সাদা সাদা মেঘ জমেছে নীল আকাশটা ঘিরে। যদিও এখন শরৎকাল, কেমন যেন একটা শীত শীত ভাব চলেছে রৌদ্রজ্জ্বল একটা দিনে। রাস্তাগুলোয় তেমন কোনো রহস্য নেই, পথগুলোয় মানুষের আনাগোনা রোজকার মতোই। এটা নাকি ১৯৮৫ সালে নির্মিত রাস্তা। হাইওয়ে বাদে সবকিছুুই আগের মতোই। সাথে টেরাকোটার কাজ করা পুরনো কয়েকটা বাড়ি সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে রাস্তার দু’ধার দিয়ে।
বাড়িগুলোর মাঝেসাঝে কয়েকটা নতুন বাড়ি, রাতারাতি যেন গজিয়ে উঠেছে বটের শিকড়। এইতো সেদিনও এ রাস্তা দিয়েই গেলাম তখনো এগুলো চোখে পড়েনাই। হঠাৎ করেই সবকিছু যেন উল্টে গেল , আমি যে ঘুরতে বের হইনাই সেটা নিশ্চয় আমাকে দেখে মনে হবে। একেবারে খানাখন্দে ভরা একটা রাস্তা তাও নাহ্। আমার মাথার উপরে পড়লো একটা ময়লার বস্তা। কোনো আক্কেল নাই। গরু ছাগল হলে নিশ্চয় খুশি হতাম। ভালো করেই কপালটা কেটেছে। দেখে কি মনে হচ্ছে কে জানে! রক্তের তরল ধারা গড়িয়ে পড়ল আমার চোখের উপর। পলিথিনের ভিতরে কাঁচ জাতীয় কিছু ছিল মনে হয়। আমি কপালে হাত দিয়ে আঁতকে উঠলাম। পকেট টিস্যু বের করে বারবার মুছতে লাগলাম। শুধু এটুকু হলেও হতো, আমি তাকিয়ে দেখলাম উপর দিকে কেউ নাই, ডাস্টবিন বেশি দূরেও নয়। এত অলস হলে কি জীবন চলে? নাহ্ একটা ভাঙ্গা ফ্লাওয়ার ভাস আর কালো হয়ে যাওয়া কয়েকটা ফুল। আরেহ্ কয়েকটা ভাঙ্গা চুড়িও দেখলাম পলিথিনের ভিতরে। আমি পা বাড়ালাম ডাস্টবিনের উদ্দেশ্যে। কার কাজ কে করে। তবে আমার জীবনে এমন একটা কাজ করে স্যরি বলার মতো কেউ নেই বলে মনে হলো এক মূহুর্তের জন্য। শুধুই একটা অপরিচিত আতঙ্ক বুকে আঘাত করল – তাতে কি কারো কিছু যায় আসে?
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মেহেদী মারুফ
বাহ! চমৎকার লেখার ধরন আপনার। একেবারে সামান্য কথায় একটা সমাজের বেখেয়ালিপনা তুলে ধরেছেন নিমেষেই। শুভ কামনা রইলো।
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
মানুষ ভয় পায়, অতিরিক্ত ভয় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সবকিছু যেমন পরিস্থিতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না, মানুষও তেমন ভয়কে আতঙ্ক সাজায় না । গল্পটা এরকমই ।
২২ সেপ্টেম্বর - ২০২৫
গল্প/কবিতা:
৭ টি
সমন্বিত স্কোর
৪.৯
বিচারক স্কোরঃ ১.৯ / ৭.০পাঠক স্কোরঃ ৩ / ৩.০
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।