জাতপাতের খেলা এতদিনে এখনকার তরুণরা বুঝে গেছে। ইংরেজের তুলে দেয়া হিংসার কাঁটাতারের বেড়া ধুতিপরা দাদা আর লুঙ্গিপরা মিয়াভাইয়ের কোনো উপকারে আসেনি; বরং এই বিভাজনের ফায়দা ইংরেজের চেয়ে বেশি উঠিয়ে নিয়েছে স্বদেশী প্রভুগোষ্ঠী।
-
গল্প
বর্ণিল যাত্রাJamal Uddin Ahmed -
গল্প
গৃহদাহমাহমুদুল হাসানকিছুদিন পর জাকিরা কলেজ থেকে এসে হাসিমুখে মাকে বলল ‘আম্মা কাল দু’জন মহিলা আসবে। সন্তানের জীবনের প্রথম উপার্জন মায়ের হাতে দিলে মা যেমন প্রফুল্ল হয়- জোবেদা বেগমের মনটাও তেমনি প্রফুল্ল হয়ে উঠল, আনন্দে তার মুখটা চকচক করছে। সে বুঝতে পারছে এটা তার মেয়ের প্রথম কৃতিত্ব। তবুও জিজ্ঞেস করল ‘তোকে দেখতে? – হু। - ছেলে কি করে? - আনন্দমোহন কলেজ থেকে গণিতে মাষ্টার্স করেছে’ বলে লজ্জিত ও গৌরবময় ভঙ্গিতে সে চলে গেল।
-
গল্প
বাদল মেঘের রিমঝিম “বৃষ্টি”Kaptan Noorঅন্তর দুমড়ে মুচড়ে ওঠে। নিজের মৃত্যুর দিন গোনার চাইতে আপনজনের চোখে অকাল মেঘের ছায়া ওকে বেদনাতুর করে তোলে। ভাবতে থাকে কেন এমন হল।
কিছুদিন আগে ভিডিওতে একটি হিন্দি ছবি দেখেছিল- ক্যান্সার আক্রান্ত দুটি ছেলে মেয়ের ভালবাসার ঘটনা। তখন কি ভাবতে পেরেছিল- তার নিজের জীবনেও এমন ঘটনার সূত্রপাত হবে। হায় নিয়তি এ কেমন খেলা তোমার! -
গল্প
চারুনাজমুল হুসাইনতূর্য ইদানিং আমাকে ছাড়া কিছুই বোঝে না।আমার সংগ পেলেই যেন ও খুশি।তৃতীয় নাম্বার বন্ধুর জায়গাটা ওর জন্যই ফিক্সড হল।অবশ্য ওর মা চারুকেও ভালো লাগতে শুরু করেছে,যদিও ম্যাডাম চারুকে চরম ভাবে ঘৃণা করি।তাকে দেখার পর থেকে বুবলি আর ফাল্গুনি আপার কথা নির্দিধায় ভুলে গেছি।
-
গল্প
অপেক্ষার শেষ বেলাSaiky Mizanশব্দেরা ভীড় জমিয়ে কথা দিত
"একদিন দুজনের দেখা হবে "
শতসহস্র মূহুর্ত পার হয়ে গেল তারপরে
বকুলের তলা পরে রইলো, ঘাস জমে গেলো চারিধারে
দুয়ারে দাঁড়িয়ে তৃষা অপেক্ষায়
পথ কি ফুরালো? -
গল্প
পরাজিত মুক্তিযোদ্ধাজাহাঙ্গীর মাসুদদাদুর জমিজমা বলতে শুধু ওই বাড়ি টুকুই। তাও ছেলের নামে লিখে দিয়েছে। খুবই কষ্ট হচ্ছিল দাদুর কাহিনী শুনে। দাদুকে জিঙ্গেস করলাম, দাদু আপনিতো মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। সবাই আপনাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই চেনে। দাদু খুবই আফসোস করে বললো আর মুক্তিযুদ্ধা! মুক্তিযোদ্ধা হয়ে কি পেলাম? কিছুই পায়নি!
-
গল্প
আপন সংসাররওনক নূরমনে হচ্ছে সারা পৃথিবী আমাকে বলছে যে আমি কারো বাবা মাকে কষ্ট দিয়েছি তাই আমার বাবা মাকেও কেউ কষ্ট দিচ্ছে। রাতে বাসায় ফিরে আবরারকে জানিয়ে দিলাম আমি গাজীপুরে ফিরে যেতে চাই শ্বশুর শাশুড়ি আর ননদের কাছে।
-
গল্প
রূপান্তরমোঃ মোখলেছুর রহমানমায়ের অবিকল যদি মেয়ে হয় তবে পড়শীরা মেয়েকে দেখে বলাবলি করে যে ‘মা একে বারে উগলে দিয়েছে’। সে অর্থে রুমি একশতে একশ।
তবে এখানে একটি কথা বলে রাখা ভাল মায়ের সাথে তিনবোন একত্র হলে মাকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর;বাইরের মানুষ মনে করতো তারা চার বোন। এ নিয়ে কলেজেও হাসাহাসি কম হতনা। এতো গেল মা বন্দনা। -
গল্প
চায়না পুতুলশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানতুই না নিলে আর কে নেবে বল সখিনা ? চুলের মুঠি ধরে জোড়ে টান মেরে সালমা বেগম জিগ্যেস করলেন সখিনাকে।
জবাবে সখিনা বলল,না খালাম্মা,আমি জীবনে ও কোনো দিন চুরি করি নাই।বিশ্বাস করেন খালাম্মা আমি চোর না।আমি চুরি করি নাই।বিশ্বাস করেন আমার কথা। -
গল্প
নৌকা যাত্রীকালাম হাবিবগর্জন করতে করতে মেঘ সারা বসতি জানিয়ে দিলো 'তোমরা জাগো '। তখনিই আনন্দে মেতে সারা বসতির মেঘ আরও ঘন কালো হয়ে পুরো আকাশটাকে ছেয়ে ফেললো। যাত্রীদের মনে এবার একটু ভয়ের আশঙ্কা দেখা গেলো। বাতাস ও মেঘের গোপন কথা মেশিন টা একটু একটু বুঝতে পারলো। "
জানুয়ারী ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
