আজ আমার বিয়ে। বিয়ে উপলক্ষে সমস্ত আত্মীয়-স্বজন এসে উপস্থিত। কেউ হৈ-হুল্লোড় করছে, কেউ অকারণে চিৎকার করছে। ‘মাথা ধরেছে’ নাম করে দরজা বন্ধ করে শুয়ে আছি। বাইরে থেকে যে চিৎকার-চেঁচামেচির আওয়াজ আসছে, তাতে সত্যি সত্যি মাথা ধরেছে। ইচ্ছে করছে বাইরে গিয়ে বলি, ‘সবাই দয়া করে চুপ করুন। আজ এই বাড়িতে কোন বিয়ে হবে না।’ অনেক অসম্ভবের মতো এটাও সম্ভব নয়। যেমন অলীককে দেয়া ‘তুমি নিজের পায়ে না দাঁড়ানো পর্যন্ত তোমার জন্য অপেক্ষা করবো’ কথাটা রাখা সম্ভব হচ্ছেনা।
-
গল্প
একটি বিয়ের গল্পঅপরেশ চাকমা -
গল্প
প্রতীক্ষার অবসানবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত
জায়গাটা কলকাতা শহর থেকে অনেকটাই দূরে । উড়িষ্যার কন্ধমাল জেলার আদিবাসী অধ্যুষিত একটি অতি মনোরম শৈলশহর । পূর্বঘাট পর্বতশ্রেনীর বিভিন্ন শৃঙ্গগুলি উঁচুনিচু ছন্দে ঘন সবুজে বেস্টিত এই শহরটিকে ঘিরে আছে । চারিদিকে চোখ মেলে তাকালে পাইন গাছের জঙ্গল , নিবিড় শালবন , -
গল্প
বিয়ের দিনজাকির মোল্লাএকদিন হঠাৎ দেখি খুব চেঁচামেচি হইতেছে । মা বলল, কি হয়েছে এত সব চিল্লাই কেন রে ? আমি ছুটলাম গন্তব্যস্থানে । আমি গিয়ে দেখি ক্লাবে একটা ছেলে আর একটা মেয়ে দু দিকে দুজন বসে আছে । আর কতকগুলি গ্রামের লোক তাহাদের জিজ্ঞাসা করে যাইতেছে, তোদের বাড়ি কোথায় ? ছেলেটা বলল, আমার বাড়ি কামারশাল । আর মেয়েটি বলল, আমার বাড়ি চাইপাট । কেউ একজন বলে উঠলো, কতদিন ধরে তোদের চলছে ?
-
গল্প
একটি অনাড়ম্বর বিয়ের গল্পজুলফিকার নোমাননানা ধরণের মজার মজার কথা বলে সোহানা যখন বিদায় নিল, তখন শুনলাম শ্রাবণীর কণ্ঠ, "আমি আপনার জন্য বোঝা হয়ে আসিনি তো?"
- বোঝা না, হৃদয়ের ওঝা ! আর 'আপনি' না, এখন থেকে 'তুমি' হবে। -
গল্প
অধরা ও সমুদ্রের গল্পআদেল পারভেজশরৎ এসে চলে যায় কাশফুল গুলো অভিমানে ঝরে যায় এমন করে কয়টা শরৎ যে কেটে গেলো তুমি বিহীন, অধরা তোমারও কি আমার জন্য মন কাঁদে? আমার মতো তোমারও কি মনে পড়ে সেই শরতের কথা?
-
গল্প
একটি বিয়েAbdullahil Kafiচৌধুরী সাহেবের একমাত্র নাতনী নাবিলা। সবে মাত্র আঠারো তে পা দিয়েছে সে। দেখতে মাশাআল্লাহ পরীর মতন। তাকে দেখে ক্ষণিকের জন্য হলেও ভিনজগতে হারিয়ে যায়নি এমন পুরুষের সংখা শান্তিপুর গ্রামে নেই বললেই চলে।
-
গল্প
বিবাহ উৎসবJaydip Chakrabortyরিমোট কন্ট্রোল চিরদিন একজনের হাতে থাকে না। ছেলেকে এক সময়ে খেলার মাঠ থেকে টেনে প্রাইভেট টিচারের পাঠ নিতে বাধ্য করেছে যে বাবা, সেই বাবাকেই এখন ছেলের কথা মেনে শক্তিগড়ের ল্যাংচা ছেড়ে নিম-বেগুন বা উচ্ছের তরকারি খেতে হয়। নিজের শরীরের ভালোর জন্য সে নয় খাওয়া যায়, কিন্তু নিজের একমাত্র ছোটো-মেয়ের বিয়ে কখনই পঞ্জিকা না মেনে দেওয়া যায় না।
-
গল্প
একটি বিয়েAbdul Hannanমাদ্রাসাতে দাখিল পরিক্ষা দেবার আগ পর্যন্ত আমি ছুটির দিন গুলোতে কামলা যেতাম আর বৃহষ্পতিবার এবং সোমবারে বাজারে ভাজা বিক্রি করতে যেতাম।আমার পুজি একটা লোহার কড়া একটা দাঁড়িপাল্লা, একটা চেঙারি আর একটা ফরাত দুটো সালার বস্তা আর একটা কাপড়ের থলে।বাজারে গিয়ে ধারে দোকান হতে আটা পিয়াজ,বেসন,ঝাল,মসলা তেল নিয়ে ভাজা বিক্রি করে পয়সা শোধ দিয়ে লাভটা নিয়ে বাড়ী আসতাম।
-
গল্প
অথ বিবাহ কথাসুপ্রিয় ঘোষালতিনি সৌভাগ্যশালিনী, সুদর্শনা এবং কৃষ্ণ আয়তচক্ষুক্তা। তিনি শ্যামাঙ্গী, পদ্মপলাশলোচনা, কুঞ্চিত কাল কেশবতী, তাম্র বর্ণের নখ, সুন্দর ভুরু আর স্তনযুক্তা।
এই সুলক্ষণা কন্যা মানুষ তো বটেই এমন কী দেবতা, দানব ও যক্ষদের আকাঙ্খিতা। আর অর্জুনকে জামাই করবেন বলে কী ছকটাই না কষেছিলেন রাজা দ্রুপদ – শূণ্যে ঘুরন্ত মাছের চোখে, -
গল্প
দূরদ্বীপবাসিনীকাজী প্রিয়াংকা সিলমীশেষমেষ এবার কি কিছু একটা হবে? ভেবেই সিয়াম একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। কিন্তু মেয়েটা পেঁয়াজ খায় না। বাংলাদেশী কোন রান্নাই তো পেঁয়াজ ছাড়া করা যায় না। তারপর দুশ্চিন্তার উৎসটা চিন্তা করে নিজ মনেই হেসে উঠে। সত্যিই যদি মেয়েটার সাথে কিছু হয়,
আগষ্ট ২০১৯ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
