আশেপাশে কেউ নেই কেউ নেই --- তীরহারা অন্ধ রাত! তবু ভোরের নৈবেদ্য দু’হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি প্রমাণ সময়; কখন অবসান হবে ভৌতিক প্রহর? কখন জেগে উঠবে পিপীলিকার ঘুমন্ত হাত? এ যেন মহাকালের নিকট থেকে ধার নেওয়া এক তিলক সময়ের রুদ্ধদ্বার গোপন অভিসার, যদিও কোনোরকমে চলেও যাচ্ছে জীবন-মৃত্যুর এ অস্থি সন্ধি ক্ষণ!
ওই দেখো, চেয়ে দেখো---, আটকোরা বেতস লতা, পঙ্গ পালের মত ধেয়ে আসছে শীতল জলরাশি, আঙুলের গিঁটে গিঁটে শুরু হয়েছে নামতার পাঠ, কেঁদে কেঁদে উঠছে অপাংত্তেয় মর্মর উলঙ্গ পেরেক আর কচি কচি হাতের মুঠোয় ধরা চিরসবুজ প্রাণের গডজিলা!
মনে রেখো, এখানে একদিন জমেছিল আজরাইলের লাল অভিধান! যেখানে অদৃশ্য ছোঁয়াচে কালিতে লেখা থেমে থাকা কালের হিসাব, শুধু অপেক্ষার পাকদণ্ডী----বিবমিষা, কড়াই-গণ্ডায় আদায়ের অলিখিত মুচলেখা!
হয়ত একদিন মিটে যাবে এ জীবনের সকল লেন-দেন, হয়ত ফুরোবে নৈমিত্তিক সকল অপ্রয়োজন আধা-পাকা ভৌতিক ছায়া সন্তান! তবু এই বিষণ্ণ, হতাশ রাতের উপকথা, লিখে রাখে কালান্তক ইতিহাস! জেগে থাকে অষ্টপ্রহর যদি আলাদীনের চেরাগের মত কোন রূপকথা ফিরে আসে, ফিরে আসে---!!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।