স্যারেরা আর তার মা চাইছিলেন সে বিজ্ঞান নিয়েই পড়ুক। বাবাও তাই হয়ত চাইছিলেন, কিন্তু কিছু বলতে পারেন না। শুধু গোঁ গোঁ শব্দ করেন আর চোখের পানি ফেলেন।
-
গল্প
গ্রীষ্মে দখিনা হাওয়াআসাদুজ্জামান খান -
গল্প
লাজহীন অন্তর্দহননুরুন নাহার লিলিয়ানআমি তখন অসুস্থতার কারনে বাসায় ছিলাম ।আমার স্বামী সাহিলের কানে তখন ও খবরটা পৌঁছায়নি । চিরকুটটা ভাগ্যিস দেখেছিলাম । কি অদ্ভুত অসহায়ত্ব আমাকে অসাড় আর নিস্তেজ করে দিল ।
-
গল্প
মুখচোরাফারহানা বহ্নি শিখাআমি বাসায় চলে আসলাম, রানুকে মায়ের সাথে রেখে। কিন্তু ঘুম আসছেনা। এপাশ ওপাশ করছি, এতো বড় খালি বিছানায় কোনোভাবে ঘুম আসছেনা৷ রানু প্রতি রাতে খুবই সংকোচের সাথে তার এক পা আমার পায়ের উপর দিয়ে বলতো,
আপনার কি কষ্ট হচ্ছে? নামিয়ে ফেলবো? -
গল্প
অকার্যকর মৃত্যুদণ্ডসেলিনা ইসলাম N/Aআজ আমাদের ঊনত্রিশতম বিবাহ বার্ষিকী। আজকে খুব সুন্দর করে একটা খোঁপা বেঁধেছি। বিয়ের প্রথম দিকের সময়ে মিহির আমার খোঁপায় গোলাপ গুঁজে দিত। মুগ্ধ হয়ে বলত-
-মিঠি,খোঁপা বাঁধলে তোমাকে নায়িকা কবরীর মত লাগে। সব সময় এভাবে চুল বেঁধে রাখতে পারো না? -
গল্প
‘ব্যাকিংফাহমিদা বারী‘ব্যাকিং’ শব্দটা একেবারেই বরদাস্ত করতে পারে না শাহেদ। বাংলাতে যেন কী বলে শব্দটাকে...ঐ যে পৃষ্ঠপোষকতা! নিজের পিঠকে অন্য কেউ পোষণ করে দেবে, তারপরে একজন সোজা হয়ে দাঁড়াবে...হাহ! এটা একটা কথা হলো?
-
গল্প
এটাই হয়তো শেষ দেখাওয়াহিদ মামুন লাভলুনৌকা ছেড়ে দিল। বৈঠা দিয়ে নৌকা চালাচ্ছিল মাঝি। তাই ওপারে যেতে বেশ কিছুক্ষণ সময় লেগে গেল। আমি নৌকা থেকে নেমে নদীর পারে দাঁড়িয়ে নদীর ওপারে তাকালাম। কল্পনাও করতে পারিনি যে এত বড় একটা চমক ছিলো আমার জন্য।
-
গল্প
লাজে রাঙা সমাধিশাহ আজিজতোমার মনে কি পড়ে দুজন মিলে দোতালার সিঁড়িতে বসা । বেশ নির্জন বিকেল বেলা । এদিকটায় কেউ তেমন আসেনা একটা । আমরা আজই বসলাম প্রথম । এতদিন ডিপার্টমেন্টের বারান্দায় বসেছি , সামনেই বকুলতলা । কাঁঠালিচাপা পাশেই । তার মৌ মৌ গন্ধ পাগল করে তোলে ।
-
গল্প
মানিব্যাগশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানরোমেল একা একা পার্কের ভেতরে পায়চারি করছিল।লেখাপড়া শেষ করে কর্মজীবনের খোঁজে তার সময় কেটে যাচ্ছে ।নানাবিধ চিন্তা তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। হাঁটতে হাঁটতে সে পার্কের প্রায় শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছল। সহসা তার দৃষ্টিগোচর হলো একটু দূরে একটা মানিব্যাগ পরে আছে।
-
গল্প
কানাইআসিক লস্করনুষের নানা কথা শুনে শুনেই কানাই বড় হয়েছে।কিন্তু হারু দাসের ওই "বাপমাখেকো ছেলে" কথাটা তার এত মনে লেগেছিল যে,জ্যোৎস্না মাখা আকাশের দিকে চেয়ে তার চোখ থেকে ঝরঝর করে জল গড়াতে লাগলো।
-
গল্প
নির্লজ্জ%3C%21-- %3C%21--ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে অবনীর জীবনেও সূচনা হতে চলেছে এক নতুন অধ্যায়ের। কলেজের প্রথম দিন আজ। কত শত দিনের রেকর্ড ভেঙ্গে গত রাতে ১০টা না বাজতেই ঘুমিয়ে পড়েছিল সে।
চোখ খুলল অবনী। পর্দার ফাঁক দিয়ে ঢোকা মৃদু আলোয় চোখ পড়তেই ফোনটা হাতে নিলো সে। ৬টাও বাজেনি এখনো। এখন উঠে পড়ার কোন মানেই হয়না। অতঃপর কাথা মুড়ি দিয়ে আবার ঘুমানোর চেষ্টা করে মেয়েটি। বৃথা চেষ্টা।
জুন ২০১৮ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬
এ যাবত
