চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।আপনাআপনি দু ফোটা জল গড়িয়ে পড়ে। এদিক ওদিক তাকায় কেও দেখে নেওয়ার আগেই হাত দিয় মুছে ফেলে...
বাংলা অস্থিরতার গল্প কি? বাংলা অস্থিরতার গল্প সম্পর্কে জানার আগে জানতে হবে, অস্থিরতা কি? অস্থিরতা কে অভিধানে খুঁজতে গেলে পাওয়া যায়: অস্থির-এর বিশেষ্য পদ অস্থিরতা। যার অর্থ অধীর, চঞ্চল, ব্যাকুল, ব্যস্ত, অনিশ্চিত। এমনিতে অস্থিরতার আক্ষরিক অর্থ স্থির নয় এমন অবস্থা। কোনো জটিল কারণে মানুষ যখন কি করা উচিত বুঝতে না পারে তাহলে তার যে অবস্থা দাড়ায় সেটাই অস্থিরতা। মানব জীবনের সাথে জড়িয়ে রয়েছে অস্থিরতা। তাই সাহিত্যেও রয়েছে অস্থিরতার উপস্থিতি। অস্থিরতা নিয়ে লেখা হয় গল্প, রচিত হয় কবিতা। গল্পকবিতা ডট কমের গল্পের বিশাল সম্ভারে রয়েছে দুই বাংলার নবীন প্রবীণ লেখকদের লেখা নানা স্বাদের বাংলা অস্থিরতার গল্প - যা, পাঠকের মন ছুঁয়ে যায়।
-
গল্প
বাবলুর মোবাইল প্রাপ্তিমারুফ হায়দারঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬ -
গল্প
জীবন এখানেশাহ আজিজঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬
সৈয়দ জামিল বসে আছেন একটা প্লাস্টিকের টুলে । গুলশান ১ নম্বর মোড়ে যাত্রী ছাউনির নিচে। তার লাগোয়া কি বোর্ড সমান ইকোনমি টেবিলে ডেস্কটপে এক তরুন ফটাফট টাইপ করছে । -
গল্প
বাকরুদ্ধAzaha Sultanঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬আমার শিক্ষাযোগ্যতা শূন্য তাই বলে আমি নগণ্য? আমার মন মানসীর সঙ্গে সব সময় কথা বলে, ‘পথের শেষ আছে পথচলা শেষ নেই, তুমি যেই রাস্তায় চলছ তার শেষে তোমার কোনো গন্তব্য নেই।
-
গল্প
এ যুগের বাসন্তীসেলিনা ইসলাম N/Aঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬জীবনের ভালবাসা আর শ্রদ্ধা যখন ধীরে ধীরে অহংকার আর দুর্বল দাপট দখল করে নিয়েছিল। তখন পাশে কাউকেই সে পায়নি। এমন কী মায়ের মমতাও সেদিন চোখের জলে ভাসিয়ে নিয়েছিল তার বিপক্ষে...!
-
গল্প
অস্থির মানে চঞ্চলজি সি ভট্টাচার্যঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬একটি মরজগত যা মানুষ ও অন্য সব মরণশীল প্রাণির জন্য আর অন্যটি আত্মা ও পরমাত্মার অবিনশ্বর জগত। এই দুইয়ের মাঝে আছে আর এক অস্থির বা ট্রানজিট জোন বা জগত আছে। যার নাম প্রেতলোক। এইজগত মৃত্যুর পরের।
-
গল্প
চলতে চলতেসুস্মিতা সরকার মৈত্রঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬টিক টিক টিক টিক। এক, দুই, তিন, চার, ঘড়িতে সেকেন্ডের কাঁটা সরে সরে যাচ্ছে। দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়াতে কামড়াতে নীপা অপেক্ষা করছে। অপেক্ষার তিরিশ সেকেন্ডও যে এত দীর্ঘ হতে পারে জানা ছিল না ওর। কিন্তু অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও তো নেই ওর। পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের নখ দিয়ে মেঝেতে আঁক কাটতে গিয়েও থেমে গেল ও।
-
গল্প
ভুলটা আমারই ছিলশ্রী সঞ্জয়---অস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬“জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ
বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছল জলধিতরঙ্গ
তব শুভ নামে জাগে, তব শুভ আশিষ মাগে,
গাহে তব জয়গাথা । -
গল্প
অন্য আলোমোহাম্মদ আবুল হোসেনঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬চোখ আকাশে ওঠে রেজার। আনন্দে লাফাতে থাকে। রেখা, অন্তরা তাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করতে থাকে আনন্দে- ভিজানো পিঠা? কোথায় পাইলা মা, আব্বা?
