'আব্বা!'
সুরুজ মাষ্টার পত্রিকার দিকে দৃষ্টিপাত রেখেই বললেন, 'বল।'
'ও আব্বা!'
'আমি শুনতাছি।'
'শুনলেই হইবো না, এদিক চাও।'
গল্প
'আব্বা!'
সুরুজ মাষ্টার পত্রিকার দিকে দৃষ্টিপাত রেখেই বললেন, 'বল।'
'ও আব্বা!'
'আমি শুনতাছি।'
'শুনলেই হইবো না, এদিক চাও।'
কবিতা
যেখানে দাঁড়িয়ে আছি এ যে শেষ সীমারেখা
এরপর যাওয়া নেই, এর থেকে ফেরা নেই
এখানে দাঁড়িয়ে থাকা, এখানেই গড়িয়ে পড়া
এখানেই অব্যর্থ লয় - বেওয়ারিশ।
কবিতা
ধীমান দূরদর্শী মানব সৃষ্টির
শ্রেষ্ঠত্বের বড়ই অহংকার,
ইহকাল পরকাল ব্যাপিয়া
এ মনুষের বোধের বিস্তার।
কবিতা
গল্প
একদিন স্কুল থেকে বাবার সাথে রিক্সায় আসার সময় বায়না ধরেছে বার্গার আর আইসক্রিম খাবে । রিক্সা থামিয়ে বাবা মেয়ের জন্য বার্গার নিয়ে আসলো । মেয়ের ঠাণ্ডা লাগবে ভেবে আইসক্রিম আনেনি । আলিয়া আইসক্রিম না পেয়ে রাগ করে বার্গার রাস্তায় ছুঁড়ে ফেললো । কোথা থেকে দুজন তার সমবয়সী বাচ্চা ছেলে এসে রাস্তায় ফেলা বার্গারটি কুঁড়িয়ে নিয়ে দুজনে ভাগ করে খেতে শুরু করল।
গল্প
দুই দুইটা সরকারী হাসপাতালে গিয়েও কোন লাভ হলো না। এত করে রতনের বাবা বোঝাতে চাইলো যে এটা তার ছেলের পুরনো রোগ। করোনার উপসর্গ হলেও করোনা না। কষ্ট হলেও রতন নিজে কথা বলে বোঝাতে চেয়েছে তার এটা অন্য রোগ। এমনকি পূর্বের চিকিৎসার কাগজ পত্র দেখানোর চেষ্টা করেছে।
গল্প
চলো আমরা পুলিশকে এ ব্যাপারে জানিয়ে রাখি।
- তোমার কথা শুনলে মনে হয়, তুমি এই দেশের হালচাল কিছু বুঝ না !
- আসলে আজকালকার জমানায় মেয়েদের অধিকারের কথা বলা হলেও তারাই সবচেয়ে অরক্ষিত।
কবিতা
একটি পথশিশু
হয়তোবা আমি বুঝেছি অন্যভাবে
কতটা রাত কেটে যায় নির্ঘুম অনাহারে
কতটা সবুজ বিকেল বিলীন হয় কালো ধোঁয়ায়
কতটা আকুল আবেদন মনের গহীনে অসহায়ে বন্দী হয়ে রয় ।
গল্প
ধ্রুব ধীরলয়ে হাঁটছে। একা । রাত এগারটা। ধানমণ্ডি লেকের পাড়। কারণ অকারণ কিছু একটা অবশ্যই আছে, তবুও বুঝতে পারছে না কেন সে নির্বোধের মত হাঁটছে।
এপার্টমেন্ট বিল্ডিং-এর সিকিউরিটি গার্ড নিষেধ করেছিল, ‘ভাইয়া, পুলিশ আছে রাস্তায়। ঝামেলা হইতে পারে।’
কবিতা
অসহায় হরিণের মতো বাঘের মুখে স্থির,
দিন-রাত যেমন ছিল তেমনি আছে অধীর
সুদিনের হাতছানি মাঝে মাঝে চোখে ভাসে
পরক্ষণেই বিদ্যুৎ ঝলকানি হৃদয় আকাশে
ভাবি, সব বুঝি স্মৃতিভ্রম; জারি নষ্ট কাব্য
মানুষের পৃথিবীতে আজ মানুষ অসহায়।