মায়ের অবিকল যদি মেয়ে হয় তবে পড়শীরা মেয়েকে দেখে বলাবলি করে যে ‘মা একে বারে উগলে দিয়েছে’। সে অর্থে রুমি একশতে একশ।
তবে এখানে একটি কথা বলে রাখা ভাল মায়ের সাথে তিনবোন একত্র হলে মাকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর;বাইরের মানুষ মনে করতো তারা চার বোন। এ নিয়ে কলেজেও হাসাহাসি কম হতনা। এতো গেল মা বন্দনা।
-
গল্প
রূপান্তরমোঃ মোখলেছুর রহমান -
গল্প
চায়না পুতুলশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানতুই না নিলে আর কে নেবে বল সখিনা ? চুলের মুঠি ধরে জোড়ে টান মেরে সালমা বেগম জিগ্যেস করলেন সখিনাকে।
জবাবে সখিনা বলল,না খালাম্মা,আমি জীবনে ও কোনো দিন চুরি করি নাই।বিশ্বাস করেন খালাম্মা আমি চোর না।আমি চুরি করি নাই।বিশ্বাস করেন আমার কথা। -
গল্প
উষ্ণতাএশরার লতিফঝুমার প্রসঙ্গ আসতেই রেশমির মনটা দ্রব হয়ে গেলো। মেয়েটা এখন ভেঙ্গে ভেঙ্গে কথা বলতে শিখেছে, কী যে মিষ্টি শোনায়। অভিমান করলে মাটিতে গড়াগড়ি খায়। রাতে মাকে না জড়িয়ে ঘুমুতে পারে না। এই বয়সের অন্য বাচ্চারা স্কুলে যাওয়া আরম্ভ করেছে। কিন্তু রেশমি ঝুমাকে কাছ ছাড়া করতে চায়নি।
-
গল্প
রোদেলাকাব্যA R Shiponহাতে সিগারেট, কানে হেডফোন। একটু নির্জন জায়গায় বসে তোমাকে ভাবা। মনে হয় তুমি জীবন্ত। মানে আমার পাশেই বসে আছো। তোমার সাথে কথা বলি। তোমার হাত ছুয়ে দেই, তোমার চোখে চোখ রেখে হারিয়ে যাই আমি। সত্যি অসাধারন মূহুর্ত কাটে সেখানে। যদিও তুমি কল্পনায় আসো। তারপরেও ভালো।
-
গল্প
নৌকা যাত্রীকালাম হাবিবগর্জন করতে করতে মেঘ সারা বসতি জানিয়ে দিলো 'তোমরা জাগো '। তখনিই আনন্দে মেতে সারা বসতির মেঘ আরও ঘন কালো হয়ে পুরো আকাশটাকে ছেয়ে ফেললো। যাত্রীদের মনে এবার একটু ভয়ের আশঙ্কা দেখা গেলো। বাতাস ও মেঘের গোপন কথা মেশিন টা একটু একটু বুঝতে পারলো। "
-
গল্প
পরাজিত মুক্তিযোদ্ধাজাহাঙ্গীর মাসুদদাদুর জমিজমা বলতে শুধু ওই বাড়ি টুকুই। তাও ছেলের নামে লিখে দিয়েছে। খুবই কষ্ট হচ্ছিল দাদুর কাহিনী শুনে। দাদুকে জিঙ্গেস করলাম, দাদু আপনিতো মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। সবাই আপনাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই চেনে। দাদু খুবই আফসোস করে বললো আর মুক্তিযুদ্ধা! মুক্তিযোদ্ধা হয়ে কি পেলাম? কিছুই পায়নি!
-
গল্প
ওমের খোঁজেফাহমিদা বারীএবারে সত্যি সত্যি স্থবির হয়ে পড়ে জয়তুনের দিনরাত্রিগুলো। সে পুকুরঘাটে গিয়ে চুপ করে বসে থাকে। এক সময়ে মনেই পড়ে না, বাড়িতে স্বামী থালা নিয়ে বসে পড়েছে। ঘাট থেকে ফিরেই তাকে খেতে দিতে হবে।
ছেলে মেয়ে দুটো চোখের সামনে মারামারি করে নিজেদের ক্ষতবিক্ষত করে। মায়ের কাছে বিচারের আর্জি জানিয়ে চেয়ে থাকে দু’জন। -
গল্প
যে জীবন দোয়েলের ফরিঙেরআবু আরিছপাতলা কুয়াশার আবরণ টের পাওয়া যায় চারদিকে। রাত বাড়ার সাথে সাথে ঠাণ্ডাও বাড়ছে। ঘরের উষ্ণ কম্বল ছেরে বাইরে হাঁটার কোনো মানে হয়না। তবু বের হতে হলো...
'বাইরেতো বেশ ঠাণ্ডা? '
'হু'
'আপনার কি খারাপ লাগছে হাঁটতে? '
'না।'
'ভোর হওয়া পর্যন্ত আমরা হাঁটবো।' -
গল্প
আপন সংসাররওনক নূরমনে হচ্ছে সারা পৃথিবী আমাকে বলছে যে আমি কারো বাবা মাকে কষ্ট দিয়েছি তাই আমার বাবা মাকেও কেউ কষ্ট দিচ্ছে। রাতে বাসায় ফিরে আবরারকে জানিয়ে দিলাম আমি গাজীপুরে ফিরে যেতে চাই শ্বশুর শাশুড়ি আর ননদের কাছে।
-
গল্প
বিচারকবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তসকাল থেকেই আদালত চত্বরটা লোকে লোকারণ্য । বিচারক আজ সাজা ঘোষণা করবেন । এই মামলার সাজা শোনবার জন্য সবাই উদগ্রীব । দীর্ঘদিন ধরে এই মামলার শুনানির খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে প্রত্যেকেই জানতে পেরেছে আর মোটামুটি এও অনুমান করেছে এই জঘন্য , নৃশংস হত্যার সাজা কি হতে পারে !! শুধু সিলমোহর সমেত বিচারকের মুখ থেকে শোনার অপেক্ষায় । বেলা যত বাড়ছে উদ্দীপনার পারদ ততই বাড়ছে ।
জানুয়ারী ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬
এ যাবত
