বিদ্যুৎ আসার কোন ঠিক ঠিকানা নেই তাই হাতের কেরোসিন তেলের বাতিটা নেড়েচেড়ে দেখে নেয় তেল ভরা আছে কিনা।খাটের পাশের চাল ভরা টিনের বড় কৌটার উপর বাতিটা রাখতে রাখতে হঠাৎ পাশেই কাপড় ঝুলানো দড়ির ওপাশটাতে চোখ পড়াতে তীব্র আতংকে ওখানেই জমে যায় ও।মাতব্বরের ছেলে মন্টু আর তার সংগির লালসার হাসি ওর মাত্র তিন হাতের মধ্যে।
-
গল্প
পিতা-কন্যা উপাখ্যানরঙ পেন্সিল -
গল্প
সবদর আলীশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানকিছুক্ষণ চুপ থেকে সে তার ছেলেকে বলল,কিন্তু বাবা রাকিব ,আমার হাতে তো এখন তোমাদের দেবার মতো কোনো টাকা নেই। আমি ব্যবসা চালিয়ে কোনোমতে দিন কাটিয়ে দিচ্ছি ।ঘুরতে যাওয়ার মতো অতিরিক্ত টাকা আমার হাতে নেই যা তোমাদের দিতে পারি।
-
গল্প
ভুগিচুগিA R Shiponহেলপারঃ ভাইয়া ভাড়া দেন।
সালাউদ্দিনঃ পরে,
হেলপারঃ আর কত পরে? চলে আসলেন তো প্রায়
সালাউদ্দিনঃ অন্য সবার কাছ থেকে নিয়ে আসো তারপর।
হেলপারঃ অন্যসবাই পরে দিবে। আপনারটা দিন। -
গল্প
শাপিত জিকিরAhad Adnanএকটা সিগারেট দেন, কইতাছি’।
‘তুই আলিফ লায়লা পাইছিস আমারে? গল্প বলার ব্ল্যাকমেইল করে সুবিধা নিবি। আমার গল্প শোনার কোন মুড বা ইচ্ছা নেই’।
‘স্যার, গুলি কি আপনি নিজে করবেন’?
‘কেন, আমি করলে সমস্যা আছে’? -
গল্প
শোকARJUN SARMAরমেশকে সবসময় সমবয়সী বন্ধুরা, বড়োরা ক্ষেপায় আর দুয়ো দেয় ,
কিপ্টে যুগলের চিমসে ব্যাটা,
তোদের, টাকা খাবে উইয়ের পোকা । -
গল্প
লালু মিয়া সংকীর্তনJamal Uddin Ahmedলালু মিয়া মৃত্যু শয্যায়। বয়স মোটামুটি ভালই হয়েছে। তিয়াত্তর। তবে এর চেয়ে বেশি বয়সের লোকজনও এখনও শুকনো সুপারি চিবিয়ে খেয়ে কাক ভূষণ্ডি হয়ে দিব্যি এবাড়ি ওবাড়ি করে বেড়াচ্ছে।
-
গল্প
কৃপণ ফজর আলীMohammad Abdullah Mozumderখবই কৃপণ এ ফজর আলী। কৃপণতার কারণে বিপুল অর্থ সম্পদ থাকা সত্বেও তার পরিবারের সদস্যরা খুবই নিন্মামনের জীবনযাপন করে।
-
গল্প
গোরস্থানজসিম উদ্দিন আহমেদগোরস্থানের পাশের বড় খেজুরগাছটার আধাআধি উঠে দৌলত আলী ওরফে দৌলত কঞ্জুস কোন মতে লটকে রয়েছে। জঙ্গলি গাছটার অমসৃণ গা আকড়ে এভাবে তিন চার ঘন্টা ঝুলে থাকা সহজ কথা না। তবুও থাকতে হচ্ছে। না থেকে দৌলতের কোন উপায় নেই। নিচে মানুষ-খেকো শিয়াল গুলো এখনো মরা মানুষের দেহ নিয়ে কাড়াকাড়ি করছে।
-
গল্প
কৃপণের সুখআহা রুবনসে বলে ‘ডাক্তার হল জোঁক! মানুষ না মরা পর্যন্ত নানা বাহানায় রক্ত চুষতেই থাকে।’
‘তোমার শরীরের রক্ত জোঁকেও খাইতে পারব না; চুষ দিলে উল্টা জোঁকের রক্ত তোমার শরীরে আইসা পড়ব।’
‘দেখলা না সেবার কতগুলা টাকা ডাক্তারে নিয়া গেল? সাধে কি আমি...’ -
গল্প
জ্যামিতিক দই-ওমলেটপ্রজ্ঞা মৌসুমীটিভির বিজ্ঞাপনের মতোন তারপর ট্ৰেনে করে বাড়ি ফেরা আসে। জানালার মাপের দূরবীনে চোখ রেখে অরণিও চেষ্টা করে রঙধনু ভাবার। ছিটকে আসা কোন ভিখেরীর মতো ভাবনায় তখন ছেলেবেলা দাঁড়ায়।
নভেম্বর ২০১৮ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬
এ যাবত
