মঞ্জু মুখের পেশী শক্ত করে এতক্ষন সব দেখছিলো। এবার একটা বড় বাশের লাঠি নিয়ে লাফ দিয়ে দোকান থেকে নেমে এলো। মঞ্জুকে দেখে মনে হলো একটা লুকানো অঙ্গার হঠাৎ যেন হাওয়া পেয়ে দাউদাউ করে জ্বলে উঠলো। পাকা যোদ্ধার মত লাঠি ঘোরাতে ঘোরাতে মঞ্জু যুবকদের উদ্দেশ্যে হুংকার ছাড়লো, তোরা যাবি না এই বাঁশ তোগার মাথায় ভাঙবো?
-
গল্প
চেতনাএকজন পথিক -
কবিতা
বৃদ্ধাশ্রম থেকে পাঠানো মায়ের চিঠিসুব্রত সামন্তঅন্তত একবারের জন্য হলেও
এই করুণ-দুঃখী বিচলিত বুড়িটাকে দেখতে আয় না।
তোদেরকে কতদিন দেখি নি !
কিরে, আসবি না ? -
গল্প
অব্যক্ত ব্যক্তি স্বাধীনতাবিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তআমেরিকাতে তখন ক্রীতদাস প্রথার কারবার রমরমিয়ে চলছে । বিশেষ করে বড় বড় শহরগুলিতে অসহায় নিগ্রো শিশু , পুরুষ , নারীদের শেকল দিয়ে বেঁধে রেখে দাস হিসেবে দরদাম করে বিক্রি করা হতো । বেয়াদপি দেখলে সারা শরীরে পরতো চাবুকের ঘা ।
-
কবিতা
মহামায়া-ম পানা উল্যাহ্ম পানা উল্যাহ্ধূষর ক্যানভাসে এখনো তোমার উপস্থিতি
আমাদের চমকে দেয়
বিদ্যাপীঠের বর্ণিল দিন,চিরল পাতার তুর্য ধ্বনি
সাহিত্য বাসরের সবার প্রিয় নন্দিনী
অধিকার সংগ্রামের শ্লোগান কণ্যা -
কবিতা
আত্না ত্যাগের বিনিময়গোলাপ মিয়াআত্মসমর্পণ করিবে সবি ভুলে
পুলসিরাত কন্ঠকময়, সর্গ-নরক দুই কূলে।
আপনার কর্মগুণে ছিটকে পড়িবা-
অনন্তকালের এক কূলে। -
কবিতা
সোনালী সূর্যের আশায়habib chistyপবিত্র কৌমার্যে আঘাত করো যে
বহমান বাতাসে
দৃষ্টিপাতে
স্পর্শে
এখানেই হারায় সূর্য অন্ধকারের অমাবশ্যায়।
তাকে বলেছি তুমি গ্রহণ কর
পাথরের আঘাত
লাঞ্চনা
ত্যাগ
একটি দীপ্তমান সোনালী সূর্যের আশায়। -
কবিতা
বীর বাঙালীর ত্যাগশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানজীবনের বলিদানে বাঁচাল যারা মায়ের ভাষা
তাদের আত্নত্যাগের প্রতি সদা স্যালুট জানাই
ত্যাগ কাকে বলে বিশ্ব অবাক তাকিয়ে দেখেছে
বাঙালি জাতি বীরের মর্যাদা পেয়ে গেছে তাই। -
কবিতা
ত্যাগের মহিমাAnisur Rahmanআবৃত এই শহর-
ইট পাথরের আবরনে-
সংখ্যাহীন মানুষের আচ্ছাদনে-
আবেগহীন নরপিচাশদের পদভারে-
ট্রাকে ভর্তি পশ্চিমা দোসরদের অস্রের ঝনঝনানিতে। -
গল্প
কান্নাভেজা চোখমোঃ নুরেআলম সিদ্দিকীআজো কান্নাভেজা চোখে দূর থেকে চিৎকারের শব্দ এসে কানে ভাসে, বাবা মানুষ হতে চেয়েছিলাম; এমন তো চাইনি! জন্ম হয়ে এ আজন্মের কষ্টগুলো আর কতো আঁচলে বেঁধে রাখবো? মা কেন-ই বা জন্ম দিয়েছিলে!?
-
গল্প
স্বাধীনতামোঃ বুলবুল হোসেনপাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল ১৯৪৭ সালে আর ঠিক ১৯৪৮ সালেই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ঘোষণা করলেন ।উর্দু হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। পাকিস্তানের বাঙালিরা তার প্রতিবাদ করে ।বিক্ষোভ শুরু করে দিল। আন্দোলন তীব্রতর হয়ে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি সারা পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ল।
মার্চ ২০২০ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬
এ যাবত
