কুড়ে ঘরে জন্ম নিল এক নবগত শিশু দুঃখ ছাড়ে না তার কোন দিন পিছু পিতৃমাতৃ হারা হয়ে গেল সে আপন বলতে রইল না আর দেশে
কী করিবে রইল না আর দেশে
কী করিবে, কি খাবে কেবা দেখিবে তারে? যে খানেই যায় লাথি মেরে বলে তুই যা সরে।
কিছু বলার নেই তো তার অশ্রু ফেলে চলে, ক্ষুধার যন্ত্রণা তার মাঝে দাউ দাউ করে জ্বলে কেবা তাকে খেতে দিবে এক মুঠো ভাত? মায়া ভরা চোখে দেখেনা মাবন জাত
অবশেষে শিশুটি কাগজ টোকাতে শুরু করে চোর ভেবে লাথি জুতা সবাই তারে মারে, এ ভাবে চলতে থাকে কিছু দিন তার একবার মার দিয়ে ভাঙে তার হাড়। মরল আবর্জনার মতো পরে থাকে রাস্তার পাশে ভিক্ষা করে যা পেত তা খেয়ে পড়ে কোন মত বাঁচে তার দুঃখ দেখে ধনীর ছেলে মেয়ে হাসে এত কষ্ট করে কেমনে সে বাঁচে
অবশেষে ধুকে ধুকে মারা গেল সে এর মতো কত শিশু আছে দেশে যার যার মতো খেয়ে গড়ে আছে বেঁচে আর কি পারবে না থাকতে হাসি দিয়ে বেঁচে।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
তৌহিদ উল্লাহ শাকিল N/A
কবিতার থিম তা অনেক ভালো তবে ছন্দ মিল ঠিকমত হয়নি . লেখার প্রতি আপনার মনোযোগটা বাড়ানো দরকার ,
junaidal
কবিতাটা পড়ার সাথে সাথে আমার কান্না পেয়েছে। মনে মনে কতক্ষন আমি নিরবে কাদি। এমন শিশুদের কে আর আছে। সবাই শুধু তাদের দেখে হাসে। অসহায়দের পাশে আল্লাহ আছেন। আমাদের মত নির্দয় মানুষদের কাছে তাদের দরকার নাই। তবে আমি এদের মত দুঃস্থদের পাশে থাকতে আমি ভীষণ ভালবাসি। আসুন আমরা ধনের অহংকার পরিত্যাগ করে এদের পাশে দাড়াই।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।