ওগো তোমার কি আজও ফেরার সময় হয়নি আমার মতো রিক্ত জননীও যে তোমার পথ চেয়ে বসে আছে কতকাল- বল আর কতকাল পথচেয়ে থাকতে হবে আমাদের।
অমল,সিদু,বিপ্লব ওরাতো কবেই ফিরে এসেছে- এক একটা রক্তিম সূর্য হাতে নিয়ে। তবে তুমি কেন এলেনা? তোমার যুদ্ধ কি তবে আজও থামেনি? তুমি কি ছিনিয়ে আনতে পারনি তোমার কাঙ্খিত সূর্য!
দানবের বিষাক্ত থাবায় জননির ক্ষতবিক্ষত রুপ সইতে না পেরে- সেদিন একসাথেইতো বেরিয়েছিলে ঘর থেকে আধারের বুকচিরে নতুন দিনের সূর্যটাকে ছিনিয়ে আনতে বুকের রক্তে পৃথিবীর মানচিত্রে নতুন স্বাক্ষর এঁকে দিতে। যাবার সময় আমার দু'হাত ধরে বলেছিলে- "যদি আবার কখনও দেখা হয় সে হবে স্বাধীন মানচিত্রের উপর বিজয়ের নিশান হাতে" চেয়ে দেখ- তোমার সেই স্বাধীন মানচিত্র যে আজ তোমায় ডাকে সবুজ বাংলার রক্তাক্ত সূর্যটা যে আজ তোমায় ডাকে আমার কপালে সিঁদুরের টকটকে লাল রেখা যে আজ তোমায় ডাকে। বিজয়ের নিশান হাতে তুমি ফিরে এস মানচিত্রের মাঝ বরাবর যেখানে রয়েছে তোমার সেদিনের সেই তিন দিনের সংগ্রাম যাবার সময় যার কপাল চুমে তুমি বলেছিলে- "প্রস্তুত থাক বাপ তোকেও যে লড়তে হবে" তোমার সংগ্রাম আজ প্রস্তুত। জননী এমন অসংখ্য সংগ্রামকে আজ সাজিয়ে দিয়েছে রণসজ্জায় তুমি তাদের রণাঙ্গনে নিয়ে যাও।
চেয়ে দেখ- বাংলার আকাশে আজ যে আবার কালোমেঘের ঘূর্নিচক্র নরপিশাচেরা আবার মাথা চাড়া দিয়েছে একে একে মানচিত্রে হেনেছে সশস্ত্র আঘাত পতাকাকে পদদলিত করে জাতিকে করেছে লাঞ্ছিত জননীর কন্ঠে ঝুলিয়ে দিয়েছে কলঙ্কের মালা। তাইতো জননী অধীর আগ্রহে বসে আছে আরও একটি একাত্তরের জন্য।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
সিয়াম সোহানূর
যাবার সময় আমার দু'হাত ধরে বলেছিলে-
"যদি আবার কখনও দেখা হয়
সে হবে স্বাধীন মানচিত্রের উপর
বিজয়ের নিশান হাতে" ------ এ দৃপ্ত অঙ্গীকারই আমাদের স্বাধীনতার সূর্য উপহার দিয়েছে । চমৎকার কবিতা।
আহমেদ সাবের
তিন দিনের শিশু পুত্র সংগ্রামকে পেছন ফেলে যুদ্ধে গিয়ে আর ফিরে আসেন নি মুক্তিযোদ্ধা পিতা। তার সেই বলে যাওয়া কথা "প্রস্তুত থাক বাপ / তোকেও যে লড়তে হবে" আজ সত্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবেগঘন কবিতাটা বেশ ভালো লাগলো।
তাপসকিরণ রায়
কবিতাটি ভালা লেগেছে.এর ধারাবাহিকতা,ছন্দ সমান তালে এগিয়ে গিয়েছে.তবে একই ধরনের অনেকগুলি কবিতা আমরা দেখতে পাচ্ছি.লেখা প্রতিযোগিতার নির্ধারিত কবিতার লাইনকে পার করে গেছে মূলত বলতে পারি লেখাটি ভালো লেগেছে.
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।