লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
নবান্ন আবহমান বাংলার একটি ঐতিহ্য।সোনালি ফসল ঘরে তোলার আনন্দের সাথে চলে পিঠা পায়েসের উৎসব ।কিন্তু আজকাল জনসংখ্যার চাপে ফসলি জমি যেমন কমে যাচ্ছে তেমনি ঘর বাড়ি রাস্তা ঘাট শিল্প কারখানায় ফসলি জমি ব্যপক হারে সংকোচিত হয়ে পড়ছে।যে জমিতে ফসল হবে সে জমিই যদি না থাকে কিংবা কলকারখানার বর্জ্যে রাসায়নিক বর্জ্যে যদি সেই যৎসামান্য জমি আবাদের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে তাহলে নবান্ন উৎসব হবে কি করে? প্রশ্ন রেখে গেলাম।
আবার যে ফসল ফলে তাও যদি সুষম বন্টন হয় কিংবা কৃষক তার ন্যায্য পাওনা পেয়ে যায় এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের অপতৎপরতা না থাকে তাহলেও সামান্য আশার আলো চোখে পড়ে।সেই আলোর খেয়ায় ভেসেই আমরা স্বপ্ন দেখতে পারি পৃথিবীর সকল কিনারায় নবান্ন হাসবে।সব ঘরে ঘরে ছড়িয়ে যাবে নবান্ন উৎসবের পয়গাম আর তাতেই অন্নহীন শিশুদের দুয়ার উচ্ছল হাসি আনন্দে ভরে যাবে ইনশাআল্লাহ।
২৪ জানুয়ারী - ২০১২
গল্প/কবিতা:
৩৮ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।