কী নিদারুণ কষ্ট! কী বিষণ্ণ কদর্য রাত! উন্মাদ লেলিহান শিখায় নিমিষেই মানবতা ধূলিসাৎ। পুড়েছে লাল চিং, সাদা চিং ধুতি, শাড়ি, ফ্রক, পেন্সিল, ধর্মগ্রন্থ আর মানুষের জন্য মমতা। ভিনদেশী অস্ত্র, কিংবা আকাশ ভেঙে পারমানবিক বোমা আসে নি নাম না জানা কোন হায়েনা তবুও খোলা আকাশ আর ধুলো মাখা কচি কচি পা জিজ্ঞাসু চোখ, “এতকাল পাশে থেকে কী করে এত ঘৃণা!”
কারো ঘর খালি করে, কোল খালি করে কী এমন সুখ! পুড়িয়ে দিলে বাচ্চার রঙিন জুতা। মানুষ কী করে পারে কীভাবে লালিত এমন দস্যুতা?
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
সূর্য N/A
রামুর এই ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলাম। এর পুরো বিভৎসতা নিজ চোখে অনেকটাই দেখেছি। মানুষ সত্যিকার সভ্য না হলে এমন ঘটনা বারবার হাজার বার ঘটতেই থাকবে এদেশে অন্য দেশে পৃথিবীর সবখানে। ভালো লাগলো কবিতায় ইতিহাস...
সুমন
পুরনো ক্ষতে নতুন ঘা হয়ে দেখা দিল এ কবিতা। কিছু মানুষের কাছে ধ্বংসও একটা উল্লাসের বিষয়। সব ধর্মেই এমন উল্লসিত লোক আছে। গোড়ামী মুক্ত না হতে পারলে এভাবেই মানবতা দিন দিন পুড়ে যাবে হিংসার অনলে....
"পুড়েছে লাল চিং, সাদা চিং
ধুতি, শাড়ি, ফ্রক, পেন্সিল,
ধর্মগ্রন্থ আর মানুষের জন্য মমতা।" আমরা এগুলো কখনো দেখতে চাই না এই বাংলাদেশে এমন কি এই পৃথিবীতেও।
খন্দকার আনিসুর রহমান জ্যোতি
খুব সুন্দর প্রতিকি কবিতা .......রামুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উডস্থাপণ করা হয়েছে মানবতার বিরোধীদের চারিত্রিক রুপায়ন....ফরহাদ ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ...
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।