আমরা যখন পেটটা ভরে
খাচ্ছি মুঠো ভাত
ঠিক তখনি হাজার শিশু
উপোস কাটায় রাত।
কবিতা
আমরা যখন পেটটা ভরে
খাচ্ছি মুঠো ভাত
ঠিক তখনি হাজার শিশু
উপোস কাটায় রাত।
কবিতা
পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় দাঁড়ানোর এক ব্যর্থ স্বপ্ন চোখে
রাতের পর রাত রক্তচক্ষু হয়ে পেরিয়ে যায়
তবুও মনের তৃষ্ণা বিশ্বে কোন জলেই মেটে না,
অহায়ত্ব গ্রাস করে গুটিয়ে ফেলে অন্তরকে
কবিতা
গৌধুলীর কান্না
অবশেষে সেও মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলো
অথচ দুদিন আগেও তার এ মোহমায়ায় দূর্নিবার আকর্ষনে
জেগেছিল স্বপ্নরথের ঘুম,
কবিতা
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি আজ কারো পিতা ,
যার কাঁধে ঝুলিয়ে রাখে হাজারে ও দায়িত্ব ।
যে কিনা দাপিয়ে বেড়াত দিগ -দিগন্তে ,
যার নামে নালিশের কমতি নেই ,
আজ সেই অন্যকে শাসন করতেছে ,
সেই দিনের ছোট্ট শিশুটি কারো পিতা ।
কবিতা
অসহায় হরিণের মতো বাঘের মুখে স্থির,
দিন-রাত যেমন ছিল তেমনি আছে অধীর
সুদিনের হাতছানি মাঝে মাঝে চোখে ভাসে
পরক্ষণেই বিদ্যুৎ ঝলকানি হৃদয় আকাশে
ভাবি, সব বুঝি স্মৃতিভ্রম; জারি নষ্ট কাব্য
মানুষের পৃথিবীতে আজ মানুষ অসহায়।
কবিতা
ঘোমটা দিছে বিশ্ববাসি ঢাকতে নিজের দুঃখ।
কেমন করে দেখাবে সে তার পাপি মুখ।
সভ্যতাকে করতে ধারন পশুর আচরন!
আসলটাকে বন্ধিকরে নকল জাগরন।
কবিতা
দু’টি চোখের পাপড়ি ভিজে গেছে আমি নিস্পলক তোমার অবনত মুখের দিকে চেয়ে।
অবাক হয়েছি সব শুনে এতোদিন পর নগরীর নিথর বুকে আজ তোমার সাথে দেখা।
সময়ের উত্তরঙ্গ তপ্ততা ছুঁয়ে নীরব বিদগ্ধ বাঁকে মৌন পুড়ে হৃদয় ডানা।
কবিতা
ছোট্ট করোনা ভাইরাস বিশ্বে দিল হানা,
অসহায়! কেউ ডাকে বাবা, কেউ ডাকে নানা!
পূর্ব- পশ্চিম সবখানে সমভাবে তার বিস্তার,
ধনী - গরিব, সাদা - কালো নেই কারও নিস্তার।
কারফিউ, হোম কোয়ারান্টাইন চলছে সমান তালে ,
কবিতা
একটি পথশিশু
হয়তোবা আমি বুঝেছি অন্যভাবে
কতটা রাত কেটে যায় নির্ঘুম অনাহারে
কতটা সবুজ বিকেল বিলীন হয় কালো ধোঁয়ায়
কতটা আকুল আবেদন মনের গহীনে অসহায়ে বন্দী হয়ে রয় ।