শেষ প্রহর

নতুন (এপ্রিল ২০১২)

পন্ডিত মাহী
  • ২৩
  • ৮২
১)
রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ এক বুড়ো এসে বললো
-বাবা, বিদেশী অফিসটা কোনদিকে
আমি সজোরে মাথা নেড়ে জানালাম, জানি না
রাস্তার এই সব লোক দেখলেই আমার গা জ্বলে। কথা নেই বার্তা নেই হুট করা সামনে চলে আসবে। এটা বলবে ওটা বলবে। আমি কি বিদ্যাসাগর নাকি? ফালতু। এখন মুডটাই নষ্ট হবার পথে। মাথায় এখন কত চিন্তা, আজ প্রেমিকা আসছে একটু পরেই। আমার নতুন প্রেমিকা। এই তো ক’দিন থেকে জুটিয়েছি।
বুড়োটা কিছুক্ষণ হতাশ ভঙ্গিতে এদিক ওদিক তাকালো, তারপর চলে গেলো। তার সাথে যে ছেলেটি, সে মনে হয় তার ছেলে। সতের কি আঠারো বয়স। খুব অবাক হলাম এক মুহুর্তে, এতটুকুন ছেলে বিদেশ যাবে! তাও কাজের জন্য।
ভাবনাটা বড় হয় না। আমার ভালোমানুষি মনটাকে গলা টিপে মারি।
-ধুর কি সব ভাবি!
আমি আবার প্রেমিকার পথের দিকে চেয়ে থাকি। চোখে-মুখে ভালোবাসার একটা জেল্লা আনার চেষ্টা করি। প্রেমিকার ঠোঁটের কথা ভাবি, বুকের কথা, সরু কোমড়, মসৃন পেট, সুগন্ধি শরীর, চুল…
এসবই আমার চাই। এসবে অনেক দাবি। যা বিনিয়োগ করবো তা সুদে-আসলে তুলে নেবো। ইস্ কবে যে বিছানায়…
আমার মুখের ভেতরটায় কামার্ত লালায় ভরে যায়।
শেষ পর্যন্ত প্রেমিকা আর আসেনি।ফোন করে জানালো, তার বাসায় উটকো কিছু গেস্ট এসেছে।বার কয়েক ফোন চুম্বন দিয়ে আমাকে শান্ত করলো সে। আমি তার ঠোঁটের কথা, বুকের কথা চিন্তা করতে করতে বাসায় ফিরি। ফ্রিজ থেকে জুসের বোতল হাতে নিয়ে চুমুক লাগাই ঠোঁটের বদলে।

কিছুদিন চলে গেলো। প্রেমিকার সাথে বেশ ক’বার ডেট হলো এর মাঝে। সন্ধ্যের দিকে লেকপাড়ে বসে কত খুনসুঁটি, ভালোবাসা, লেপ্টে থাকা একে অপরের সাথে। ওর নানা রঙের লিপ্সটিক গুলোর স্বাদ আমায় অবাক করে। নিটল বুকে হাত দিয়ে চমকে যাই আবেশে… এরপর আর বলতে হয়। লিটনের ফ্লাট ছাড়া গতি নাই।



২)
আজ নতুন সিম কিনেছি। আগেরটা আর না। বন্ধু রাফির বাসা থেকে ককটেল পার্টি শেষ করে রিক্সায় খুঁজি টলতে টলতে। পেটে বিদেশী মাল পড়েছে। পার্টিতে হেব্বি মজা হইছে। ঐ লম্বা মেয়েটা যা নাচ দিলো আমার শরীরে ঝাক্কি দেয়। শর্টসে দারুন সেক্সি লেগেছে। বিছানায় নিয়ে… ইস্
একটা রিক্সা আসতেই
-ঐ খালি যাইবা
এতরাতে রিক্সা পাওয়া যায় না। এক বুড়ো রিক্সাওয়ালা আসছে।
-যামু, চলেন বাবা
মনটা খিচে উঠলো। শালার রিক্সাওয়ালা আমারে বাবা বললো! চড় দিয়ে হারামজাদারে ঘুরায়া ফেলতে ইচ্ছা করছে। ফকিন্নির বাচ্চাগুলার সাহস দেখে অবাক হই। অনেক কষ্টে নিজে থামালাম। পার্টির মেয়েটার শরীরের উচু নিচু ভাঁজ গুলোর কথা ভাবতে ভাবতে মনটা একটু শান্ত হলো। সাদা টি-শার্ট ছিড়ে উচু বুক দুটো যেন শিং হয়ে তেড়ে আসবে এখনি।
বাড়ির সামনে আসতেই রিক্সা থেকে থামিয়ে নেমে পড়ি। বিশ টাকা বাড়াতেই বুড়া মিয়ার ত্যালত্যালে ভাব শুরু হলো এবার
-বাবা আপনারে একটা কথা কই, আমার পোলাডা কলেজ পড়ে। জামা-প্যান্ট দিবার পারি না। যদি একটু দয়া করেন – বাবা- বাবা- একটু দয়া করেন…
মেজাজ, মেজাজটা… শালার সবাই কি আমারে দাতা হাতেম তাই মনে করে। মনে মনে ফকিন্নির বাচ্চাটাকে গাল দিতে দিতে আর দুইটা টাকা বুড়োর হাতে দিয়ে পা চালাই।

