মাটির কাপন

ভূমিকম্প (জানুয়ারী ২০২৬)

Mehrima Jahan Riya
  • ৬৮
মাটির অন্তর থেকে হঠাৎ জাগে আঘাত,
শহরের রঙ ঘনিয়ে পড়ে ধুলো-অন্ধকারে।
দূরে গাছ কাঁপে, ঘরগুলো চিৎকার করে,
একের পর এক ঢেউ ভেঙে আসে নিঃশব্দে।

মানুষ দৌড়ে, চোখে ভয়, বুকে অবিশ্বাস,
শিশুর কাঁধে হাত, বৃদ্ধের পাশে সহারা।
মাটির থরথরানি যেন বলছে—
“আমি অনন্ত, আমি শক্ত, আমি অজানা।”

ধ্বংসের মাঝেও উঁকি দেয় হিংস্র আলো,
পাথরের ফাটল থেকে ফোটে জলধারা।
ভয়, আশা, ভালোবাসা—সব একসঙ্গে নড়ে,
জীবন যেন ঝুঁকির খাতায় লেখা নতুন।

শেষে চুপচাপ আসে শান্তি,
মাটিও নিঃশ্বাস ফেলে।
মানুষ দাঁড়ায়, ধূলোর মধ্যে হাত মুছে,
বলতে চায়—“আমরা হারিনি, আমরা বাঁচি।”
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মোঃ মোখলেছুর রহমান সমৃদ্ধ লেখা। কবির প্রতি শুভকামনা।
mdmasum mia শিরোনামটা বেশ সুন্দর।

লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

“মাটির কাঁপন” কবিতার মূল বিষয় হলো ভূমিকম্পের ভয়াবহতা এবং মানুষের প্রতিক্রিয়া। কবিতায় মাটির থরথরানি, ঢেউ ও ধূলোর মাধ্যমে ভূমিকম্পের শক্তি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শহর ও গ্রামের ভিন্ন প্রেক্ষাপট ব্যবহার করে দেখানো হয়েছে, বিপদের সময়ে শিশু, বৃদ্ধ ও সাধারণ মানুষ সবাই একসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখায়। ধ্বংসের মাঝেও মানুষের ভয়, আশা ও সহমর্মিতা উঠে এসেছে। বিপর্যয়ের পর শান্তি ফিরে আসে, মাটিও নিঃশ্বাস ফেলে, আর মানুষ দাঁড়িয়ে জীবনের পুনর্গঠন করে। শেষ লাইনে “আমরা হারিনি, আমরা বাঁচি” কথাটি মানবিক সাহস এবং জীবনের শক্তি প্রকাশ করে। কবিতাটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং মানুষের সহমর্মিতা ও পুনর্জীবনের মধ্যকার সম্পর্ককে তুলে ধরে, যা পাঠকের মধ্যে সতর্কতা, সহমর্মিতা এবং আশা জাগায়।

২৩ ডিসেম্বর - ২০২৫ গল্প/কবিতা: ১ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