সকাল থেকেই ব্যস্ততা আজ উপচে পড়ছে ভৈরব সরণীর ৬৫/এ নাম্বারের ‘বৈকুণ্ঠ’ নামের ছায়াঘেরা বাসাটিতে।
বাসাটির মালকিন রোকেয়া রহমানের দম ফেলার ফুরসত নেই আজ। অনুষ্ঠান শুরু হতে আর মাত্র তিন ঘণ্টা বাকি। অথচ তিনি এখনো তৈরি করে নিতে পারেননি নিজেকে।
-
গল্প
রত্নগর্ভাফাহমিদা বারী -
গল্প
শেষ চিঠিআমি হুমায়ুনচার ভাঁজ করা কাগজটা, পিছন দিয়ে সাদা পেইজটাই দেখা যাচ্ছে । কাগজটা যখন আমার হাতে এসে পৌঁছায়, তখন এটা নিতান্তই সাধারণ একটা কাগজ বলে মনে হয়েছিল । ভাঁজ খোলার প্রয়োজন বোধ করি নাই তখন, এত কাজের মধ্যে সময় বের করা বেশ কঠিন । এইতো আজ অফিসে কি ছোট বিষয় নিয়ে কি তুমুল কাণ্ডটাই না বাধাল শামিমা ।
-
গল্প
মায়ের মৃত্যু পরোয়ানায় আমার স্বাক্ষরশাহ আজিজখুব ছোট থাকতে মায়ের ডানদিকে শুতাম আমি । ঐ সময় আমার বা পা খানি তার পেটের উপর উঠিয়ে ঘুমোতাম । ক্লাশ এইট অবধি মায়ের সাথে ঘুমিয়েছি । এরপর নির্বাসনের জীবন । দূরে পাঠিয়ে দেওয়া হল আমায় রাজনৈতিক ডামাডোলের প্রতিহিংসামুলক কাজে জড়ানোর কারনে । তারপর ঢাকা । ছুটিতে বাড়ী যেতাম । মা সর্বাত্মক চেষ্টায় থাকতেন সেইসব মাছ খাওয়াতে যা ঢাকাতে খেতে পাইনা ।
-
গল্প
মা ও মাতৃভূমিসাইফুল সজীবসকাল ১০ টা বাজে। প্রচন্ড জ্যামের মধ্যে গাড়িটা থেমে আছে। গাড়ির ভিতরে ড্রাইভার রফিক আর বৃদ্ধ আবু তাহের সরকার। তাহের সরকারের বয়স ৭০ হবে। বাহিরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে এবং হালকা বাতাস বইছে। আবু তাহের সরকার গাড়ির গ্লাসটা একটু নামালো, আর রফিককে অনুরোধ করে বললো, "বাবা, এসিটা কষ্ট করে একটু বন্ধ করে দিবেন"।
-
গল্প
আশ্রয়সুপ্রিয় ঘোষালদেখ, দেখ আবার বেরিয়েছে বিজ্ঞাপনটা। ‘সকালের বাংলা খবরের কাগজটা প্রায় ডাক্তার সান্যালের চোখের ওপর মেলে ধরলেন প্রতিমা।
‘কিসের?’ ইংরিজি কাগজ থেকে চোখ তুলে ডাক্তার সান্যাল দৃষ্টি নিমগ্ন করার চেষ্টা করেন প্রতিমার মেলে ধরা কাগজটার দিকে। -
গল্প
সুঁই সুতোর সম্পর্কজাহাঙ্গীর মাসুদখুব সকালে মোবাইল স্কিনে ভেসে আসা রিংটোনের শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। ঘুমের মধ্যে তড়িঘড়ি করে কলটা রিসিভ করেই বলে উঠি পরে কথা হবে। এখন রাখছি। কিন্তু মনে হলো ওপাশ থেকে বারবার বলছে এই কথা শোন। ফোন কেটে দিস না। ইতিমধ্যে লাইনটি ডিসকানেকটেড হয়ে গেছে।
-
গল্প
স্বপ্ন হারা মাSaniul Alamছোট ঈশানকে কষ্ট দিতে চাইতো না। যখন যা আবদার করতো সবটুকুই পূরণ করার চেষ্টা করতো তারা। ঘরে ছিলোনা বিদ্যুৎ, তবুও রাতে ঘুমানোর সময় সারা রাত হাত পাখা দিয়ে বাতাস করে যেতো ঈশানের মা। ঈশানও ছিল তখন শান্ত ছেলে। কখনো কারো সাথে রাগ করতো না। এমনকি ঝগড়া করা থেকেও বিরত থাকতো। সমাজের মানুষদের কাছে সে ছিলো প্রশংসনী। স্কুলের শিক্ষকরাও তাকে আদর করতো।
-
গল্প
হাশেমের মাJamal Uddin Ahmedউঠানের দক্ষিণ পাশের বড় কাঁঠাল গাছের নিচে মেহগনি কাঠের তৈরি হাতলওয়ালা চেয়ারে বসেছেন যদু মুন্সি। ফাল্গুন মাসের সকাল। রোদ এখনও তেতে উঠেনি। একটি ছেলে হুট করে কোথা থেকে একটি হুকা নিয়ে এসে হাজির। তা দেখে যদু মুন্সি ধমক দিয়ে ওঠেন, ‘এখন কিসের হুক্কা? আইজ জুম্মাবার না, নামাজে যামু। আর হুক্কা টানুম না। ’
-
গল্প
আত্নত্যাগশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানসুমি রাগারাগি করে তার ছেলেকে সাথে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে এলো।তার স্বামীকে সে খুব ভালোবাসে কিন্তু তার স্বামী বদরাগী আর তার কোনো কথা সে শোনে না।সুমি কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না।লোকটাকে এই পাচ বছর ধরে সে বুঝিয়ে যাচ্ছে কিন্তু কিছুতেই তাকে সুপথে ফিরিয়ে আনতে পারছে না ।
-
গল্প
মা কে নিয়ে কিছু কথাআসাদ জামানমায়ের প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আজ থেকে নয় এটা অনন্তকাল থেকে প্রবাহমান। প্রত্যেক সন্তান তার মাকে ঘিরে যেমন কল্পনার অন্ত নেই ঠিক তেমনিভাবে প্রত্যেক "মা" তার সন্তানকে নিয়ে হাজারো সপ্ন দেখেন। "মা" তো "মা"-ই।
মে ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
