ধ্রুব ধীরলয়ে হাঁটছে। একা । রাত এগারটা। ধানমণ্ডি লেকের পাড়। কারণ অকারণ কিছু একটা অবশ্যই আছে, তবুও বুঝতে পারছে না কেন সে নির্বোধের মত হাঁটছে।
এপার্টমেন্ট বিল্ডিং-এর সিকিউরিটি গার্ড নিষেধ করেছিল, ‘ভাইয়া, পুলিশ আছে রাস্তায়। ঝামেলা হইতে পারে।’
গল্প
ধ্রুব ধীরলয়ে হাঁটছে। একা । রাত এগারটা। ধানমণ্ডি লেকের পাড়। কারণ অকারণ কিছু একটা অবশ্যই আছে, তবুও বুঝতে পারছে না কেন সে নির্বোধের মত হাঁটছে।
এপার্টমেন্ট বিল্ডিং-এর সিকিউরিটি গার্ড নিষেধ করেছিল, ‘ভাইয়া, পুলিশ আছে রাস্তায়। ঝামেলা হইতে পারে।’
গল্প
দুই দুইটা সরকারী হাসপাতালে গিয়েও কোন লাভ হলো না। এত করে রতনের বাবা বোঝাতে চাইলো যে এটা তার ছেলের পুরনো রোগ। করোনার উপসর্গ হলেও করোনা না। কষ্ট হলেও রতন নিজে কথা বলে বোঝাতে চেয়েছে তার এটা অন্য রোগ। এমনকি পূর্বের চিকিৎসার কাগজ পত্র দেখানোর চেষ্টা করেছে।
কবিতা
দিনরাত কাজের মেলায় নাই অবসর,
বেতন ভাতা ক্যারিয়ার এই শুধু দোসর।
বিশ্ব চলে সুইচ টিপে বড় এক চমক,
প্রাচীন যত রোগ খায় ডাক্তারের ধমক।
কবিতা
ছোট্ট করোনা ভাইরাস বিশ্বে দিল হানা,
অসহায়! কেউ ডাকে বাবা, কেউ ডাকে নানা!
পূর্ব- পশ্চিম সবখানে সমভাবে তার বিস্তার,
ধনী - গরিব, সাদা - কালো নেই কারও নিস্তার।
কারফিউ, হোম কোয়ারান্টাইন চলছে সমান তালে ,
কবিতা
যেখানে দাঁড়িয়ে আছি এ যে শেষ সীমারেখা
এরপর যাওয়া নেই, এর থেকে ফেরা নেই
এখানে দাঁড়িয়ে থাকা, এখানেই গড়িয়ে পড়া
এখানেই অব্যর্থ লয় - বেওয়ারিশ।
কবিতা
কে বলে এই করোনার যুগে অকবি লেখালেখি ভুলে গেছে?
গতকাল পৃথিবীর পিঠে অজস্র ধারায় যে জল আকাশ থেকে
ঝরে ঝরে পড়েছে; শরীরে তার লুকিয়েছিল ভীষণ উত্তাপ
নিপুণ রাঁধুনীর রন্ধনকৌশলে মিশে থাকা সৃজনশীলতা যত
কবিতা
ধীমান দূরদর্শী মানব সৃষ্টির
শ্রেষ্ঠত্বের বড়ই অহংকার,
ইহকাল পরকাল ব্যাপিয়া
এ মনুষের বোধের বিস্তার।
কবিতা
তুমি দেখেছো এ আকাশের বিশালতা
যাকে মুছতে পারবেনা কেউ,
দেখেছো পাহাড়ের অসীম উচ্চতা
হেরে যাবে সাগরের ঢেউ।
কবিতা
যে দিন সিরাজ-উদ- দৌলা হয়েছিলেন পরাজিত
বাংগালীর জন জীবনে নেমে এসেছিলো অসহায়ত্ব
দেশ গিয়েছিল বিদেশিদের হাতে
লেখা আছে তা ইতিহাসের পাতাতে ।
কবিতা
অসহায় হরিণের মতো বাঘের মুখে স্থির,
দিন-রাত যেমন ছিল তেমনি আছে অধীর
সুদিনের হাতছানি মাঝে মাঝে চোখে ভাসে
পরক্ষণেই বিদ্যুৎ ঝলকানি হৃদয় আকাশে
ভাবি, সব বুঝি স্মৃতিভ্রম; জারি নষ্ট কাব্য
মানুষের পৃথিবীতে আজ মানুষ অসহায়।