লালু মিয়া মৃত্যু শয্যায়। বয়স মোটামুটি ভালই হয়েছে। তিয়াত্তর। তবে এর চেয়ে বেশি বয়সের লোকজনও এখনও শুকনো সুপারি চিবিয়ে খেয়ে কাক ভূষণ্ডি হয়ে দিব্যি এবাড়ি ওবাড়ি করে বেড়াচ্ছে।
-
গল্প
লালু মিয়া সংকীর্তনJamal Uddin Ahmed -
গল্প
অদ্ভুত এক কৃপণনাজমুল হুসাইনত্যাদোড় বুড়োটার বয়স যতই বেড়ে চলেছে তার বাক পটুতা,ততই যেন বাড়ছে।তার সাথে কথায় পেরে উঠা খুব মুসকিলের ব্যপার।যে যাই বলুক তার সোজা সাপ্টা কথা,আর যাই হোক টাকা খরচ করা চলবে না।
-
গল্প
পিতা-কন্যা উপাখ্যানরঙ পেন্সিলবিদ্যুৎ আসার কোন ঠিক ঠিকানা নেই তাই হাতের কেরোসিন তেলের বাতিটা নেড়েচেড়ে দেখে নেয় তেল ভরা আছে কিনা।খাটের পাশের চাল ভরা টিনের বড় কৌটার উপর বাতিটা রাখতে রাখতে হঠাৎ পাশেই কাপড় ঝুলানো দড়ির ওপাশটাতে চোখ পড়াতে তীব্র আতংকে ওখানেই জমে যায় ও।মাতব্বরের ছেলে মন্টু আর তার সংগির লালসার হাসি ওর মাত্র তিন হাতের মধ্যে।
-
গল্প
কিপ্টে দুলালArshad Beegলাল পড়াশুনায় ততোটা ভালো নয়।যায় হোক বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হলো দুলাল।এবার তাকে বাড়ি ছেড়ে মেসে থাকতে হলো।সেখানেও সে কিপ্টে শুরু করে।ঠিকমত মিলের টাকা দেয়না।
-
গল্প
কৃপণাআবু আরিছআনুশাকে পড়াতাম আমি ঝুল বারান্দায় বসে। বেশ লাগতো পড়াতে। পড়ন্ত বিকেলের নরম রোদ আমাদের গায়ে এসে পড়ত আর মাঝে মাঝে বইত খুব জোর এলোমেলো হাওয়া।
-
গল্প
ভুগিচুগিA R Shiponহেলপারঃ ভাইয়া ভাড়া দেন।
সালাউদ্দিনঃ পরে,
হেলপারঃ আর কত পরে? চলে আসলেন তো প্রায়
সালাউদ্দিনঃ অন্য সবার কাছ থেকে নিয়ে আসো তারপর।
হেলপারঃ অন্যসবাই পরে দিবে। আপনারটা দিন। -
গল্প
গোরস্থানজসিম উদ্দিন আহমেদগোরস্থানের পাশের বড় খেজুরগাছটার আধাআধি উঠে দৌলত আলী ওরফে দৌলত কঞ্জুস কোন মতে লটকে রয়েছে। জঙ্গলি গাছটার অমসৃণ গা আকড়ে এভাবে তিন চার ঘন্টা ঝুলে থাকা সহজ কথা না। তবুও থাকতে হচ্ছে। না থেকে দৌলতের কোন উপায় নেই। নিচে মানুষ-খেকো শিয়াল গুলো এখনো মরা মানুষের দেহ নিয়ে কাড়াকাড়ি করছে।
-
গল্প
কৃপণের সুখআহা রুবনসে বলে ‘ডাক্তার হল জোঁক! মানুষ না মরা পর্যন্ত নানা বাহানায় রক্ত চুষতেই থাকে।’
‘তোমার শরীরের রক্ত জোঁকেও খাইতে পারব না; চুষ দিলে উল্টা জোঁকের রক্ত তোমার শরীরে আইসা পড়ব।’
‘দেখলা না সেবার কতগুলা টাকা ডাক্তারে নিয়া গেল? সাধে কি আমি...’ -
গল্প
শাপিত জিকিরAhad Adnanএকটা সিগারেট দেন, কইতাছি’।
‘তুই আলিফ লায়লা পাইছিস আমারে? গল্প বলার ব্ল্যাকমেইল করে সুবিধা নিবি। আমার গল্প শোনার কোন মুড বা ইচ্ছা নেই’।
‘স্যার, গুলি কি আপনি নিজে করবেন’?
‘কেন, আমি করলে সমস্যা আছে’? -
গল্প
জ্যামিতিক দই-ওমলেটপ্রজ্ঞা মৌসুমীটিভির বিজ্ঞাপনের মতোন তারপর ট্ৰেনে করে বাড়ি ফেরা আসে। জানালার মাপের দূরবীনে চোখ রেখে অরণিও চেষ্টা করে রঙধনু ভাবার। ছিটকে আসা কোন ভিখেরীর মতো ভাবনায় তখন ছেলেবেলা দাঁড়ায়।
নভেম্বর ২০১৮ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
