সেখানে প্রায় বিশ হাত দূরে এক সাদা কাপড় পরা মহিলা কোলে একটি বাচ্চা নিয়ে আমার দিকে কঠিন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। দৃষ্টিতে যেন আগুন ঝরছিল।
-
গল্প
অলৌকিকঅমিতাভ সাহা -
গল্প
এক হেলোইনের রাতমাহিন ইকবাল“আর জীবনেও আমি কিছু চুরি করবো না, মা।” বললাম আমি। “গুড! এখন আয় নাস্তা খেতে।“মা হাসিমুখে কথাটি বলল।
তারপর আরো কয়েকদিন পর।এতদিন ভয়টা কেটে গেছে। রাতে শোয়ার জন্য বাথ্রমে ব্রাশ করতে ঢুকেছি। হটাৎ কারেন্ট চলে গেলো। পকেট থেকে ফোন বের করে সেটার আলো দিয়ে ব্রাশ করতে শুরু করলাম। আয়নায় দেখছি আমার মুখ থেকে ক্রমাগত কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে। আমি কাশতে থাকলাম। -
গল্প
টুকিপুকিA R Shiponঅন্ধকারে চোখ ছাড়া আর কিছু দেখতে পেলাম না। সামনে এগিয়ে আসছে চোখ জোড়া। ...............
চোখ জোড়া এগিয়ে আসছে আমার দিকে, আমি পেছন দিকে দৌড় শুরু করি। দৌড়াচ্ছি তো দৌড়াচ্ছি। -
গল্প
অপার্থিব নুপুরআবু আরিছভালোই বৃষ্টি নেমেছে। বাসের ভিতর বসে থাকতে মন্দ লাগছে না। বাইরে ঘন অন্ধকার। আমিন বাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত রাস্তাটা যেমন ট্রাফিক শূন্য, তেমনি এলাকাটিও খোলামেলা। মুক্ত বায়ু পাওয়া যায় এদিকটায়। আফসার সাহেব জানালাটা সামান্য খুলে দিলেন।
-
গল্প
গড়াই বাড়ীর রহস্যশৈলেন রায়লাইটারের হালকা আলোতে ঘরের দরজার বাইরে যা দেখতে পেলো তার বর্ননা করা সম্ভব নয়। স্ট্রেট চুলের একটা কুচকুচ কালো মেয়ে দরজাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে। উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুটের মতো। কিন্তু সবথেকে ভয়ংকর জিনিষ যেটা সেটা হলো তার চোখ গুলো। একদম কোনো পশুর মতো চোখ। গরুর যেমন চোখ হয় ঠিক তেমনি চোখ তার। মনিটা পুরো কালো। কোনো সাদা অংশ নেই চোখে।
-
গল্প
শোধরঙ পেন্সিলবজলু যেখানেই যায় ছায়ার মত সংগে যায় উলঙ্গ মেয়েটি। বড় হুযুরের কাছ থেকে পানি পড়া আনিয়েও খেয়ে দেখেছে কিন্তু কোন লাভ হয়নি। তাবিজ কবজে ওর পেটানো শরীরটা প্রায় ভরেই গেছে তবু ফলাফল শূণ্যের ঘরেই বন্দি। গত সপ্তাহখানেক ধরেই নির্ঘুম রাত কাটে ওর। চোখ বুজলেও বন্ধ চোখের পাতায় এসে দাঁড়ায় মেয়েটি।
-
গল্প
নিষিদ্ধ অডিটোরিয়ামমোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী“ভয় পাচ্ছিস কেন, সাপের কামড়ে সাথে সাথে মরে না কেউ। অনেক সময় লাগে। কোন সাপে কেটেছে দেখলেই ডাক্তার এন্টি ভেনম দিয়ে দেবে, ঠিক হয়ে যাবি। আর আমরা সতর্ক থাকব। ব্ল্যাক মাম্বা ছাড়া অন্য সাপকে আক্রমণ না করলে কামড়াতে আসে না। বরং ভয়ে পালিয়ে যায়।"
-
গল্প
লোভকিশোর কারোনিকমনে হলো পাশের বাড়ির কারোর কণ্ঠস্বর । আর কোনো শব্দ নেই। বাবু চেয়ার থেকে উঠে জানালায় পর্দা তুলতেই মানুষের মতো কী যেন আড়ালে চলে যেতে দেখে। কী যেন পড়ে আছে আম গাছ তলায়। শরীরের লোম খাড়া হয়ে উঠল।
-
গল্প
ভয় ও ভুতুড়ে গল্পজাহাঙ্গীর মাসুদআমি জিগ্যেস করলাম কত দিন আগে তুমি মারা গেছো? উত্তর দিলো তা তো ভাইয়া কয়েক হাজার বছর হবে। তারপর সে সবিনয়ে অনুরোধ করে বললো ভাইয়া চলেন চা খেতে খেতে গল্প করি। অথবা কোথাও গিয়ে একটু বসি। আমি যেন আকাশ থেকে পরলাম। সালার ভুত কয় কি? ব্যাপারটা আমার কাছে অনেক উপভোগ্য মনে হইলো। আমিতরা দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে জিগ্যেস করলাম ভুতেরা আবার চা খায় নাকি?উত্তরে ধর্মঘট বললো কেন খাবেনা? এমন অনেক ভুত যারা মানুষের চেয়ে বেশি চা খায়। ভুতেরা মানুষের চেয়ে চা বেশি খায় এর কারণও রয়েছে। মি বললাম, কি কারণ? ধর্মঘট বললো কারণ এদের রাত জেগে মানুষদের ভয় দেখাতে হয়। আমি শুধু একটু ঢোক গিলতে পছন্দ করি ।
-
গল্প
একটা ভয় অথবা খুনের গল্পসুমন আফ্রীচীৎকার দিয়ে জেগে ওঠে কেরামত মিয়া। দরদর করে ঘামতে থাকে এই হালকা শীতের মাঝেও। পাশে ঘুমিয়ে থাকা ২ বছর বয়সী বাচ্চাটাও জেগে ওঠে চীৎকারের শব্দে তার মায়ের সাথে। কেরামতের স্ত্রী রহিমা বেগম কিছুই বুঝে উঠতে পারেনা। কি হলো আজ তার স্বামীর?
ডিসেম্বর ২০১৮ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
