ছাঁদে দড়ির উপর ঝুলছে গাঢ় হলুদরঙ্গা শাড়ী; হঠাৎ থেমে থেমে আসা বাতাসে মৃদু দুলছে আধা-শুকনা হালকা পাড়ের আঁচল, সেদিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলে কেমন জানি খাঁ খাঁ করে শূন্যতায়! কার্নিশে কয়েকটা চড়ুইয়ের দাপাদাপি, তাদের কিচিরমিচির গুলো কোথায় যেন মিলিয়ে যাচ্ছে..... আর পাশের ফাঁকা গলির উপর বিল্ডিংএর ছাঁয়া আস্তে আস্তে বাড়ছে, সে ছায়া বাড়তে বাড়তে একসময় প্রতিদিনের মত জড়িয়ে ধরবে পাশের বিল্ডিংকে, তারপর পরিচিত স্পর্শে বিকেল নামবে তার প্রতিটি করিডরে।
এমন একটি দৃশ্য, তৃষ্ণা নিয়ে জেগে থাকে বহু যুবকের ‘দুপুরবেলার পাঁজরে! জেগে থাকে একটি মায়াময় শুন্য বিকেল, পরিপূর্ণ ছাঁয়ার লোভে! নতুন করে প্রতিদিনের মত!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
খন্দকার নাহিদ হোসেন
"সেদিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলে কেমন জানি খাঁ খাঁ করে শূন্যতায়!" লাইনটা আর একটু গোছান হোক। আমি যদি বলি-"আমি ও চোখের দিকে থাকি!" তবে পাঠক কিন্তু "তাকিয়ে" শব্দটা খুঁজে নেবে না। আমরা পাঠকেরা হয়তো বোধ খুঁজে নেবো, উপলব্ধি খুঁজে নেবো, না বলা কথাও...... সেই সাথে হয়তো ইশারাও কিন্তু কবিকে অবশ্যই লাইন ঠিক করেই লিখতে হবে। আর শেষ লাইনটা জানি বিষয়ের জন্যই আনা তবু সেটা না থাকলেই বেশ হতো। আর এমন কবিতা সরাসরি পছন্দে ও কবির জন্য সেরাটাই রইলো।
আপনি ভুল করছেন এটা কোন কবিতা নয়, যে লাইন মেপে ঠিক করার প্রস্ন আসে ! এটা একটা মুহূর্তের অসম প্রতিফলন! যার প্রতিফলন পৃষ্ঠ হচ্ছে আমার মস্তিষ্ক। সুতরাং প্রতিফলনটা আমার মস্তিষ্কের পৃষ্ঠতল বিবেচনা করেই ঘটবে... আর... নাহ্ কিছু না; আপনাকে ধন্যবাদ কবি।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।