একসঙ্গে পাঁচজন ওঝা তাকে ঘিরে নাচছে। তার সঙ্গে ক্রমাগত মাদল আর নাকাড়া পেটানোর একঘেঁয়ে শব্দ ক্রমশ গ্রাস করছে তার চেতনা। কিন্তু কৃশানুর মনে হচ্ছে যেমন করেই হোক তাকে সচেতন থাকতেই হবে নয়ত অমোঘ মৃত্যুর করাল গ্রাস থেকে রক্ষা নেই তার। ঐ শব্দ আর ওঝাদের ঘুরে ঘুরে নাচ তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলছে।
-
গল্প
বিষাণ ওঝা ও তার স্বপ্নের সন্ততিসুপ্রিয় ঘোষাল -
গল্প
অমরত্ব ভালবাসাBristy Meghblikaআবার তাদের ভালবাসার মধ্যেও দ্বন্দ্ব চলত। তাদের পরিবারের জন্য। আসলে তারা দুজনেই দুজনকে চাইত ঠিকই কিন্তু বাবা মায়ের কথা ও শুনতে হবে তাই তাদের ভালবাসার মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে চাইত দীপক। কিন্তু পেরে উঠত না। কারণ কোনো এক অজানা অলৌকিক শক্তি দীপককে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিত যে আরতি ছাড়া অন্য কাউকে তার সাথে বিয়ে হতে পারবে না।
-
গল্প
আমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা হতে চাইএলিজা রহমানরাশেদ জানত না যে মানুষের হাতে তার সুখের চাবি থাকে না , থাকে অন্য কারো হাতে । ফ্যামিলির সুখের জন্য রাশেদ দিন রাত কঠোর পরিশ্রম করা শুরু করে । এরমধ্যে রাশেদের ঘরে আরেকটা সন্তান এসেছে । দেশ থেকে এসেই সেলিনা ফ্রান্সের হাওয়ায় নিজেকে অত্যাধুনিক রূপে পাল্টে ফেলে । তার কিছু স্তাবকও জুটে যায় কাজ করার সূত্রে । সে নিজেকে মর্ডান আর স্মার্ট মনে করতে থাকে আর রাশেদ হয়ে যায় ব্যাকডেটেড, আনস্মার্ট।
-
গল্প
শেষ চিঠিUmme Habiba২৫ এ চৈত্রের বৃষ্টিস্নাত সকাল।ঝমঝমে বৃষ্টির মধ্যে শহরের পশ্চিমপাশের মানসিক হাসপাতালের আধভেজা বেলকনিতে পড়ে আছে একটি নিথর প্রাণহীন দেহ।হাতের শিরা উচকে পড়া রক্তে রঙিন হয়ে আছে মেঝে।সাদা শার্টের নিচটাও রঙিন হয়ে আছে ভালোবাসার রঙিন অথচ কঠিন আলাপনে।দখিনা বাতাস থেকে থেকে এসে ছিটকা জলের ফোটা লাগিয়ে দিয়ে যাচ্ছে মুখে।বৃষ্টির ধারায় চুইয়ে চোখে পড়া ফোঁটা ফোঁটা জলই যেন ঐ প্রাণহীনের শেষ কান্না,সুখের কান্না....
-
গল্প
পুনর্মিলনJamal Uddin Ahmedহ্যাঁ, আমি শেষপর্যন্ত বাধ্য হয়েই বাড়িতে চলে এসেছি, তোমাদের মুখ কোনোদিন দেখব না সে দিব্যি দিয়েও এসেছি। আমি জানতাম, বাসা পরিবর্তন করলে তোমার জন্য জীবন আরও কঠিন হয়ে যাবে। তাছাড়া তোমরা চলে গেলে আমি একাকী বাসায় থাকব কেমন করে?
-
গল্প
নতুন জামার স্বাদএস জামান হুসাইনখালেদ প্রতিদিনের আয় থেকে কিছু টাকা জমা করতে থাকে। ছেলের জন্য নতুন জামা কিনতে হবে যে। আর মাত্র তিন দিন আছে ঈদের। সকালে খালেদ কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায় আর ছেলেকে বলে, “আজ তোমার জন্য নতুন শার্ট - প্যান্ট নিয়ে আসব
-
গল্প
বাবারা বুঝি এমনই হয়মারুফ আহমেদ অন্তরছোটবেলা থেকেই আমার আব্বুকে দেখে আসছি পরিবারের প্রতি তাঁর দায়িত্ববোধ তিনি কতটা
নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছেন। আমরা পাঁচ ভাই-বোন। কখনো তিনি কাউকে আলাদা করে
দেখেননি। -
গল্প
বাবার ঋণরওনক নূর
সন্তানরা আজ কত বড় হয়ে গেছে। বাবার ঋণ শোধ করতে তারা কত কি করছে। কত টাকা খরচা করছে। কিন্তু বাবার ক্লান্ত দুটি চোখ হাসপাতালের কেবিনে প্রতিটি দিনই তার সন্তানদের দেখার জন্য অপেক্ষা করে। খুব স্বাদ হয় ওদের বুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে। ওরা কি আজ বুঝেনা যে ওদের বাবার ওদেরকে ছেড়ে থাকতে খুব বেশি কষ্ট হয়। -
গল্প
সোনার হারশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানপুলিশ সালমানকে হাতকড়া পড়িয়ে থানার দিকে নিয়ে গেল।রনজুকে আর কিছু বলল না।ছেলের ভুলের মাশুল বাবা নিজ স্কন্ধে তুলে নিয়ে নিজে অপরাধি সেজে ছেলেকে নিরাপদ রেখে বাবা বিপদের মাঝে পা বাড়িয়ে দিল।
-
গল্প
বাবা কতদিন দেখি না তোমায়Md Abu Sayed‘আব্বার সেকি উৎসাহ! যুদ্ধ পরিস্থিতি একটু ভাল তখন। সবাই মিলে বেড়াতে যাব, কপোতাক্ষের পাড়ে। পরিবহন বলতে তখন রিক্সাভ্যান - সবাই চেপে বসেছি। আব্বা অনবরত কথা বলে যাচ্ছেন - একে ওকে বকাও দিচ্ছেন। মাঝে মাঝে গুনগুন করছেন দু’এক ছত্র। আহারে! স্বপ্নের মত মনে হচ্ছে এখন।’
জুন ২০১৯ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬
এ যাবত
