এক চাঁদের পীড়ায় এই বৃষ্টি গ্রহে জীবন দুঃখদানা গোছায় চিরায়ত গল্পে মানুষ নামের রাজা-রাণী কাঁপা কাঁপা হাতে লেখে-শরীরটরির! নড়ে ওঠে পথ-নিচে গুড়ো হয় প্রবাদতুল্য ধাতব সময়।
হৃদয় অপরিচিত চেনা ভেবে মানুষেরা জিতে যায় কেউ দেখেছে কি? এমনতরো ভিড়ের রাতে মুহূর্তেরা বড় হয় আমরা জেগে জেগে বুঝি-একদিন শিখে যাই চোখ বুজে একা হওয়ার রক্ষা মন্ত্র।
আগুন এখনো আগুন গিনি মানে গিনি তবু অপয়া বৃষ্টির পাড়ে আউলায় ঝড় সস্তা চোখ জ্বলে যায় ভীষণ রকম অথচ কেউ কি বোঝে তার মানে সেই সব মানে-সেই চোখ জ্বালা?
পথের জলজ হাত আজ বড্ড ভেজা বুঝি প্রাচীন পাতায় মোড়া আমাদের আগুন সময় তবু মুঠোর দেয়ালে পুরি বৃষ্টি শ্যাওলা ভিজে ভিজে উঠি আর এক শীত পোষা নারীর গহীনে নেমে বলি- আমার এক মেঘ ওম চাই!
মাটি মানে ঘাস-আমরা ঘাসসমগ্র শেষমেশ অন্য গ্রহ-অন্য কোন গ্রহ হায়রে জীবন তুই এতো ছোট কেন? মায়াময় এই জাদুবাস্তবতা সরিয়েই জানাই মুগ্ধতা নামের কাঠঠোকরা যে চেনে তার বুকে জন্ম ক্ষত-যেখানে মানুষ মানে ঘাস-বৃষ্টির উথাল পাতাল কিছু ক্ষণ।
নিজকথা- গল্পকবিতার বৃষ্টি সংখ্যায় লিখবো বলে মাথার ভিতর একটা কবিতা জমানোর চেষ্টা চলছিল...। ভাবছিলাম সেখানে আনবো জীবনের কথা...... সেই সাথে থাকবে ভালোবাসা ও মৃত্যুর চির সত্য। কিন্তু গতকাল রাত আমায় রীতিমতো নাড়িয়ে দিয়ে গেলো। তো বুকের ঘাসে ঝরা আকুল বৃষ্টির কসম-এ কবিতা শ্রদ্ধেয় হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Lutful Bari Panna
নাহিদের কবিতায় আসতে এত দেরী হল! মুশকিল হল নাহিদ যাই লিখুক, তাই আমার ভাল লাগে। মোহাবিষ্ট হয়ে গেলে যা হয় আর কি? এই কবিতার সৌন্দর্য অবশ্য নাহিদের অন্য অনেক লেখা থেকে আমাকে বেশী মাতিয়েছে..
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।