মাহাবুব হাসান
এভাবেও যে আতঙ্ক টপিকে কবিতা লেখা যায় তা জানতাম না! অনেক ভালো লেগেছে। র্যাবিস বা জলাতঙ্ক কতটা ভয়ঙ্কর তা কয়েকজনের ভিডিও দেখে বুঝেছি। র্যাবিসে আক্রান্ত কুকুর বা বিড়াল কামড়ালে ক্ষতস্থানের মধ্য দিয়ে ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। এরপর বংশ বিস্তার করে নার্ভাস সিস্টেমের মধ্য দিয়ে মস্তিষ্কে প্রবেশ করে প্রদাহ সৃষ্টি করে। পানি পান করতে গেলে ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা হয় বিধায় রোগী পানি পান তো দূর, দেখলেই আতঙ্কিত হয়। কুকুর বা বিড়াল কামড়ালে অনতিবিলম্বে চিকিৎসা নিতে হবে। নইলে রোগীর মৃত্যু আবশ্যম্ভাবী। খুবই পেইনফুল ডেথ।
মেহেদী মারুফ
বাহ! বিড়াল নিয়ে চমৎকার একটা কবিতা লিখে ফেলেছেন। এই ব্যাপারটা অনেকেই জানে না যে, বিড়ালের কামড়েও রোগ থাকতে পারে। আমি গত বছর আমাদের "মিকির" কামড় খেয়ে ৪টা ইনজেকশন নিয়েছি। যাই হোক, বিড়াল হলো সৌখিন প্রাণী। সবসময় আদরে থাকতে চায়, বাড়ির মালিককে সে চাকর, আর নিজেকে মালিক ভাবে। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
পুষিকে পুষতে সবার আতঙ্ক চিরকাল
তবে জলাতঙ্ক ছড়ায় না সব বেড়াল,
১৯ আগষ্ট - ২০২৫
গল্প/কবিতা:
৭ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।