মধ্যে অগ্রজকে অনুগমন করে। সেই আশঙ্কায় রাহাত বৌ-বাচ্চা নিয়ে বাসার নিচে তড়িঘড়ি করে নেমে দেখে তার আগেই অনেকে ইট-কাঠের খাঁচা ছেড়ে খোলা ময়দানে চলে এসেছে। আফটার শকের দেখা নেই, তবু আতঙ্কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাইরে ঠায় বসে ছিল তারা।
পরের রাতেও একই অবস্থা।
এভাবে রাত জেগে জেগে কর্মীদের দেহমনের বারটা বেজে গেছে। অবস্থা এমন যে আঁতকা আঁতকা মনে হয় বিল্ডিং কাঁপছে! রিয়েল ঝাঁকুনি না ফ্যান্টম ভাইব্রেশন সেটাই বোঝা মুশকিল হয়ে গেছে।
বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাসে বলা শক-আফটার শকের সম্ভাব্য পুরোটা সময় ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করেছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ওরা শিক্ষিত বলেই কি বিচক্ষণতা প্রয়োগ করেছে, নাকি কামাই করে চলতে হয় না বলে ড্যাম কেয়ার- সেই হিসাবনিকাশে না গিয়ে অফিসে একটা দাবি দানা বাধতে শুরু করেছে- তাদের অফিসও এই ক’টা দিন বেতনসহ বন্ধ ঘোষণা করতে হবে! জীবনের দাম খালি স্টুডেন্টদের, বেসরকারি চাকুরিজীবীদের জান কি জান না?
কর্মীদের আন্দোলন ডিজিটাল ময়দান থেকে রিয়েল ওয়ার্ল্ডে ল্যান্ড করেছে। ম্যানেজমেন্ট শুরুতে গায়ে না মাখলেও কর্মীরা যখন অসহযোগ ঘোষণা করে তখন ম্যানেজমেন্ট বাধ্য হয়ে চেয়ারম্যানের কাছে তাদের ‘আবদারখানা’ পৌঁছে দেয়। চেয়ারম্যান স্যার বিকেলে অফিস ভিজিটে আসবেন।
(তিন)
কনফারেন্স রুমজুড়ে চলমান গুঞ্জন থেমে গেল চেয়ারম্যানের আগমনের সাথে সাথে। হাজী মো. হাবিবুর রহমান আফগানি প্রখর ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ। নূরানি চেহারা, সফেদ আলখেল্লায় মোড়ান দীর্ঘদেহী শরীর আর সমীহ জাগানিয়া গভীর বাচনভঙ্গি। সিচুয়েশন কন্ট্রোলে আনার বিদ্যা ভালোই জানেন। ভূমিকম্পাতংকে অফিস বন্ধ করা উচিত হবে, নাকি না- এই প্রশ্নের ধারেকাছ দিয়েও তিনি গেলেন না। বক্তব্য শুরুই করলেন “কুল্লু নাফসিন জায়কাতুল মাউত- প্রতিটি প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে” দিয়ে। কনফারেন্সের রুমের মৃদু গুঞ্জন মুহূর্তেই বন্ধ!
“স্যার! বেয়াদবি নেবেন না; আল্লাহ তাঁর ওপর ভরসা রাখতে বলেছেন, আবার নিজের কাজও করতে বলেছেন”
“হ্যাঁ এজন্যেই তো আমরা কাজ করব! অফিস বন্ধ রাখা তো সল্যুশন না। এই যে থেকে থেকে ফীল করছেন ভূমিকম্প হচ্ছে, এটাকে বলে ‘ফ্যান্টম আর্থকোয়েক সিন্ড্রোম’- এটা ন্যাচারাল, বড় ভূমিকম্পের পর অনেকেরই হয়। আবার ঠিকও হয়ে যায়। আপনারা প্রতিদিন ডিম-দুধ খাবেন, গায়ে রোদ লাগাবেন। ভিটামিন ডি’র ঘাটতি কেটে গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশা’আল্লাহ…”
এই মুহূর্তে এরকম আজাইরা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ শুনতে কারোরই ভালো লাগছে না। আজকাল ব্যাখ্যা জিনিসটা সবার কাছেই আছে। কলিগ আদনান হায়দার সাহিত্যিক মানুষ, তিনি সেদিন বলছিলেন, “শীতের সিজনে যেখানে মানুষ পশু পাখি প্রাণী ঠান্ডায় কেঁপে উঠে, সেখানে ভূমিও মাঝেমধ্যে প্রকম্পিত হবে, এতে অবাক হওয়ার কী!”