-
গল্প
শেফালিজসিম উদ্দিন জয়অস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬শেফালি মায়ের এইটুকু উত্তরে মন ভরে নাই । জানার আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দেয় । তাই মাকে আবারও প্রশ্ন করে ‘‘ তোমাকে কেন ছেড়ে চলে যায় বাবা ? তোমার আপরাধ কি ? বলো না, মা বলো আমাকে ?
-
গল্প
শুধু তোমার জন্য অস্থিরতাইমরানুল হক বেলালঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬
প্রিয়,
এখন নিঝুম রাত।বাহিরে টু শব্দ নেই।শীতে গা একটু একটু কাঁপছে।বিছানায় হেলান দিয়ে শুধু তোমার কথা ভাবছি।মনটা আজ ভিষন অস্থির লাগছে।উদাসীন মন আজ শুধু করে মৌনতার আয়োজন।আলো আধারী মায়াবী এ পৃথিবীর মোহনীয় এই শুন্যতা তুমি আসবে বলে পাবো কি স্বপ্নের পূর্ণতা? -
গল্প
মন মোর মেঘের সঙ্গীফাহমিদা বারীঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬প্রেম ভালোবাসার পথও আর মাড়ায় না সীমন্তি। বাবা-মা'র আদরের সেই ছোট্ট সীমন্তি হয়েই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দেবে ঠিক করে। সময়ের সাথে সাথে সব ক্ষতই শুকিয়ে আসে।
-
গল্প
কালো গোলাপআল মামুনঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬পুরো আকাশ জুরে ঘন কালো মেঘ, বৃষ্টিও হচ্ছ প্রচুর। বৃষ্টির একটানা বর্ষনে- রিমঝিম শব্দটাও কেমন নেশা ধরিয়ে দিচ্ছে এ মনে। বাতায়নের ফাকে প্রবাহিত বাতাসের হিমেল স্পর্শে ক্ষনে ক্ষনেই শিহরিত হচ্ছি আমি। ইচ্ছে করছে জীবনের সব পিছুটান ভুলে- বয়ে চলা মেঘের সঙ্গী হয়ে দিগন্তে হাড়িয়ে যাই.......
-
গল্প
এক অস্থির বন্ধুত্বের পরিণতিফাহিম আজমল রেমঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬অস্থির চাহনিতে আমি হাটছি রাস্তার একপাশ ধরে।আমাকে আটকানোর যেন আজকে আর কেউ নেই।পুরো পৃথিবী একদিকে আর আমি সবার উল্টো দিকে ছুটছি নিজের রাঙানো স্বপ্নটিকে উজ্জল করার জন্য।
-
গল্প
হুকো বন্দনাজসিম উদ্দিন আহমেদঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬তামাক সাজতে সাজতে হরমুজ আলী বলল, বুঝলেন ফকির সাব, এ হুঁকোর ওসিলায় আল্লাহ সেদিন প্রাণে বাঁচায়ে দেছেন। খান সেনারা তো আমাকে ও নৌকার মাঝিকে গলুইয়ের উপর দাঁড় করায়ে রেখেছে। হাত উপরে তুলে আল্লাহর নাম স্মরণ করছি। নৌকার মাঝি তো ভয়ে থরথর করে কাঁপছে।
-
গল্প
ফালতুছন্দদীপ বেরাঅস্থিরতা, জানুয়ারী ২০১৬একটু পরে সুহাসিনী পার্কের সামনে দেখা হল।
-চল, একটু চা খাওয়া যাক। সুরেশের আবদার।
-চল, ব্যাপারটা খারাপ হবে না।
চা খাচ্ছি, এমন সময় দেখি শরণ আসছে। আমরা হেসে উঠলাম। শরণ-এর ক্যাবলা মুখখানা দেখলে যে কেউ হেসে গড়িয়ে পড়বে।
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
