মনটা ভীষণ ভারাক্রান্ত। কেন যেন মনে হচ্ছে মনের মধ্যে একটা অনেক বড় পাথর আটকে আছে। পদ্মার পাড়ে আসতে আসতে মুশল ধরে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। বাতাশের বেগে দোকান-বাড়ির টিনগুলো উড়ে যেতে চাইছে। গাছেরা যেন একদিকে হেলে চলছে লম্বা সময় ধরে। পদ্মার স্রোত বারবার ধাক্কা খাচ্ছে তীরে।
-
গল্প
সাক্ষাৎকারসালাহ উদ্দিন শুভ -
গল্প
একটি ঝড় ও কয়েকটি কবুতরসৌবর্ণ বাঁধন
বয়সের ভারে কিনা কে জানে! বউয়ের প্রতি ব্যবহারে পাটোয়ারীর দার্শনিক সুলভ নিস্পৃহতা চলে এসেছে। আগে যখন বয়স কম ছিল, তখন প্রায়ই বউয়ের প্রতি কথায় তুলকালাম পাকাতেন। কিন্তু এখন দীর্ঘ সংসার জীবনের অভিজ্ঞতায় বুঝে গেছেন, এসব করে লাভ নাই কোন! মেয়েদের কথার ঝড় একাই উঠবে আবার একাই কমবে! -
গল্প
আমাকে স্মরণ করিয়ে দেয়Ms Ahmadমা! যাকে আমি পছন্দ করতাম না? সে একদিন আমার সাথে দেখা করার জন্য বাগান বাড়ির পাশের রাস্তায় আসল। আমরা দু‘জনে অনেক আলাপ করলাম। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম আকাশ উত্তর পশ্চিম দিকে আমাবস্যার ন্যায় অন্ধকার করে ফেলেছে। দেখতে দেখতে বাতাসও শুরু হয়ে গেল।
-
গল্প
কিংকর্তব্যবিমূঢ়শরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানসহসা মাঝরাতে মেয়ে কন্ঠের চিৎকার শুনতে পেল ইমরান।তার সন্দেহ সঠিক হলো। সে বুঝতে পারলো হারাধনের মেয়েকে আবারো সর্বনাশ করার চেষ্টা করছে হয়তো পাপিষ্ট কোরবান আলী।ইমরান মনে মনে সন্দেহ করেছিল তাই সে তৈরি হয়েই ছিল।জানালা বেয়ে উপরে উঠে গেল সে।ছাদের নড়বড়ে দরজা ভেঙ্গে ফেলল সে।দ্রুত ভিতরে ঢুকে গেষ্ট রুমে গিয়ে হাজির হলো সে।
-
গল্প
সত্য ঘটনা অবলম্বনেরিনিয়া সুলতানাআমরা যখন দাদু বাড়ি পৌছালাম তখন বিকাল ছুয়ে সন্ধ্যা। দাদিও তাই বাবাকে ফিরতে দিল না।কারণ আকাশে অনেক মেঘ ছিল।যেকোন সময় নাকি ঝড় হতে পারে।রাতে খাবার পরে মেজ চাচার ২ ছেলে আর আমি এক সাথে ঘুমাতে গেলাম।হঠাৎ বাইরে ঝড়ো হাওয়া শুরু হল।চাচাতো ভাই আমাকে বলল আমাদের বাগানের গাছে অনেক আম ধরেছে আম কুড়াতে যাব।
-
গল্প
রোদের ক্যানভাসে আঁকা ঝড়রঙ পেন্সিলগরমের দিন। আকাশ মেঘলা বলেই হয়তো বিকেলটা ভারী সুন্দর। ভেজা ভেজা নরম আলোতে মাখামাখি চারদিক। শেষ বিকেলের এই ঘোলাটে মেঘের ছায়া গায়ে মেখে লীনা, লীনার মা সুমনা আর বাবা জাভেদ হোসেন হাসিমুখে পাশাপাশি হাটছেন। লীনা আড়চোখে একবার মা'র দিকে তাকিয়ে দেখে। কি সুন্দর নিষ্পাপ হাসি!
-
গল্প
স্বপ্ন কেদারামাসুম বিল্লাহচোখ খুলল সহান। ভাঙ্গা জানালার ফাঁকা দিয়ে হেঁচে ছেচে পানি এসে পড়ছে আর চোখে। চোখের উপর পানি ঘেঁচে এসে পড়ায় তার ঘুম ভাঙ্গে গেছে। উঠতে গিয়ে প্রথমে উঠতে পারলো না। তার উপর আর ছোট দুই ভাই হাত পা উঠিয়ে ঘুমাচ্ছে। একজনের খাটে তিন জন ঘুমালে এভাবেই ঘুমাতে হয়।
-
গল্প
ঝড় তর্পণJamal Uddin Ahmedউসকোখুসকো চুলে উদ্ভ্রান্ত বেশে বাহাদুর শাহ পার্কে বসে আছে নেসার । হাতে আধপোড়া সিগারেট। কখনও দম দিতে ভুলে যায়, কখনও গাঁজার কল্কে টানার মত জোরে টান দেয়। সকালে ফকিরাপুলের এক খাবার হোটেলে দুটো পরোটায় হালুয়া মেখে খেয়েছে। স্বাধীনতার পরপর প্রথম যখন ঢাকায় এসেছিল, তখন এটা তার প্রিয় নাশতা ছিল। এখন দুপুর। একটু একটু খিদে পাচ্ছে। পকেটে হাত দিয়ে দেখল এখনও বেশ কিছু কড়কড়ে নোট আছে। হয়ত বেশিদিন চলবে না। তবে আরও চার-পাঁচদিন বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই চলে যাবে বলে মনে হয়।
-
গল্প
এক ঝোড়ো দিনের গল্পফাহমিদা বারীমেজপা’র সেই ফোনকলটা নিয়ে বাসায় কী যে একটা ঝড় উঠেছিল ঐদিন! উফ!
সেদিন আমি একাই ছিলাম বাসায়। মেজপা প্রতিদিনের মতোই তার আড্ডাবাজ পার্টির সাথে কই যেন চলে গিয়েছিল। অন্যদিন একটু বেলা করে বেরোয়। সেদিন একেবারে ভোর হতে না হতেই হাওয়া! -
গল্প
যে জীবন ঝড়েরAhad Adnanবৈশাখের একেকটা রাতে চারদিক আঁধার করে ঝড় নামে। দরজা জানালা বন্ধ করে সবাই প্রমাদ গুনে। একেকটা বজ্রপাতের শব্দে মনে হয় আকাশটা ছিঁড়ে যায় যায়। রাস্তার কুকুরটা পর্যন্ত ঘাপটি মেরে থাকে বস্তির গলিতে। আর তখনই কিনা মেয়েটা একলা ছাদে চলে যায়। অন্ধকার ভেদ করে যখন বজ্রপাত হয়, আর সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের জন্য দৃশ্যমান হয়ে উঠে এই শহর,
এপ্রিল ২০১৯ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
