তাকিয়ে আছি দোকানির দিকে । সে একমনে তার আপন কাজে ব্যস্ত
খুব দ্রুত হাতের চামচ নাড়িয়ে যাচ্ছে চা বানানোর বড় মগটায় । উড়ন্ত ধোঁয়া ভেসে বেড়াচ্ছে ছোট্ট এই দোকানটিতে , তাজা চা পাতার ঘ্রাণে ম ম ।
এক চুমুক চায়ের অপেক্ষায় অধীর হয়ে আছি ।
-
গল্প
অন্ধকারতানি হক -
গল্প
লাজে রাঙা সমাধিশাহ আজিজতোমার মনে কি পড়ে দুজন মিলে দোতালার সিঁড়িতে বসা । বেশ নির্জন বিকেল বেলা । এদিকটায় কেউ তেমন আসেনা একটা । আমরা আজই বসলাম প্রথম । এতদিন ডিপার্টমেন্টের বারান্দায় বসেছি , সামনেই বকুলতলা । কাঁঠালিচাপা পাশেই । তার মৌ মৌ গন্ধ পাগল করে তোলে ।
-
গল্প
আমার দাদাজিJamal Uddin Ahmedমানে অইল গিয়া, ওইদিন রাইতে আমার সমুন্দির বউ আমার মাথার পিছন দিকে খাড়াইল। ফন্দি কইরা। খাড়াইয়া আমার মাথার দিকে চউখ রাইখ্যা একটা চিক্কর দিল, এ্যাঁই.... কইয়া। মনে অইল আমার মাথার মাইদ্যে আজব কিছু দেখছে। হাঃ হাঃ হাঃ ......
-
গল্প
নির্লজ্জ%3C%21-- %3C%21--ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে অবনীর জীবনেও সূচনা হতে চলেছে এক নতুন অধ্যায়ের। কলেজের প্রথম দিন আজ। কত শত দিনের রেকর্ড ভেঙ্গে গত রাতে ১০টা না বাজতেই ঘুমিয়ে পড়েছিল সে।
চোখ খুলল অবনী। পর্দার ফাঁক দিয়ে ঢোকা মৃদু আলোয় চোখ পড়তেই ফোনটা হাতে নিলো সে। ৬টাও বাজেনি এখনো। এখন উঠে পড়ার কোন মানেই হয়না। অতঃপর কাথা মুড়ি দিয়ে আবার ঘুমানোর চেষ্টা করে মেয়েটি। বৃথা চেষ্টা। -
গল্প
মুখচোরাফারহানা বহ্নি শিখাআমি বাসায় চলে আসলাম, রানুকে মায়ের সাথে রেখে। কিন্তু ঘুম আসছেনা। এপাশ ওপাশ করছি, এতো বড় খালি বিছানায় কোনোভাবে ঘুম আসছেনা৷ রানু প্রতি রাতে খুবই সংকোচের সাথে তার এক পা আমার পায়ের উপর দিয়ে বলতো,
আপনার কি কষ্ট হচ্ছে? নামিয়ে ফেলবো? -
গল্প
গ্রীষ্মে দখিনা হাওয়াআসাদুজ্জামান খানস্যারেরা আর তার মা চাইছিলেন সে বিজ্ঞান নিয়েই পড়ুক। বাবাও তাই হয়ত চাইছিলেন, কিন্তু কিছু বলতে পারেন না। শুধু গোঁ গোঁ শব্দ করেন আর চোখের পানি ফেলেন।
-
গল্প
‘ব্যাকিংফাহমিদা বারী‘ব্যাকিং’ শব্দটা একেবারেই বরদাস্ত করতে পারে না শাহেদ। বাংলাতে যেন কী বলে শব্দটাকে...ঐ যে পৃষ্ঠপোষকতা! নিজের পিঠকে অন্য কেউ পোষণ করে দেবে, তারপরে একজন সোজা হয়ে দাঁড়াবে...হাহ! এটা একটা কথা হলো?
-
গল্প
শরমARJUN SARMAপদে পদে প্রভুনারায়ণ প্রহেলিকার প্রাকারে পরিবৃত ।ভুলো মনের কারণে কতবার যে প্রভুনারায়ণকে হেনস্থা হতে হয়েছে তার হিসেব নেই।অথচ ছাত্রাবস্থায় বাড়ির অন্যদের মতো না হলেও সেও মেধাবীই ছিল।পাল চৌধুরীবাড়ির ছেলেদের নামডাক ছিল স্কুল কলেজে।
-
গল্প
মানিব্যাগশরীফ মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামানরোমেল একা একা পার্কের ভেতরে পায়চারি করছিল।লেখাপড়া শেষ করে কর্মজীবনের খোঁজে তার সময় কেটে যাচ্ছে ।নানাবিধ চিন্তা তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। হাঁটতে হাঁটতে সে পার্কের প্রায় শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছল। সহসা তার দৃষ্টিগোচর হলো একটু দূরে একটা মানিব্যাগ পরে আছে।
-
গল্প
আলোভূক পোকাসাদিয়া সুলতানাকোহিনূর এক বছরও সংসার করতে পারেনি। গেল বছর এই পথে দিয়েই ও শ্রীনগরে ওর শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিল। আবার দিন পনেরো আগে ছোট একটা ব্যাগ হাতে করে এই পথ দিয়েই বাপের বাড়িতে ফিরেছে।
জুন ২০১৮ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ জুন,২০২৬
এ যাবত
