তোদের পেটে সয়না কিছু, ঈর্ষা ভরা মন, তাই আমাদের খেতে দেখে চ্যাঁচাস সারাক্ষণ। এ খেওনা, ও খেওনা, তা খেওনা কভু, এসব খেতে দেখলে তখন রাগ করবেন প্রভু।
বিদেশি হাঁস অতিথি যে, অতিথ নারায়ণ, খাব বলে ধরলে তারে ক্ষেপবে ত্রিভূবন। পরিবেশের হানি হবে, বিপন্ন এই জাত, মহাগোলে জড়াবে আর পড়বে মাথায় হাত।
চেঁখে দেখার ক্ষমতা নেই, তাইতো চোখে দেখা, আমরা খেলেই দুদিক থেকেই পড়বে তোদের ঠ্যাকা। আচ্ছা, তোদের কথাটা থাক, আর খাবনা পাখি, কচু ঘেচু খেয়েই নাহয় কাটবে জীবন বাকি।
কিন্তু খেতে গেলে যখন এতই করিস মানা, তোরা কেন হাঁস মুরগি দিলিনা, নাই জানা। মন্দ ভাল খাওয়ার কি আর সাধ জাগেনা মনে? বিধাতা যা দিলেন সেটাও ফেরাস আকারণে?
তোদেরমত হাজারটা রোগ, পেটে মনে দেহে, আমরা নিয়ে চ্যাঁচাই বসে, বলতে পারে কে হে? তারচেয়ে নয় রোগ সারিয়ে তোরাও শুরু কর, মানুষ অতিথ বাদ দিয়ে সব পাখি খাওয়া ধর।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
ফারজানা ইয়াসমিন দোলন
কিন্তু খেতে গেলে যখন এতই করিস মানা,
তোরা কেন হাঁস মুরগি দিলিনা, নাই জানা।
মন্দ ভাল খাওয়ার কি আর সাধ জাগেনা মনে?
বিধাতা যা দিলেন সেটাও ফেরাস আকারণে?- খুব ভাল কবিতা।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।