সেইদিনটি খুব বেশী দূরে নয়। যেমন করে উল্কাবৃষ্টি আর পাঁথর স্তুপের নীচে চাপা পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে মহাপরাক্রম জাতি ডায়নোসর,তেমনি করেই একদিন পারমাণবিক বিস্ফোরণের বিষক্রিয়া আর পরিবেশ দূষনের ভয়াল থাবায় বিলীন হয়ে যাবে আদম-হাওয়ার স্মৃতিসৌধ এই পৃথিবীর প্রাণ। তখন বায়ুমন্ডল ঘিরে থাকবে গাঢ় ধূসর ধূলোর আস্তরণ।
পৃথিবী নামক শব্দটা ভাঁজপড়া বইয়ের মত শোভা পাবে প্রাচীন ইতিহাস হয়ে মঙ্গল গ্রহের কোন এক বুকশেলফে! সেদিনও প্রেম থাকবে অসীম কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান ইলেক্ট্রনের মত। আমরা আমাদের ভালোবাসার জোসনা থেকে খসে পড়া ওজনহীন বায়বীয় ক্ষুদ্র ভ্রূণ ছড়িয়ে দেব মহাশুন্যে,শুক্লপক্ষের সুখের আবেশ রাঙাবো চারহাজার পাঁচশো নব্বই সেন্টিগ্রেড সৌরবাসরে।
ধীরে ধীরে একদিন রহস্য কুয়াশা ভেদ করে বসবাসের যোগ্য ও নিরাপদ করে তুলব এই মহাজ্যোতিকে। সেদিনও খেয়ালী ডানায় ভর করে যারা প্লুটোনিয়াম আর ইউরেনিয়ামের কাটলেট উপহার দিয়েছিল নারকীয় আস্ফালনে-তাদের কেউ কেউ অভিজ্ঞ প্রবীন হয়ে বেঁচে থাকবে,মন ভরাবে নিয়ে কৃত্রিম সুখ। নতুন সৃষ্টিতে সামান্যতম শক্তি তাদের না থাকলেও সৌর-ধ্রুবকে তারাই হবে পরম স্রষ্টার কৃতিত্বের দাবিদার! আর আমরা? আমরা সেদিনও রোবট হয়েই নীরবে শুধু সম্মতি দিয়ে যাব।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
মোঃ সাইফুল্লাহ
ধীরে ধীরে একদিন রহস্য কুয়াশা ভেদ করে বসবাসের যোগ্য
ও নিরাপদ করে তুলব এই মহাজ্যোতিকে। সেদিনও খেয়ালী ------------------- ভাল লাগল। ধন্যবাদ//
Azaha Sultan
পৃথিবী ত একদিন অবশ্য ধ্বংস হবে, সেকথা বৈজ্ঞানিকদের ভাবার বিষয় নয় কি? তবে কোন গ্রহে আমরা অবতরণ করব--আদৌ করব কি না সেটা বলা বোধহয় কোনো বৈজ্ঞানিকের পক্ষে সম্ভবপর নয়........কবিতা তুলনাহীন কবি........
কে কি ভাব্বে আর কে কী আবিস্কার করবে সেইটা আমার ভাবার বিষয় না আমি যা ভেবেছি তাই লিখেছি-এখানে সম্ভব বা অসম্ভব নাই বা থাক দাদা এটা আমার কল্পনা মাত্র। অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা নিরন্তর ।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।