কলিগদের মধ্যে সবচেয়ে ধার্মিক ইয়াকুব ‘হুজুর’ সেদিন বলছিল, “বুঝলেন ভাই, দেশে পাপ বাইড়া গেছে! পাপ বাড়লে খোদাতাআলা ভূমিকম্পের মাধ্যমে সতর্কবার্তা প্রেরণ করেন”
রাহাতের একবার মনে হয়েছিল বলে, এই অঞ্চলে সবচেয়ে তীব্র ভূমিকল্প হয়েছিল ১৮৯৭ সালে; তখন কি পাপ এখনের চেয়ে বেশি ছিল? কিন্তু মুখে কিছু বলল না। স্কুলে থাকতে একবার বেত খেয়েছিল এই ধরণের বেফাঁস কথা বলার অপরাধে। বিজ্ঞান স্যার বলছিলেন, ভূ-পৃষ্ঠের নিচে টুকরো টুকরো টেকটোনিক প্লেট গলিত লাভার ওপর ভাসছে। ভাসতে ভাসতে প্লেটে প্লেটে ঠোকাঠুকি খেলে ভূ-কম্প হয়। রাহাত মুখ ফসকে বলে ফেলেছিল,
“স্যার, সুপার গ্লু দিয়ে প্লেটের টুকরোগুলো জোড়া দিলেই তো হয়!”
এই কথার প্রেক্ষিতে স্যার জোড়া বেত দিয়ে হাতের তালুতে দাগ বসিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর থেকে রাহাত ভূমিকম্প নিয়ে হাসিতামাশা করে না।
“কিন্তু স্যার, আমাদের আতঙ্ক তো কাটছে না”
চেয়ারম্যান স্যার মৃদু হাসলেন
“আতঙ্কের কাজ করলে তো আতঙ্ক হবেই! নিজের কাছে সৎ থাকেন, আল্লাহর কথা স্মরণ করেন। ভয় থাকবে না”
হাবিবুর রহমান বিলিয়নিয়ার মানুষ। নিজের বাসভবন আর অফিসভবন দুটোই বানিয়েছে প্রচুর টাকা ঢেলে আর্থকোয়েক রেজিস্ট্যান্ট করে। তার ভবন ধসার আগে ঢাকা শহরের নাইন্টি এইট পার্সেন্ট ভবন ‘নাই’ হয়ে যাবে। অতএব সাধারণ কর্মীদের মতো ভূমিকম্প নিয়ে তার অত মাথাব্যথা নেই। নিজে ফুরফুরা বলেই এমন জ্ঞান দিতে পারছে। রিয়েল ভূমিকম্পের মধ্যে পড়লে হাঁড়ির খবর বেরিয়ে আসবে।
রাহাত যখন এসব ভাবছিল তখন আচমকা ঝাঁকুনিতে কেঁপে উঠল পুরো ভবন। কনফারেন্স রুমের দেয়ালে ঝোলান আর্ট ওয়ার্কগুলো খসে পড়তে লাগল। পাওয়ার ফেইলুরের কারণে লিফটগুলো বন্ধ; সবাই হুড়মুড়িয়ে ছুটল সিড়ির দিকে। কিন্তু কনফারেন্স রুম থেকে বেরোনোর আগেই ভূমিকম্প হানল চূড়ান্ত আঘাত।
(চার)
বিল্ডিংয়ের সিলিং আর দেয়ালের একাংশ ধসে গেছে। পাওয়ার ডিসকানেক্টেড। ছাদটা কার ওপর ধসেছে আর কে বেঁচে গেছে অন্ধকারে দেখা যাচ্ছে না। কেউ আহত হয়ে কাতরাচ্ছে। কেউ চিৎকার করছে।
এমন জায়গায় এই আরএস টাওয়ারের অবস্থান যে, এখানে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করা বেশ কঠিন। কতক্ষণে বাইরের সাহায্য আসবে তা কেউ বলতে পারে না।
“ভাইয়েরা আমার…” ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ইয়াকুবের জ্বালাময়ী কণ্ঠ শোনা গেল
“আজ এই গজব থেকে আমরা উদ্ধার পাব কিনা জানি না। মরতে একদিন হবেই, আজ অথবা কাল। মরার আগে মৃত্যুর প্রস্তুতি নেয়াই মুমিন বান্দার কাজ। আল্লাহ তার সাথে করা সকল অন্যায় নিজগুণে ক্ষমা করে দিতে পারেন, কিন্তু তার বান্দার সাথে করা অন্যায় সেই বান্দা মাফ না করলে তিনি মাফ করবেন না। তাই আসেন, যতটুকু সময় পাই, যার যার সাথে অন্যায় করছি সবার থেকে মাফ চেয়ে নেই। হয়ত এই উসিলায় আজ আমরা পরিত্রাণ পাব। আর না হইলেও বিশুদ্ধ মানুষ হিসেবে উঠব আল্লাহর সামনে। তাই, শক্তি দিয়ে, কাজ দিয়ে এমনকি কথা দিয়ে যত অন্যায় করছি, আসেন সবের জন্যে ক্ষমা চাই…”