রাতে অবশ্য দারুন একটা ঘুম হয়েছে। নিচের অংশে কিছু একটা ঠান্ডা ভাব পেলাম। মুখে মুচকি হাসি এলো। সেক্সি মেয়েটাকে রাতে স্বপ্নে কিছু একটা করে ফেলেছি বোধহয়। সারা শরীরে এক প্রশান্তি ভর করে।
ব্রাশ-ট্রাশ হয়ে গেলে পাউরুটি আর মাখন দিয়ে নাস্তা সারি। ভার্সিটির অনেক কাজ জমে আছে। সেমিস্টারের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিরক্তিকর একটা কাজ, আর এমন একটা ফালতু বিষয় দিলো- Hunger in third world. রিপোর্ট করার মত বাজে কাজ আর নেই, তার উপর এত বাজে বিষয় হলে কিভাবে হয়। তবু ইন্টারনেট ঘেটে পর্ণ দেখার পাশাপাশি কিছু আর্টিকেল কপি করলাম। আমার গ্রুপ পার্টনার তপু ওগুলো দেখে বললো- সব জাঙ্ক ফাইল। ও নিজেই রিপোর্ট করেছে। বিরক্তিকর কাজ থেকে বাঁচতেই আরেক বন্ধু সবুজের কাছ থেকে ১০ গিগা পর্ণ মুভি এনেছি। আজ সারাদিন ভালো যাবে।


