বহুদিন আগে ডায়েরীর পাতায় মেয়েটি এলোমেলো হাতে লিখেছিল তার সমুদ্রবিলাসের রূপকথা.. আশৈশব জমিয়ে রাখা সেই স্বপ্ন জলধি নামে কবিতায় বাসা বাঁধে! তারপর একদিন গাংচিলের ডানায় জলজাহাজে বাতাসের পাল তুলে মেয়েটি দারুচিনি দ্বীপে হারিয়ে যায়.. ঝিনুক মালায় জলমানবী সেজে যখন সে প্রথমবারের মত সমুদ্রের নীলচে মায়ায় চোখ রাখে, ঐশ্বরিক মুগ্ধতায় বিলীন হয়ে যায় তার আদিগন্ত অতীত বর্তমান.. আজীবন ধরে হৃদয়ে জমানো সবটুকু রাগ, দুঃখ, অভিমান একনিমেষে মিলিয়ে যায় স্বচ্ছজলে! মেয়েটি বিশুদ্ধ মনে ফিরে যায় ব্যস্ত শহরে.. দিনশেষে সমুদ্র ভাসিয়ে নিয়ে যায় বালুবেলায় অযত্নে পড়ে থাকা একটি পুরোনো ডায়েরী....
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
নাঈম রেজা
এটা আমরা জীবনের শ্রেষ্ঠ স্মৃতির পাতা
তোমার সাথে রয়ে গেল জীবনের অনেক কথা,
জীবনের বাকি সময়টা বুঝি ধন্য
একা থাকা জীবন ছিল বড়ই শুন্য।
আর দিয়ে বোঝাব আমি
তোমার চঞ্চল মন,
কতটুকু ভালবাস জানি
প্রিতির হবে না মরণ।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।