ভোর বেলায় গায়ে মোটা চাদর চড়িয়ে উঠোনে দাঁড়ালাম । কয়েকটি তাফলে রস জ্বাল দিচ্ছে কিষাণেরা । পুরা বাড়িটা ব্যাস্ত । আমায় কিষাণেরা হেসে জিজ্ঞাসা করল কাচা রস খাবা সাহেব ? মাথা নাড়লে আমায় ঠিলা থেকে খেজুর গাছের মুচি দিয়ে বানানো ছাকনির মধ্যে গ্লাসে রস ঢেলে দিল । ঠাণ্ডা রস দারুন মজার ।
-
গল্প
ধোঁয়া ওঠা ভাতশাহ আজিজ -
গল্প
ওখানেই ঝরেছিল মানুষের ঘামসুপ্রিয় ঘোষালএ আখ্যান ঘোর বর্ষার স্রোতস্বিনী নয়। জীবনের কামনা আর আকাঙ্খার কাছে কখনো হেরে যাওয়া , কখনো বা অমীমাংসিত হার-জিতের বাঁকে প্রোথিত, ব্যর্থ দীর্ঘশ্বাস বহন করা, কখনো বা হার জিত মেলাতে না পারা, সময়ের রুদ্ধদ্বারে আটকা পড়ে যাওয়া এক সাধারণ প্রান্তিকের। যার কথা কেউ মনে রাখে, কেউ বা ভুলে যায়। সময়ের স্রোতে ভেসে যায় স্মৃতি। কখনো-সখনো কোনো নিকটাত্মীয়ের স্মরণে সে মানুষ আবার ভেসে ওঠে, বর্তমান হয়। বর্তমান হয় ?
-
গল্প
হাসুশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানগ্রামের নাম অশান্তপুর।যদিও গ্রামের মানুষগুলো খুবই শান্ত।তবে হাসুর মনটা খুব অশান্ত।আর গ্রামের এমন অদ্ভুত নাম যে কারা রেখেছিল হাসুর তা জানা নেই।সে মাঝে মাঝে গ্রামের চায়ের দোকানে বসে চুপচাপ বিষয়টা নিয়ে ভাবে।তবে কি হাসুর এই অশান্ত মনটার কথা ভেবেই প্রাচীনকালে কেউ বা কারা রেখেছিল গ্রামের নাম অশান্তপুর।একাকী নীরবে মুচকি হাসি দিয়ে ভাবনা থেকে বেড়িয়ে আসে হাসু।
-
গল্প
নবান্নকপিলদেব সরকারআজ আমার ছন্দের উঠোনে
রিক্ত হেমন্তের গান,
ভেসে এলে মাধুকরী ক্ষণে
দু'মুঠো নবান্নের ধান, -
গল্প
আতঙ্কবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তঘটনাটা সকলের কাছে একেবারেই অপ্রত্যাশিত । আজকের এই উৎসবের দিনে এইরকম যে ঘটতে পারে সেটা কেউ কল্পনাই করতে পারে নি । ঘটনাটা ঘটে যাবার পর ভয়ংকর ক্রোধে আর ততোধিক ভয়ে রুইদাশ একেবারে বাকরুদ্ধ , দিশেহারা । তাঁর সারা শরীর দিয়ে যেন আগুনের ঝলকা বেরোচ্ছে । একটা সময় শরীরের সমস্ত শক্তি হারিয়ে কাঁপতে কাঁপতে ধপ করে মাটিতে বসে পরলেন ।
-
গল্প
কার্তিকের নবান্নের দেশেAhad Adnanআমাকে তখন নিশিতে পেয়েছে। অগ্রহায়ণের রাতটা কেমন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা লাগছে। এটা ঢাকা নয়, এটা তপ্ত কোন শহর নয়। আমি এখন উত্তরের একটা গ্রামে। হেমন্ত এখনও এখানে বাংলার সেই দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।
বছরের এই সময়টায় সূর্য ক্লান্ত হতে থাকে। কমতে থাকে তেজ। আর আমরা যারা নাগরিক ‘ঘানি টানি’, ইচ্ছে করে গ্রামে যেতে, শিকড়ে ফিরে যেতে, উৎসব করতে, নবান্ন উৎসব পালন করতে। -
গল্প
আসবে নবান্নেBiday Belaতুমি বলেছিলে কানে কানে,
ধৈর্যহারা বাবু মশাই,
গভীর প্রেমের মুহে পরে খেয়েছো লাজ,
একটু ধৈর্য ধরো,
বাবার হাতে একটি কানাকড়ি ও নেই,
নবান্ন আসুক, গোলায় ধান উঠুক
তারপর... -
গল্প
দিন যার শিশিরের সুতোয় বোনারঙ পেন্সিলপ্রায় মাসখানেক জ্বরে ভোগার পর আজ শরীরটা বেশ ঝরঝরে লাগছে। কারো সহায়তা ছাড়াই ঠিক আগের মত ছুটতে ছুটতে সিড়ির সবগুলো ধাপ টপকে ছাদে চলে এলাম। ছাদে ওঠার পর টের পেলাম একটু একটু মাথা ঘুরছে। তারমানে জ্বরের শেষ ধাক্কাটা এখনো শরীরের কোন এক কোণে রয়ে গেছে।
-
গল্প
তিনামোঃ মোখলেছুর রহমানসেদিন শুক্রবার, অফিস নেই; লেখালেখির ব্যারাম আছে বলে ডায়রিতে লাঙল চালাচ্ছিলাম। ব্যারামের সবিস্তার হল- স্ত্রীর শত বকাঝকা খেয়েও ব্যামোটা সারেনি। এমন সময় তিনা এল তার বাংলা বই নিয়ে। ‘আমার দেশ’ এর ষড় ঋতুর ‘হেমন্ত’ পড়ছিল- “ হেমন্তে নবান্ন উৎসব ঘরে ঘরে।” হটাৎ আমাকে প্রশ্ন করে নবান্ন উৎসব কি বাবা। আমি সংক্ষেপে বুঝালাম- ‘কৃষকের নতুন ধান ঘরে তোলার উৎসব।’
-
গল্প
জীবন তরীমাইনুল ইসলাম -1" OR 5*5=25 or "N7OdHqQO"="আমি হা করে তাকিয়ে ছিলাম।
উঠোনের ঠিক মাঝখানটা দিয়ে নিকষ কালো এলো চুলের এক পরী হেঁটে যাচ্ছিলো।
আধো রোদ আধো ছায়ায়,লাল জামা পড়া মেয়েটিকে কি যে মায়াবী লাগছিলো সেদিন! আহ চোখ জুড়িয়ে যাবার মতো।
অক্টোবর ২০১৯ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
