অন্ধকার,শুধুই অন্ধকার- দু’একজন কেবল মাত্র পরিচিতের ভাব দেখায়, মূলত সবাই অপরিচিত। আত্মীয়তা বড়জোর দেনা পাওনার, এর বাহুল্য কিছু নাই, আঁধারে জোনাকীদের মনে হয় মশালের মিছিল- কিন্তু পথচলার মত কি? মৃত্তিকায় হারিয়ে দিগন্তের যাত্রী- এই তো, আর মাত্র একটি মাঠ, তার পরই গোধূলী,আকাশ,তারকা,অন্যান্য। গগণের তলে চাতক নয়নে নিঃস্ব মানব শুনেছে আশরাফুল সে। তবে শ্রেষ্ঠের মর্যাদা দিয়ে লুকোচুরিতে কি পায়-? বলহীন মানব শূন্যতায় ভোগে, ভোগে অস্তিরতায়, সে পরমাত্মার দর্শন লাভে পূর্ণ্যতা চায়। এরি হেতুতে মৌন্যতায় দেয় ডুব- তবুও যদি তাঁর দেখা মিলে, অপেক্ষার প্রহর চলছে তো চলছে.. শুধু পূর্ণ্যতা পাবার অপেক্ষা।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
অদিতি ভট্টাচার্য্য
সে পরমাত্মার দর্শন লাভে পূর্ণ্যতা চায়।
এরি হেতুতে মৌন্যতায় দেয় ডুব-
তবুও যদি তাঁর দেখা মিলে,
অপেক্ষার প্রহর চলছে তো চলছে..
শুধু পূর্ণ্যতা পাবার অপেক্ষা।
হয়তো এটাই সার্থক পূর্ণতা।
খুব ভালো লাগল আপনার কবিতা।
এস, এম, ইমদাদুল ইসলাম
পরমাত্মার দর্শণে পূর্ণতা প্রাপ্তি ঘটবে কি না, বলা যায় না, তবে কবিতার শুরুতে যে জীবনদর্শণের ইংগিত কবি দিয়েছেন, তাতে আমার ভীষণ ভাল লেগেছে । আসলে তাই, আত্মীয়তা বড়জোর দেনা পাওনার, মানুষ দুনিয়াতে আসে একা , চলে যায়ও একা । এটাই চিরন্তন, আর সবই ফেক --- । অনেক ধন্যবাদ ।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।