বুঝল না—
মনের দরদ কেউই বুঝল না
এ সংসারে কেউ কারে বুঝে না,
বুঝতে চায় না
কবিতা
বুঝল না—
মনের দরদ কেউই বুঝল না
এ সংসারে কেউ কারে বুঝে না,
বুঝতে চায় না
কবিতা
নিস্তেজ দেহ, বন্ধ চোখ,
জমে যাওয়া রক্ত, পাণ্ডুর মুখ...
হয়ত এভাবেই অযত্নে পড়েছিলো তার দেহখানি,
শেষবারের মতো তার পাশে বসে কেউ কাঁদে নি…
কবিতা
বিষোদ্গারে কেউ কেউ বলেছে, কষ্টের রঙ নীল
দহনে অনেকেই ভেবেছে, সে বুঝি ঘন কালো
আমি কষ্টের কোন রঙ পাইনি, হে ফেরার গাঙচিল !
সে এখনো আমার স্বপ্নে নিকষ অন্ধকার আলো
কবিতা
কষ্ট তুমি কি অতল সায়র?
যে সায়রে ডুবে জলে পেট পূরলেও
তরী খুঁজে না পাওয়ার আকুলতা।
নাকি মেঘের আড়ালে ঢেকে থাকা চাঁদ?
যে চাঁদের আলো থাকা স্বত্ত্বেও
পৃথিবীকে আলোকিত করতে না পারার ব্যার্থতা।
কবিতা
কষ্টেরা সব আম্ফান হয়ে
উপকূলে দেয় হানা,
ভাঙ্গে হৃদয়ের বেড়িবাঁধ
সুখ পাখির আসা মানা।
জরাজীর্ণ হয়ে গুটিয়ে নেই মনের ভুলকে,
বোঝাতে চাই যেটা ভুলের পরিসীমায় আবদ্ধ,
সেটাকে ক্ষেত্রফলের অস্তিত্বে-
ধারণ করাটা কষ্ট ছাড়া কিছু নয়,
কবিতা
যে ভালোবাসায় ঠকে কেঁদে বালিশ ভিজিয়েছে,
কাঁদো কাঁদো চোখে ঘুমিয়ে পড়ে প্রতিরাতে,
চুপসে বিবর্ণমুখী হয় প্রতিক্ষণে,
আমার এমনই নিষ্প্রাণ আত্মার দরকার।
কবিতা
কবিতা
উপত্যকার অজ্ঞাত অর্কিড-মালঞ্চ থেকে
দুঃখ গুলো নেমেএল জঙ্গলে জঙ্গলে দৃশ্য আর অদৃশ্যের
মাঝামাঝি গিরিপথ ধরে -
কাল কাল পিপীলিকার অদম্য মিছিল।
হায়, কেমন বেমক্কা বিভীষিকা!
গঙ্গা ফড়িঙের ডানায় আর্দ্র নিশ্বাস ফেলে
বিষন্ন বিস্তৃত শুয়ে থাকে যাতনার নীল।
কবিতা
বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত
শত শত ঢেউয়ের বিপরীতে লড়াই করে টিকে থাকা,
আর ক্ষয়ে যাওয়া পাথরের জন্য আর্তনাদ করার দিনগুলোর মাঝে
সোনালী সূর্যালোকের চুম্বনগুলো সুখস্মৃতি বটে।
তবে,
তা বাস্তবতা নয়।
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী