কুখুঁড় মেয়েটা খুব দুষ্টু। মা বাবা কারোর কথা শোনা ওর ধাতে নেই। যখন সবাই বলে ডানে চলতে ও চলবে বাঁয়ে। মা বলে, জন্ম থেকে জ্বালাচ্ছে।যেন হয়েইছে সবাইকে দুশ্চিন্তায় রাখার মহান দ্বায়িত্ব মাথায় নিয়ে।
-
গল্প
অতিথিরেজওয়ানা আলী তনিমা -
কবিতা
কাবু করল শীতেমিজানুর রহমান মিজানএবার শীতে করল বেশ কাবু
বেশী কাপড় পরলে হওয়া যায় না বাবু।
সন্ধ্যার আগেই ঠক ঠকিয়ে কাঁপায়
শীত ধরে না হাত পায়ের মোজায়। -
গল্প
চাদরমিলন বনিকমামা চাদরের একটা অংশ দিয়ে রফিকের পা মাথা ঢেকে আর একটু চেপে বসতে বলল। রফিক তাই করল। একটু উম পেয়ে চোখ মেলে তাকাল অর্নবের দিকে। ততক্ষণে গাড়ি কালুরঘাট ব্রীজের কাছাকাছি চলে এসেছে। অর্নব জিজ্ঞাসা করল-
-
কবিতা
শীত বিষয়ক অনুকাব্যসবুজ আহমেদ কক্সশীত এলে পূর্বের শীতের কথা খুব মনে পড়ে
স্মৃতিতে ভাসে
হারানোর দিন
হারানো সময় ।
-
গল্প
শৈত্যসুখশাহ আজিজকার্ত্তিক এলেই মাজেদ উল হক কাজের মেয়েদের বলবেন ওরে তোরা লেপগুলো ছাদে রোদ্দুরে দে, একটু ঝরঝরে হোক । বেগম মাজেদ বলেন আর কিছুদিন বাদে হলেও ক্ষতি হতো না। এখন হটাৎ করেই বৃষ্টি নামে। মাজেদ সাহেব বললেন আবহাওয়া আমি খেয়াল করি, তুমি দুঃশ্চিন্তা করোনা তো।
-
কবিতা
শুভ্র মানুষতানি হকফাগুণ এলেই খোলস ছাড়ি
যেমন ধূসর ঋতু খসে যায় সময়আবর্তে
ভাবলেশহীন বাতাস যেমন তার দিক বদলায়
কখনো বিরান সর্ষেফুলের খেত
কখনো চঞ্চল বাঁশ ঝার কে কাঁপিয়ে যায় -
কবিতা
নিষ্ঠুর শীতহিসানুর রহমান রাকিবপথশিশুর গাঁয়ে বস্তা প্যাঁচাতে,
তাদের আহারের সব পথ থামাতে,
আসছে আবার শীত । -
গল্প
শৈত্যফাহমিদা বারীবিয়ের প্রথম রাতেই শাহীনের মনে হল কিছু একটা ভুল হয়েছে।
শাহীন তার স্ত্রীকে প্রথম দেখে বিয়ের আসরে। মেয়ে দেখার তুমুল যজ্ঞে একবারও সে অংশ নেয় না। বিচার প্রক্রিয়া শেষ হবার পরে মা ছবি নিয়ে এসেছিল ওর ঘরে। শাহীন দেখেনি। মনের আগল টেনে রেখেছিল জোর করে। -
কবিতা
ঢাকার রাস্তায় কলম মিছিলদেবজ্যোতিকাজলভাষান্দোলন ,একাত্তর মিথ্যা নয় ,ওরা জানে
চলবে নিষ্কম্প রাজপথ বাংলায়-
মুখ ও চোখের শপথ
অগ্নি ও ঝাপটাবাতাসের পদধ্বনি
গোলামী ,গোলাম হয়ে থাকবে না , ওরা জানে… -
কবিতা
শীত - ডাকনামে ও স্পর্শেরেনেসাঁ সাহাশীত হুঁশ হারাচ্ছে।
ছেলে, তোকে শুইয়ে দিচ্ছে।
উপরে লেপ,
নীচে নরম গদি।
ডিসেম্বর ২০১৫ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
