রঙের এমন তীব্রতা, চোখ বন্ধ হয়ে আসতে চায় নেমেছিল রঙ অন্ধকারের উপর তেমনি; রাত পেছনের সঙ্গীত ছিলোনা সংজ্ঞায়িত একটানা একই সুর বেজে যাচ্ছিল; রঙের ইথারে তরঙ্গহীন অবশেষে শিল্পী ভোরের রেখায় বাণী বসালেন দিন পেল জাগরণ , ভর করে পঁচিশে ।
শাড়িটা এলো একদিন হাতে করে, বুকে করে হাজারের একটি বৃত্ত রাঙাতে গেছে নয় মাস দিন-আর রাত ঢেলেছে শুষে নিয়ে রঙে চুবিয়ে নিজেকে লালের; আহ্লাদের রঙ একটু বেশি যেন মা বলেছিল-পাকা রঙ চাই শাড়িতে তার গাঢ় চাই রঙ যেন হয় মাখামাখি গভীরতার মিতালি চাই’ই ।
নিপুণ ফোঁড়ে কারু কাজ মানানসই অগণন তাঁতি দিয়েছে তাগা সুঁইয়ের গোড়ায়, মননে তাদের ঘুমহীন ঋতু জেগেছে শিওরে কবে হয় ভোর; তৃণ চিবানো পাড় বুকে নিল লালের হিম ; নয় মাসের চক্র ষোলতে ভর করে ফিরে দেখে মাটিতে মিশেছে একসাথে শাড়ি আর মা’য়!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।