ইয়াকুবের কথা শেষ হতেই সবাই ফোন বের করে একের পর এক মানুষকে কল করে ক্ষমা চাইতে লাগল। কিন্তু কিছুক্ষণ পর নেটওয়ার্ক বসে গেল। চারপাশ নিস্তব্ধ। হঠাৎ নীরবতা ভেঙে শোনা গেল রাহাতের কণ্ঠস্বর
“ফারিয়া! আপনার হাজবেন্ডকে যে ব্যক্তি বেনামে ফোন করে বস আর আপনাকে জড়িয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলছিল সে আমি! আপনি প্লিজ আমাকে মাফ করে দেন। আমার পরিবর্তে আপনাকে প্রমোশন দেয়াটা আমি মানতে পারি নাই”
“আপনিও আমাকে মাফ করে দেন রাহাত ভাই। বিভিন্ন সময় বসের কাছে আপনার নামে অনেক উল্টাপাল্টা কথা বলছি যাতে তার কাছে আপনার অবস্থান খারাপ হয়ে যায়। এইজন্যেই আপনার প্রমোশন মিস হইছিল, আমি আন্তরিক ক্ষমাপ্রার্থী”
ফারিয়ার কথা শেষ না হতেই হায়দার আহমেদের কথা শোনা গেল
“ভাইয়েরা আমার, এইচআরের প্রেশার নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সবসময় মেজাজ ঠিক রাখতে পারি নাই। কারণে অকারণে অনেকের সাথে মিস-বিহ্যাভ করেছি। কারো ওপর ক্ষুব্ধ হলে হুমকিধামকি, বোনাসে কাটছাট, ইনক্রিমেন্ট বন্ধ, প্রমোশন হেল্ড-আপ করেছি। প্রাপ্য প্রমোশন দেই নাই। আমি করজোরে মিনতি করছি, আপনারা আমাকে মাফ করে দিন”
অবরুদ্ধ মানুষগুলো একজন একজন করে নিজের দোষের ফিরিস্তি দিয়ে ক্ষমা চাইছে। কিন্তু অপকর্মের ‘ডিপো’ চেয়ারম্যান স্যার কোথায়?
প্রাণ বাঁচাতে যে বিমটার নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন হাবিবুর রহমান, সেটা ধসে পড়েছে তার পায়ের ওপর। ব্যথায় ককিয়ে উঠতে গিয়ে তার নজর গেল সিলিংয়ের দিকে। মাথা বরাবর রডের সাথে ঝুলছে সিলিংয়ের বড়সর একটা খণ্ড। যে-কোনো সময় খসে পড়বে ওটা। বহুদিন বাদে মৃত্যুর কথা স্মরণে আসতেই একে একে সামনে ভেসে উঠতে লাগল পাপের চিত্র। এই প্রথম তার বিগলিত কণ্ঠস্বর শোনা গেল
“আপনাদের সাথে আমি অনেক জুলুম করেছি। কোম্পানির টাকা লুট করেছি। সেই টাকায় দেশে রিসোর্ট, বিদেশে বাড়ি, ফার্ম হাউজ গড়েছি। আপনাদের প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছি। কেউ আমার বিরুদ্ধে গেলে তাকে আইনী-বেআইনী বহুভাবে হেনস্তা করেছি, মানুষ গুম করিয়েছি… আপনারা আমার মায়ের পেটের ভাই। দয়া করে আপনারা আমাকে মাফ করে দেন। আমি কোম্পানির সব টাকা ফেরত দেবো, আপনাদের বেতন বোনাস বাড়ায়ে দেবো, দুইবার হজ করছি, আরো দশবার হজে যাব…” বলতে বলতে তিনি হুহু করে কেঁদে ফেললেন।
হাইজ্যাকাররা যেমন গলায় ছুরি ঠেকিয়ে পকেটের সব সঞ্চয় বের করে নেয়, তেমনি মৃত্যুভয় জাগিয়ে সবার পেটের ভেতর থেকে গোপন অপকর্মের কথা বের করে আনছে আজকের ভূমিকম্প।
(পাঁচ)
আবারো ভূমিকম্প হচ্ছে। হাবিবুর রহমান হয়ত পেটের সব কথা মুখে আনে নি এখনো। তার আতঙ্কিত চোখ উপরের দিকে। ঝাঁকুনিতে কাঁপছে রডের সাথে ঝুলন্ত সিলিংয়ের খণ্ডটা…
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
ভদ্র মানুষের মুখোশের নিচে লুকিয়ে থাকা কিছু মুখের ওপর থেকে মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছে কোনো এক ভূমিকম্প। গল্পটা তাকে নিয়েই।
৩০ সেপ্টেম্বর - ২০২৩
গল্প/কবিতা:
৫১ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী