আমার একবার প্রচন্ড বুকে ব্যথা হয়েছিলো,
কোন কারণ, কোন আঘাত ছাড়াই।
ঠিকমতো খেতে পারতাম না, ঘুমাতে পারতাম না!
এমনকি কোন কাজেও মন বসতো না।
আচমকাই কেঁপে কেঁপে উঠতো বুকের ভেতরে,
ব্যথা ক্রমশই বেড়ে চললো,
আমি জানতাম না এর থেকে পরিত্রাণের উপায়,
তারপর বহুকাল কেটে গেলো।
একদিন ঘুমের ভেতরে মাথায় কারো হাতের স্পর্শ,
আর গায়ের কাঁথা ঠিক করে দেওয়ার অনুভূতি পেলাম।
আমি জোর করে স্বপ্নটা আঁকড়ে ধরে রইলাম,
জেগে গেলেই হয়তো সে চলে যাবে।
স্বপ্ন আঁকড়ে ধরার একপর্যায়ে হেরে গেলাম,
ঘুম ভেঙে গেলো নিজ দায়িত্বে,
মাথার কাছেই দেখতে পেলাম একটা মায়াময়ী মুখ,
সে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে উঠে গেলো।
বুকের ব্যথাটা যেন আরও বেড়ে গেলো,
আমি তার চলার পথের দিকে চেয়ে রইলাম..
ব্যথার কমানোর বদলে ব্যথা বাড়ানোর ঔষধ হিসেবে তাকেই আমি চেয়ে নিলাম,
কিন্তু এই ব্যথার রহস্যটা কাটিয়ে উঠতে পারলাম না।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ব্যথা বাড়ানোর ওষুধটা ইচ্ছে করেই চাওয়া। কারণ ওই চিনচিনে ব্যথার মধ্যে আলাদা এক প্রশান্তি থাকে। যারা টিনেজ, তারা এই ব্যপারটা খুব ভালোভাবে কানেক্টে করতে পারবে। হা হা।
ধন্যবাদ মাহাবুব ভাই আপনার দারুণ মন্তব্যের জন্য!
ব্যপারটা খুব সহজেই বুঝে ফেলেছেন! স্বপ্নগুলো আসলে আমাদের নিজেদের মত কাস্টমাইজ করা যায়। তাই কাউকে ভালোবাসলেও সেটা নিজের মত কল্পনায় আনা যায়। এই কল্পনাগুলোও একটা রহস্য।
হাটে হাঁড়ি ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য দুঃখিত। তবে নীরব না থেকে ভালোবাসা প্রকাশ করে দেওয়াই মঙ্গল। নইলে তৃতীয় ব্যাক্তি যখন ভালোবাসা কেড়ে নেয় তখন সেই অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করে আল্লাহর উপর বিশ্বাস রেখে বেঁচে থাকার মতো ক্ষমতা সবার থাকে না। অনেকেই ঝরে যায় শিলাবৃষ্টির মতো।
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
নতুন প্রেমে পড়ার পরে মানুষের বুকের ভেতরে যে চিনচিন ব্যথা হয়। ওইটা একটা রহস্যময় ব্যথা.. কবিতাটা সেই প্রেক্ষাপটে তুলে ধরা হয়েছে।
১১ মে - ২০২৫
গল্প/কবিতা:
১৪ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।