একান্ন, বাহান্ন, তেপান্ন... আহসানের চিরকুট পড়া গুনতে, গুনতে, গুনতে কেমন এক ঝিম আসে চোখে, যেমন ঝিম লাগে পাটিতে স্থবির শুয়ে কৃষ্ণপক্ষের নক্ষত্ৰ গুনার কালে। সেই যে তখন থেকে চিরকুট হাতে বসে আছে মানুষটা, ঝড়ে পড়া একটা ন্যাতানো গাছ যেন।
-
গল্প
ঝড় পরবর্তী ভাগফলপ্রজ্ঞা মৌসুমী -
গল্প
এক ঝোড়ো দিনের গল্পফাহমিদা বারীমেজপা’র সেই ফোনকলটা নিয়ে বাসায় কী যে একটা ঝড় উঠেছিল ঐদিন! উফ!
সেদিন আমি একাই ছিলাম বাসায়। মেজপা প্রতিদিনের মতোই তার আড্ডাবাজ পার্টির সাথে কই যেন চলে গিয়েছিল। অন্যদিন একটু বেলা করে বেরোয়। সেদিন একেবারে ভোর হতে না হতেই হাওয়া! -
গল্প
সাক্ষাৎকারসালাহ উদ্দিন শুভমনটা ভীষণ ভারাক্রান্ত। কেন যেন মনে হচ্ছে মনের মধ্যে একটা অনেক বড় পাথর আটকে আছে। পদ্মার পাড়ে আসতে আসতে মুশল ধরে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। বাতাশের বেগে দোকান-বাড়ির টিনগুলো উড়ে যেতে চাইছে। গাছেরা যেন একদিকে হেলে চলছে লম্বা সময় ধরে। পদ্মার স্রোত বারবার ধাক্কা খাচ্ছে তীরে।
-
গল্প
যে জীবন ঝড়েরAhad Adnanবৈশাখের একেকটা রাতে চারদিক আঁধার করে ঝড় নামে। দরজা জানালা বন্ধ করে সবাই প্রমাদ গুনে। একেকটা বজ্রপাতের শব্দে মনে হয় আকাশটা ছিঁড়ে যায় যায়। রাস্তার কুকুরটা পর্যন্ত ঘাপটি মেরে থাকে বস্তির গলিতে। আর তখনই কিনা মেয়েটা একলা ছাদে চলে যায়। অন্ধকার ভেদ করে যখন বজ্রপাত হয়, আর সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের জন্য দৃশ্যমান হয়ে উঠে এই শহর,
-
গল্প
প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়সেলিনা ইসলাম N/Aবুবু বলেছে আমি তোমার পেটে থাকতেই আব্বা নাকি আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। কারণ আমি তোমাকে মেরে ফেলতে ছিলাম! বড় বুবু বলেছে আমি মরে গেলেই ভালো হত! এইটুকু কথা বলতেই হাঁপিয়ে উঠেছে মেয়েটা! কথা বলতে বলতে বিনু ঠোঁট ফুলায়! ব্যস্ত হয়ে রিজিয়া বলে-
-
গল্প
'ঝড়কে পেলেম সাথি'ARJUN SARMAভ্রূণের ভবিষ্যত ভ্রষ্টের ভাবনায় ব্যতিব্যস্ত ভামিনি । ভিতরে ভিতরে ভয়।বাইরের ব্যক্তিবিশেষেও বিষয়টা ব্যক্ত । বাড়ীর বড়ো বউ বিমলাও ভীষণ ভীত । বাতিকগ্রস্ত বিক্রমের ব্যবহারে ভামিনি বাক্যহারা, বজ্রাহত । বুকে ব্যথা বাজলেও বাইরে বলতে বাধা । বুকের বিপুল ব্যথা ভামিনিকে বাণবৎ বিদ্ধকরণে ব্রত । বুকে বর্ধমান বহ্নিসিখাসম বাতি । ভারাক্রান্ত ভামিনি ভারিবর্ষণের বলাহকসম বুক বয়ে বহমান । ভামিনি বিনিদ্র ।
-
গল্প
কিংকর্তব্যবিমূঢ়শরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানসহসা মাঝরাতে মেয়ে কন্ঠের চিৎকার শুনতে পেল ইমরান।তার সন্দেহ সঠিক হলো। সে বুঝতে পারলো হারাধনের মেয়েকে আবারো সর্বনাশ করার চেষ্টা করছে হয়তো পাপিষ্ট কোরবান আলী।ইমরান মনে মনে সন্দেহ করেছিল তাই সে তৈরি হয়েই ছিল।জানালা বেয়ে উপরে উঠে গেল সে।ছাদের নড়বড়ে দরজা ভেঙ্গে ফেলল সে।দ্রুত ভিতরে ঢুকে গেষ্ট রুমে গিয়ে হাজির হলো সে।
-
গল্প
ফুতুমিয়ার জীবন ঝড়বাসু দেব নাথঈশ্বরের এই সৃষ্টি বড়ই অদ্ভুত। তার অদ্ভুত সৃষ্টি ঋতু বদল। ভাবা যায় প্রচন্ড ঠান্ডা হতে হঠাৎ প্রখর গরমে উতপ্ত হয়ে উঠে এই প্রকৃতি। আবার কখনও মৃদু হাওয়ায় দোলায়িত করে সকলের হৃদয়। এভাবে আসে একের পর এক ঋতু।
-
গল্প
দৃষ্টিদানAzaha Sultanতখন আমার কতইবা বয়স, বড় জোর বার কিবা তের। সবেমাত্র ষষ্ঠশ্রেণিতে ভর্তি হয়েছি। ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে সহপাঠি যাদের পেলাম তাদের মধ্যে আমার মামার শালক ‘শান্ত’ অন্যতম। আমি মা-হারা। আমার জন্ম হতেই মা যখন মারা গেলেন, তখন থেকেই আমি মামার বাড়িতেই মানুষ।
-
গল্প
অশনি মেঘবহতা নদীঘটনা বেশ জটিল দিকে মোড় নিয়েছে। জটিলতার এই গিঁটগুলো যতটা সম্ভব কড়াপাকের হওয়া চাই। একই সাথে জটমুক্তির ব্যাপারটাও যেন ঝর্ণা জলের গড়িয়ে পড়বার মত স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়। এসব প্যাচ খেলতে গিয়ে যুতসই শব্দ হাতড়াতে বেশ ধকল যায়। যতটা অনায়েস মনে হয়, সাহিত্যের ব্যাপারটা আসলে অতটা সহজ নয়।
এপ্রিল ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
