আমি এখন সময় করেছি
তোমার এবার সময় কখন হবে সাঁঝের প্রদীপ সাজিয়ে ধরেছি
শিখা তাহার জ্বালিয়ে দেবে কবে…..
-
গল্প
স্পর্শের অস্তিত্বChadniafroj -
গল্প
অতি বাস্তব কিংবা মায়াZahidবাইরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। জানালা দিয়ে একটু একটু বৃষ্টির পানিও আসছে। আমি গিয়ে তাড়াতাড়ি করে জানালা লাগালাম। এসে যখন বসবো তখন কেয়া বলল, তুমি এত খারাপ কেন?
-
গল্প
আগুন-পানিমোঃ মাইদুল সরকাররাত হলেই ভয় লাগে সোহানের। ভয়তো লাগবেই-যদি মরে যাওয়া ভাই রাতে ডাকতে আসে, নিয়ে যেতে চায় সাথে করে তবে কার না ভয় লাগবে।
-
গল্প
মানুষগুলো অন্য মানুষশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানএবার বন্ধু আসায় তার মনের শক্তি বেড়ে গেল।সে বন্ধুকে বলল,দোস্ত মিজান সবকিছু তো শুনছিস মেয়েটা আমার অনেকক্ষণ হলো থানায় আটকা আছে তাড়াতাড়ি ওকে ছাড়িয়ে আনার ব্যবস্থা কর।
অস্থির হইও না বন্ধু।আমি সব ব্যবস্থা করছি আরেকটু সবুর করো আমার সহকারি হাসপাতালে গেছে ওরা আসলে কেমন আছে সেটা দেখে তবেই আমরা সেই ধরনের ব্যবস্থা নেব। -
গল্প
ভয়দীপঙ্কর বেরার্মতলার জনবহুলে হঠাৎ বিস্ফোরণ। মার্কেটের অনেক পুরনো দোতলার পুরোটাই ভেঙে পড়েছে। আর্ত চিৎকারে কেউ বা কতজন মরেছে জানা যায় নি। সবাই প্রাণপণে ছুটছে। আমি ছুটে বেরোনোর মুখে দেখি একটা লোক ভেঙে পড়া দেখে শব্দ করে হাসছে। লোকটাকে চিনি না। তাও রূঢ় গলায় বললাম - হাসছেন?
-
গল্প
ভয়বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্তপাওয়ারফুল টর্চের আলো দিয়ে দেখলাম গাড়িটি একটি বড় গাছের সঙ্গে ভয়ংকর ভাবে ধাক্কা খেয়েছে । গাড়ির সামনের বাদিকটা ভীষণ ভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত ।
-
গল্প
অপরিচিতামোঃ রিয়াজুল ইসলামরাকিবঃ স্যার যদি কিছু মনে না করেন একটা কথা জানতে পারি কি?
মি.কবিরঃ এমন কি নিয়ে যেতে হবে যে আমাদেরই পাঠাচ্ছেন?
মি.কবিরঃ রাকিব তোমরা তো মানুষের ঔষধ বানাও কিন্তু এখন যেটা নিতে হবে সেটা লাশের জন্য।
অপুঃ লাশের জন্য মানে? স্যার আমাদের কোম্পানি তো লাশের কোন কেমিক্যালই বানায় না। -
গল্প
ভয়াল সাহসীসাদিকুল ইসলামআমি খুব একটা ভয় টয় পাই না,
তবে
আমার পাশে কেউ উচ্চ স্বরে হাঁচি দিলে
গা টা একটু ঝাঁকুনি দিয়ে উঠে,
দিন তিনেক জ্বর বায়, -
গল্প
ইতিহাসের প্রত্যাবর্তনসজল কুমার মাইতি" দেখুন আপনার লেখা গল্পটি আমার খুবই ভালো লেগেছে। সামনের সংখ্যায় এটা প্রকাশিত হবে। পাঠক কূলের কেমন লাগে কে জানে? সেই পরীক্ষায় পাস করে গেলে আপনাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে না।"
-
গল্প
ফ্লাইট কিউআর-৫৭০Jamal Uddin Ahmedআব্বাস সাহেব জায়নামাজ থেকে ব্যথাক্লিষ্ট কোমর টেনে তুলে উঠে দাঁড়ান। প্রতিদিন এশার নামাজের পর নিয়ম করে তিনি বেশ কিছুক্ষণ জায়নামাজে বসে থাকেন। আগে হাতে তসবিহদানা থাকত, বিদা’ত বলে ওই জপমালা এখন আর ব্যবহার করেন না। জানা সকল দোয়া-দরুদ এখন আঙুলে গোনে গোনেই পড়েন।
সেপ্টেম্বর ২০২১ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