৩)
পরদিন বিকেলবেলা রিপোর্ট জমা দিয়ে চলে আসি বনানী লেকে। একটু সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ইচ্ছে করছে। আমার সৌন্দর্য্য পিপাসু মনে উত্তাল ঝড়। তাই কয়েকজন বন্ধু মিলে রেলিং ধরে আমাদের আড্ডা। কারো বোন, কাজের মেয়ে, রাস্তার মেয়ে, ভার্সিটির ম্যাম, মায়ের বয়সী কেউ, বিদেশী মদ, পর্ণের নায়িকা- কোন কিছুই বাদ যায় না আড্ডা থেকে। হঠাৎ বন্ধু রাফি বলে,
-দেখছোস মালডা কি তাইট, সো সেক্সি মাইরি…
নির্জন এই রাস্তায় আমাদের সামনে দিয়েই একটা সপ্তাদর্শী মেয়ে যাচ্ছে। মেয়েটা বোধহয় শুনতে পায়। পিছনে ফিরে তাকালো। স্যালোয়ারে দারুন দেখতে। শীষ দেওয়ার শব্দ পাই। এটা নিশ্চিত শানের কাজ। মেয়েটা এবার আমাদের দিকে আসছে। কি সাহস! আমি নার্ভাস ভঙ্গিতে সবার দিকে তাকাই।
-কে কথাটা বলেছে
মেয়েটা ভেতরে রাগে ফুসছে। রাফি এগিয়ে যায়।
-এনি প্রবলেম বিউটিফুল, চলো না পুষিয়ে দেবো।
বলে শেষ করার আগেই রাফি বুঝলো সে চড় খেয়েছে। খানিকটা কাত হয়ে পরে গেলো। মাটি থেকেই রাফি চিৎকার করে বললো,
-ধর শালীরে…
আমরা সবাই জাপটে ধরি মেয়েটাকে এক মুহুর্ত দেরী না করে।চান্সে শরীরের এদিক সেদিক হাত দিলাম। গাড়িতে ধুকিয়ে মুখ বেঁধে নিয়ে চললাম পাশের ব্লকে শানের বাসায়। ওর বাসাটাই কাছে আর আজ খালি আছে। রুমে নিয়ে মুখ বাঁধা অবস্থায় মেয়েটাকে ছুড়ে ফেলি শানের বিছানার উপর। ভয়ার্ত চোখে সে কিছু বলতে চাইলো, আমরা শুনলাম না। শরীরে, চোখে-মুখে কামনার নেশা জেগেছে। শান্ত হতে হবে।
তারপর সারা ঘরে অনেক রাত পর্যন্ত একটা আর্ত-চিৎকার, আর গোঙ্গানি ঘুরে বেরালো। যখন আমরা শান্ত হলাম, বিছানায় তখন ছোপ ছোপ রক্তের ছাপ। মেয়েটা জ্ঞান হাড়িয়েছে বহু আগেই। গায়ে একটা সূতাও রাখিনি সৌন্দর্য্য দেখবো বলে।
শান আড়মোড়া ভেঙ্গে বললো, দোস্ত এইটারে বাঁচায়া রাখা যাইবো না।
শান কে এই কারনে ভালো লাগে। ঠিক সময় ঠিক বুদ্ধি দিতে পারে। আমরা বুঝলাম মেয়েটা বেঁচে থাকলে কি কি বিপদ হতে পারে। কথা্টা ঠিকই বলেছে শান। আমরা তাই ভাবতে লাগলাম কি করে মেয়েটাকে মারা যায়। আমি ভাবলাম গলা টিপে মেরে রাস্তায় নিয়ে ফেলে দেই। রাফি খেপলো শুনেই, বুদ্ধু তোর হাতের ছাপ লেগে থাকবে না। পুলিশকে এত বোকা পাইছোস। আমি ধমকটা গোপনে গিলে খেলাম। এরপর কেউ বললো আগুন ধরিয়ে দেবার কথা। কেউ ছুরি মেরে রাস্তায় ফেলে দেবার কথা। কেউ এসিড দিয়ে ঝলসে দিতে চাইলো মুখ। তবে শান খুব ভালো একটা প্রস্তাব দিলো, মেয়েটাকে কুরবানির গরুর মত আমরা যদি কেটে টুকরো টুকরো করি তবে কেউ বুঝতেই পারবে না কে খুন হয়েছে। আমরা ব্যাগে ভরে সহজেই ফেলে দিয়ে আসতে পারবো। সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে আমাদের এক ঘন্টার বেশী সময় লাগার কথা নয়।
কথাটা দারুন বলেছে শান। আমরা তাই যে যা পারলাম ঘর থেকে ছুরি, বটি নিয়ে আসলাম। তারপর গলা, হাত, পা, বুক, প্রতিটি অংশ যত্নের সাথে কেটে টুকরো করতে থাকি। রাফি গান ছাড়ে, আমাদের কাজে আসে নতুন উদ্যোম। আমরা সবাই মহা-উৎসবে সুন্দর করে প্রতিটি টুকরো সমান করে কাটতে লাগলাম। চারটা বড় মোটা পলথিন আনা হয়েছে। কাটা টুকরো গুলো সমান ভাগে ভাগ করে পলথিনে ভরি, সাথে রক্তমাখা কাপড় গুলোও।
সকালের সূর্য উঠতে এখনো বেশ দেরী। এই সময় গাড়ি নিয়ে বের হয়া একটু বিপদজনক। একটু ভয় লাগছিলো আমার, বোধহয় সবারই। গাড়িতে নিয়ে দ্রুত চলে আসি বুড়িগঙ্গার পাড়ে। তারপর একটা একটা করে ব্যাগ বের করে ময়লা ফেলার ঢঙ্গে ছুড়ে ফেলি কুৎসিত কালো জলে।
হুররে… আজ অনেক অনেক মজা হলো। রাফি সমটাকে সেলিব্রেট করতে দুটো বোতল বের করে। ওর হাত থেকে একটা নিয়ে চুমুক দেই। ঝঁজওয়ালা তরল বুক জ্বালাতে জ্বালাতে পেটে গিয়ে পড়ে। আর সাথে সাথে সব উৎকন্ঠা আনন্দে রুপান্তরিত হয়। আগুন ধরে যায় সারা শরীরে।



৪)
আমাদের শরীরের আগুন সকাল হবার আগেই থেমে যায়। সকাল বেলা যখন একজন-দু’জন করে মানুষ, গাড়িভর্তি পুলিশ, বাবা-মা, বন্ধুরা একে একে আসে। ততক্ষণে আমি, আমরা ভালো হয়ে গেছি। আমরা আর খারাপ চিন্তা করি না, আমিও না। শরীরে সবাই হাত দিয়ে বুঝলো আমাদের শরীর সত্যি ঠান্ডা হয়েছে। আমরা শান্ত ছেলের মত পড়ে থাকলাম। কয়েকটা মাছি এসে আমার গালে বসার চেষ্টা করলো। সবার সাথে সাথে আমিও বুঝলাম আমি আর নেই।শুনলাম, পুলিশের ধারণা বোতল দুটোতে বার্ণিশ স্পিরিটের ভেজাল ছিলো। এদিকে সবার কান্নার রোল, সবার নিশ্চই কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আমাদের আর কষ্ট হয় না। আমরা শান্ত অনুভূতিহীন হয়ে পড়ে থাকি। মরে গেলে কি আর কষ্ট হয়না? হয়তোবা!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
রোদের ছায়া (select 198766*667891 from DUAL) আগেই পরেছিলাম কেন জানি না কমেন্ট করা হয় নি ............সমাজ চিত্র আঁকা দারুন হয়েছে . শেষ পরিনতিটাও শিক্ষনীয় ...........
Meshkat লেখার শব্দ বুনন অনেক চমৎকার। প্লাটফরমটাও ভাল। কিন্তু ভাই, ভাষাগুলো আরো মার্জিত হওয়া উচিত ছিল। তাই ৫ নয়, ৩ দিলাম। কিন্তু আপনার কথা গুলো মুল্যবধে আঘাত করে। এটাত বাংলা চটির মত হয়ে গেল। যাই হোক, আমার লেখা পড়ার আমন্ত্রন রইল।
যে লেখা মুল্যবধে আঘাত করে সেটা আবার চটি হয় কি করে! চটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ...
দেখুন মাহী ভাই, বিষ কি জিনিস তা জানার জন্য বিষ খেয়ে দেখা লাগে না। তাই চটি কি সেটা জানতে চটি না পড়লেও চলে। ধন্যবাদ।
এস কে পরশ হিংসে করলাম আপনার গল্পকে চালিয়ে যান.......লেখকের নাও আর থামবেনা
খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি পন্ডিত মাহী আধুনিক যুব সমাজের লেখক পথিকৃৎ...// Mamun Vaiyer sure Bolte Hoy....Pondit Mahi ...Akjon Lekhok Jini Jubo Somajer Jonno Ai Dhoroner Lekha Likhchhe.....Osadharon.....5
Israt wooo ....that was gross mahi . but yet good . একটা প্রজন্ম এখন গড়ে উঠেছে দেশে। তাদের না আছে কোন নৈতিকতা, না আছে কোন লজ্জা কিংবা দেশাত্মবোধ। আমি নিজের চোখে কিছু রূপান্তর দেখেছি। এরকম ছেলেদের সাথে পরিচয় নেই তবে কেন তারা এরকম হয় তা আন্দাজ করতে পারি। এক-দুজন দিয়ে শুরু হয়, তারপর kool হওয়ার জন্য সরল ছেলেগুলো নিজেদের বদলে নেয়।
ঝরা লিখেছেন ভাল দেখে মনে হয় বাস্তব কিন্তু তবুও কেমন যেনো অগুছালো ভালো লেগেও কেমন যেনো অতৃপ্তি।
মিলন বনিক বকে যাওয়া কিছু শিক্ষিত যুবক আর বর্তমান সময়ে ঘটে যাওয়া অসামাজিক crime গুলোর উপর ভিত্তি করে বাস্তবধর্মী লেখা খুব ভালো লাগলো..শিক্ষার একটা পরিসমাপ্তি ঘটল কর্মফলের মধ্য দিয়ে...
সালেহ মাহমুদ আমি কাউকে গালি দিতে পারি না। তুই সামনে এলে আদর করি। কিন্তু ব্যাটা তোর লেখা পড়লেই আমার শালা গালিটা চলে আসে। এত ভালো লিখছিস দেখে ঈর্ষা হচ্ছে রে আমার। ব্র্যাভো, অসাধারণ লিখেছিস। গাল খেয়ে বাংলা পাঁচ হয়ে গেলি না তো আবার?তোকে মনে হয় আর ছুঁতে পারব না রে....।
কি যে বলেন ভাই। লিখতে এখনো পারি না। অনেক ঘসে মেজে একটা লেখা দাড় করাই। সাবলীল হতে পারি না এখনো। দোয়া করবেন যেন দূর্বলতা গুলো কাটিয়ে ঊঠতে পারি।
আদিব নাবিল নতুন প্রজন্মের মাধ্যমে নয়া সময়ের চিত্র। খুব সুন্দর ফুটিয়েছেন। তাদের কাজের এবং চিন্তার নির্মমতা ফোটাতে গল্পকারকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে বোঝা যায়। এজন্য বাড়তি সাধুবাদ।

০১ ফেব্রুয়ারী - ২০১১ গল্প/কবিতা: ৬৬ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