গ্রামের নাম রসুলপুর ৷ এই গ্রামের খান বাড়ির মেয়ে মর্জিনা ও রহমান বাড়ির মেয়ে আসমা ৷ দু'জনের মাঝে খুব বন্ধুত্ব, কেউ কাউকে ছাড়া থাকতে পারেনা.....যেন হরিহর আত্মা ৷ দু'বান্ধবী একসাথে খেলে, একসাথে ছোটাছুটি করে আবার স্কুলেও একসাথেই যায় ৷ পড়ালেখায় তারা একে অপরকে সাহায্য করে ৷ মর্জিনার আর্থিক অবস্থা আসমার চেয়ে কিঞ্চিত ভালো৷ তবে এই পার্থক্য তাদের বন্ধুত্বের মাঝে কখনো দেয়াল হয়ে ৺দাড়ায়নি৷ এভাবেই তাদের দিন কাটছিল ৷ একদিন স্কুল থেকে নোটিশ দেয়া হলো আর এক সপ্তাহ পরে তাদের প্রথম সাময়িকী পরীক্ষা শুরু হবে ৷পরীক্ষার জন্যে ফি নির্ধারিত হয়েছে চারশ টাকা ৷ এতটাকা দেয়া আসমার পক্ষে দেয়া অসম্ভব বিধায় আসমার পরীক্ষা শেয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ল ৷ মর্জিনা আসমার এই অবস্থা দেখে খুব কষ্ট পেল আর মনে মনে ঠিক করলো যে ভাবেই হোক ও আসমার পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করবে ৷ মর্জিনা নিজের পরীক্ষার জন্যে টাকা নিয়ে এসে আসমার নামে জমা করে দিল ৷ কিন্তু কেউ কিছু জানতে পারল না ৷ কিন্তু পরীক্ষার দিন ব্যপারটি জানাজানি হুয়ার পর আসমা খুব দুঃখ পেল৷ মর্জিনার জোরাজুরি তে আসমা অবশেষে রাজি হলো এবং পরীক্ষা দিল৷ ফলাফলে দেখা গেল আসমা কৃতিত্বের সাথে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে৷ মর্জিনা আসমার এ ফলাফলে খুব খুশি হলো এবং আবেগে আনন্দে জড়িয়ে ধরে ৺কাদতে লাগলো৷ গ্রামের সবাই দু'জনের এ নিবিড় বন্ধুত্বকে ধন্য ধন্য করতে লাগলো৷
দৃষ্টি আকর্ষণ - আমাদের শহুরে যান্ত্রিক জীবনের যাতাকলে আমরা যেখানে বন্ধুত্বের ৺বাধনকে ভুলতে বসেছি সেখানে গ্রামের শান্ত সংহত পরিবেশে দু'জনের বন্ধুত্ব আমাদের সম্পর্কের ৺বাধনের মূল্য কে আরো একবার যেন মনে করিয়ে দেয় ৷৷
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Sujon
দৃষ্টি আকর্ষণ - আমাদের শহুরে যান্ত্রিক জীবনের যাতাকলে আমরা যেখানে বন্ধুত্বের ৺বাধনকে ভুলতে বসেছি সেখানে গ্রামের শান্ত সংহত পরিবেশে দু'জনের বন্ধুত্ব আমাদের সম্পর্কের ৺বাধনের মূল্য কে আরো একবার যেন মনে করিয়ে দেয় ৷৷
অনেক ভালো হয়েছে লিখতে থাক আমরা আছি তোমার সাথে।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।