নাজনীন সুলতানার মনে হলো ছেলেমেয়ে দুটো এখানে এসে কি সুন্দর খেলছে খোলামেলা জায়গায় ৷ আমরা তো ওদের খেলার জায়গা দিতে পারি নি , সুস্থ হয়ে বেড়ে উঠার জন্য তো খেলাধুলো করার দরকার ৷ কয়েকটা দিন বেশ ভালো কাটল ৷ কালকে ওরা ঢাকায় চলে যাবে , আবার শুরু হবে যান্ত্রিক জীবন ৷সকালে সে একাই কুয়াশা ভেজা মেঠো পথ দিয়ে কিছুক্ষন হেটে বেড়াল ৷
-
গল্প
শীতের গল্পএলিজা রহমান -
গল্প
পাতাশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানএরপরে দুজনে কিছুক্ষণ নিশ্চুপ হয়ে রইল।তাদের হারানো ভালোবাসার কষ্টে দুজনেই নিথর নিশ্চুপ হয়ে আপনার মনে আপনি কষ্ট উপভোগ করল।এত বছর পরে অজান্তেই দেখা হয়ে গেল তুহিনের পাতার সাথে এই ওয়েটিং রুমে।যা তারা দুজনে জীবনে কখনো আশাও করেনি।কিন্তু ভাগ্যচক্রে তাদের দেখা হয়ে গেল।
-
গল্প
প্রহরীMD. MOHIDUR RAHMANশীতের আয়োজন চলছে চারে দিকে। রাস্তার মোরে ছোট চুলা নিয়ে ভাপা পিঠার দোকান বসেছে। বাজারে খেজুরের গুড় আসতে শুরু করেছে, খেজুর গুড়ের পিঠার নানান রেসিপি অনলাইনে, সাথে ভেজাল খেজুরের গুড়ের খবরও আছে । খেজুরের গাছ নাই, রস নাই, কিন্তু বাজারে গুড়ের অভাব নাই।
-
গল্প
মিনুর গ্রামে প্রত্যাবর্তনশাহনাজ বেগমনিরব নিস্তব্ধ নিসর্গ । একে তো শীতের রাত তাতে আবার কুয়াশার ঘন আচ্ছাদন । যেন ঝিঝি ঝিমিনিরাও ঘুমিয়ে গেছে ।কোন সাড়া শব্দ নেই ।গাছের পাতার কাঁপুনিও শুনতে পাওয়ার কথা নয় । কেননা জানালায় লাগানো আছে থাই কাচ ।তবুও কেন যেন হঠাৎ মিনুর ঘুম ভেঙ্গে যায় ।
প্রথমে সে মনে করে সকাল হয়েছে। একটু পরেই দিনের আলো ফুটবে । আবার শুরু হবে রোবটের মত কাজ টানা। কিন্তু না অনেক ক্ষণ হয়ে গেল সকাল হচ্ছে না ।দেয়াল ঘড়িটা যদিও বা তার মাথার উপরে টাঙ্গানো আছে ঠান্ডার ভয়ে মাথা বের করে দেখার ইচ্ছা হচ্ছে না । -
গল্প
শীতের সকালমোঃ বুলবুল হোসেনমামি খাবার রেডি করে আমাদেরকে ডাকতে ছিল। গ্রামে শীতের সকালে নানা ধরনের খাবার তৈরি হয়। গ্রামের ঘরে ঘরে পিঠা পায়েস তৈরি করা হয়। মামীও তাদের মতো ভোরবেলাতে উঠে। চাউল ঢেঁকিতে গুড়া করে মামি রান্না ঘরে বসেই পিঠা পায়েস তৈরি করে ।তেলের পিঠা ভাপা পিঠা রসের পিঠা পাটিসাপটা নানান ধরনের পিঠার মিষ্টি গন্ধে বাতাস ছড়িয়ে পড়ছিল। শীতের সকালে পরিবারের সবাইকে নিয়ে মিষ্টি রোদে বসে আনন্দে পিঠা খেলাম এ যেন অন্যরকম অনুভূতি।
-
গল্প
টানমোঃ মোখলেছুর রহমানএকদিন হঠাৎ গ্রামে নতুন হট্টোগোল শুরু হলো। আইজুদের বাড়ির সম্মুখ রাস্তা দিয়ে একদল নতুন মানুষকে যেতে দেখা গেল, সুন্দর পা তুলে পা মিলিয়ে যাচ্ছে তারা। গায়ে ফিটফাট পোষাক ; দেখতে ভালই লাগল আইজুর।কাঁধে নাকি ওটা বন্দুক পরে বাবার কাছে জেনেছিল আইজু। মাঝে মাঝে ওদের গাড়ীতে গরু ছাগল দেখে অবাক হয়েছিল,তারও উঠতে মন চাইতো।
-
গল্প
পাহাড়ের শৈত সলিলAbdul Hannanকোন সিদ্ধান্ত নির্ধারণ হলোনা কোথায় যাবো।শীতের রাতে বন্ধুরা মিলে টিভি শো দেখছিলাম,পার্বত্য উপজাতীয়দের বাংলা গানের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে নুতন শিল্পি কল্পনাকে দেখেই হঠাৎ হিরকের চীৎকার হাতে তালি আমরা সবাই বেকুব বনে গেলাম কিরে?
-
গল্প
গল্পটা অন্যরকম...সাজ্জাদুর রহমানছেলেটির নাম রুবেল।
বয়স কত হবে?খুব বেশি হলে ১২ বা ১৩?
রুবেলের সাথে আমার পরিচয় স্কুলের পাশের গলিতে।একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে সে আমার পথ আটকে মুখ কাচুমাচু করে বলল,”স্যার,দুইটা টাকা দিবেন?আমার মা নাই স্যার...ভাত খামু?”
আমি হেসে বলি,”দুইটাকায় ভাত হয় নাকি রে ব্যাটা?”সে আমার রসিকতা ধরতে পারল বলেই মনে হয়,কেননা হাত দিয়ে সে মুখের হাসি আড়াল করল।
-চল তোকে সিংগারা খাওয়াই,ভাত তো খাওয়াতে পারব না... -
গল্প
আর্তনাদের হাওয়াSultanনবান্নের উৎসব শেষ হতে না হতেই উত্তরের হিমেল হাওয়া ভর করে শীত নেমে আসে বাংলা প্রকৃতির মাঝে।কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে হাড়কাপুনি শীত পড়ে।রাতে কুয়াশা যেন বাড়তে থাকে।তখন ও রাত এগারটা বাজে নি।আামার গায়ে মোটা সুয়েটার,হাতে পায়ে মৌজা থাকার সত্বেও শীত লাগছে।আাস্তে আস্তে গ্রামের মেঠো পথ ধরে বাড়ির দিকে যাচ্ছি।চারদিক যেন কুয়াশা বেধ করে রেখেছে।গাছের পাতায় জমে থাকা কুয়াশার পানি ঝরে,গায়ের কাপড় মনে হয় ভিজে যাচ্ছে।কুয়াশার জন্য কিছুই দেখা যাচ্ছে না।রাস্তায় কোন লোকজন নেই।আমার হাতের কাছে একটি মেস লাইট ছিল। তা দিয়ে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। শুধু সাদা ধোয়া দেখা যাচ্ছে।
-
গল্প
“শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শুধুই মানুষ”nani dasসেই রাতটা এখনও মনে পড়ে; উনিশ দশকের শেষ দিকে, বরিশাল সদর থেকে মা আমাকে নিয়ে হেঁটেই রওনা দিল, তাঁর বাড়ির দিকে। একটা নদী পাড় হতে হবে। তারপর পাঁচ মাইল হাঁটা লাগবে। তখন আমি ক্লাস টু’তে পড়ি। আমরা যখন রওনা দিলাম তখনও বিকেলের রোদ ছিল। মাঝ বয়সি পৌষালী শীত। তেমন কোন গরম কাপড়ও মায়ের শরীরে নেই, যা একটা পাতলা চাঁদর ছিল সেটাও আমাকে জড়িয়ে দিল।
জানুয়ারী ২০২০ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
