পুরো আকাশ জুরে ঘন কালো মেঘ, বৃষ্টিও হচ্ছ প্রচুর। বৃষ্টির একটানা বর্ষনে- রিমঝিম শব্দটাও কেমন নেশা ধরিয়ে দিচ্ছে এ মনে। বাতায়নের ফাকে প্রবাহিত বাতাসের হিমেল স্পর্শে ক্ষনে ক্ষনেই শিহরিত হচ্ছি আমি। ইচ্ছে করছে জীবনের সব পিছুটান ভুলে- বয়ে চলা মেঘের সঙ্গী হয়ে দিগন্তে হাড়িয়ে যাই.......
-
গল্প
কালো গোলাপআল মামুন -
গল্প
আবেগ স্রোতের ঢেউসূনৃত সুজনস্নানাহার সেরে
নিজ হাতে চা বানালাম!
গায়ে জড়ালাম শার্ট প্যান্ট সু
উদ্দেশ্যহীন এলোমেলো হাঁটা।
ফুটপাত ধরে হাঁটছিলাম!
হঠাৎ পেছন থেকে চিৎকার....
ফিরে দেখি কংক্রিটের কঠিন বুকে
প্রবল ব্যাথায় কাঁতরাচ্ছেন এক মা! -
গল্প
অবরুদ্ধ আবেগরেজওয়ানা আলী তনিমারোমানা গাড়িতে ওঠার আগে ফিরে ফিরে তাকায় ছেলের দিকে , একটু চুমো খায়, মাথায় হাত বুলিয়ে এলোমেলো করে দেয় রেশমি চুল। তারপরে হাত নাড়তে নাড়তে গাড়িতে গিয়ে ওঠে।ম্যাটারনিটি লিভ শেষ হয়েছে বহু আগে।
-
গল্প
ফেসবুক সমাচারমোজাম্মেল কবিরএইটা কি?
-পাওয়ার ব্যাংক।
-কি ব্যাংক?
-পাওয়ার ব্যাংক।
-কি করা হয় এইটা দিয়া?
-মোবাইল চার্জ দেয়া হয়।
-ক্যামনে? -
গল্প
রঙের বায়স্কপআশরাফ উদ্ দীন আহমদট্রেন এখন চলছে, ষ্টেশন থেকে অনেকক্ষণ আগেই ছেড়েছে, মোমেনা জানালার ধারে বসে বাইরের চলমান দৃশ্যাবলী বিমূগ্ধ নয়নে উপভোগ করছে এখন। কোলে ওর একটুকরো রক্তমাংসের মানব শিশু, যেন আকাশের লাল টকটকে সূর্য, তন্দ্রায় ঢুলুঢুলু চোখ, রক্তগোলাপ কে যেন ছড়িয়ে রেখেছে ওর লাজুক ঠোঁটে।
-
গল্প
শেফালিজসিম উদ্দিন জয়শেফালি মায়ের এইটুকু উত্তরে মন ভরে নাই । জানার আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দেয় । তাই মাকে আবারও প্রশ্ন করে ‘‘ তোমাকে কেন ছেড়ে চলে যায় বাবা ? তোমার আপরাধ কি ? বলো না, মা বলো আমাকে ?
-
গল্প
ভুলটা আমারই ছিলশ্রী সঞ্জয়---“জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!
পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ
বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছল জলধিতরঙ্গ
তব শুভ নামে জাগে, তব শুভ আশিষ মাগে,
গাহে তব জয়গাথা । -
গল্প
তিন পুরুষের গল্পমোহাম্মদ সানাউল্লাহ্মেঘে মেঘে অনেক বেলা পেরিয়ে যাবার পর একটু বেশী বয়সেই তিনি বিয়ে করেন । তিন মেয়ে আর এক ছেলের জনক আজিজ মিয়া ছিলেন পৈত্রিক সুত্রেই একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ ।
-
গল্প
অন্য আলোমোহাম্মদ আবুল হোসেনচোখ আকাশে ওঠে রেজার। আনন্দে লাফাতে থাকে। রেখা, অন্তরা তাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করতে থাকে আনন্দে- ভিজানো পিঠা? কোথায় পাইলা মা, আব্বা?
-
গল্প
চলতে চলতেসুস্মিতা সরকার মৈত্রটিক টিক টিক টিক। এক, দুই, তিন, চার, ঘড়িতে সেকেন্ডের কাঁটা সরে সরে যাচ্ছে। দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়াতে কামড়াতে নীপা অপেক্ষা করছে। অপেক্ষার তিরিশ সেকেন্ডও যে এত দীর্ঘ হতে পারে জানা ছিল না ওর। কিন্তু অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও তো নেই ওর। পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের নখ দিয়ে মেঝেতে আঁক কাটতে গিয়েও থেমে গেল ও।
জানুয়ারী ২০১৬ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬
এ যাবত
