সন্ধ্যে নামার পর
পূব আকাশের বেখেয়ালি বাতাস
খুঁজে বেড়ায়
শিল্পকর্ম এঁকে দিতে তোমার এলোকেশ;
কবিতা
সন্ধ্যে নামার পর
পূব আকাশের বেখেয়ালি বাতাস
খুঁজে বেড়ায়
শিল্পকর্ম এঁকে দিতে তোমার এলোকেশ;
কবিতা
আজ থেকে শত বছর আগে
রুটিহীনের ঘরে খলিফা রুটি পৌঁছে দিতেন।
খাদ্যহীনের খাদ্যের যোগান দিতেন খলিফা
ঘরহীনের ঘরের ব্যবস্থা খলিফাই করতেন।
গল্প
খোকা বিশ্বাস কর তোকে এত সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পেরে আমি খুবই গর্বিত। খোকা আজ আমার অন্ধকারে ভয় করে না,ভয় করে না আর রক্ত দেখে। আজ আমি সব কিছুতেই মানিয়ে নিতে পারি। জানি তোর বাড়িতে আলোর কোনও অভাব নেই।
কবিতা
চকিতে বিদ্যুৎ চমকায়
ঘনায় আধাঁর রাত্রি ,
ঘোর দূর্যোগে চলছে পথে
নিরুদ্দেশের যাত্রী ।
ছাড়ি প্রিয়জন , বিলাস- ব্যাসন
প্রিয়ার বাহুডোর
কবিতা
যে ভালোবাসায় ঠকে কেঁদে বালিশ ভিজিয়েছে,
কাঁদো কাঁদো চোখে ঘুমিয়ে পড়ে প্রতিরাতে,
চুপসে বিবর্ণমুখী হয় প্রতিক্ষণে,
আমার এমনই নিষ্প্রাণ আত্মার দরকার।
গল্প
সেইবার যখন ছোডো ভাইটা জন্মের সময় মইরা গেলো,সবাই মারে কইলো অলক্ষুইন্না।কেউ না দ্যাখলেও আমি দ্যাখছিলাম নয় মাইস ধইরা মায়ের কষ্টডা।দিনরাত মা আমার খাটতো
গল্প
একে তো মিকচার মেশিনের ঘর ঘর ঝর ঝর শব্দ তাতে আবার ধিরিং ধিরিং বক্সের তাল যেন কান পাতা যায় না । ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা বক্সের তালে তালে নাচছে ।রশিদের মায়ের মুখে চোখে সেকি হাসির ঝলকানি ।সাতটি ছেলের বৌ লাল লাল শাড়ি পরে উঠানে তার ঘোরা ফেরা করছে ।সবাই নানা কাজে ব্যাস্ত । গ্রামের দু চার জন মান্যগন্য ব্যক্তিকেও দাওয়াত করেছে।
কবিতা
খোলা আকাশ একাকী বসে আছি আমি°
শ্রাবণের মেঘ জড়ো হয়েছে আকাশে°
টিপটিপ ঝরছে বর্ষা°
আনমনা হয়ে ভাবছি তোমায়°
তুমিও কী এভাবে ভাবছো আমায়?
কবিতা
নিস্তেজ দেহ, বন্ধ চোখ,
জমে যাওয়া রক্ত, পাণ্ডুর মুখ...
হয়ত এভাবেই অযত্নে পড়েছিলো তার দেহখানি,
শেষবারের মতো তার পাশে বসে কেউ কাঁদে নি…
কবিতা
কষ্ট তুমি কি অতল সায়র?
যে সায়রে ডুবে জলে পেট পূরলেও
তরী খুঁজে না পাওয়ার আকুলতা।
নাকি মেঘের আড়ালে ঢেকে থাকা চাঁদ?
যে চাঁদের আলো থাকা স্বত্ত্বেও
পৃথিবীকে আলোকিত করতে না পারার ব্যার্থতা।