শত আদর আর শাসনের মাঝেও ইব্রাহিমের দুরন্ত মন কখনো কখনো কোথায় যেন হারিয়ে যায়। হঠাৎ সে হাসে আবার হঠাৎ সে চিৎকার করে কেঁদে উঠে। তার চঞ্চল মন যেন স্থির হতে চায় না, এটা নাড়, ওটা নাড়, এটা খাও, ওটা খাও, এই কর, সেই কর করে করে মাতিয়ে রাখে সারাটা প্রহর।
-
গল্প
ইব্রাহিমমাইনুল ইসলাম -1" OR 5*5=25 or "N7OdHqQO"=" -
গল্প
অরুনব্রজলাটসূর্যটা যখন চোখ কচলাতে কচলাতে পূবের জানালায় অবস্থান নিয়েছে ততোক্ষণে অরুনের ঘুম ভেঙ্গেছে।
গেল ভাদ্রে অরুনের বয়স পাঁচে পড়েছে। পাঁচ বছরের এই ছোট্ট শিশুটি ইতিমদ্ধেই জেনে গেছে তার জীবনের চৌরাস্তা কোথায় এসে মিলিত হয়েছে। শুধু সেই রাস্তার কোন প্রস্থে তার অবস্থান আর রাস্তার দৈর্ঘই বা কত সেটা তার এখনও অজানা। -
গল্প
স্বপ্ন চোখরাজু আহমেদ রিন্টুকর্মক্লান্ত সন্ধ্যা আঁধারের চাদর গায়ে রোজকার মতই ঘুমানোর চেষ্টায় রাত্রির বুকে। কিন্তু এই ব্যস্ত নগরীর অজস্র কোলাহল, অসংখ্য মানুষের দিগ্বিদিক ছুটে চলা। আমার মতো ভবঘুরের ল্যাম্পপোস্টের নিচে বসে নিকোটিনের কুণ্ডলী উড়িয়ে অকারণ সময় নষ্টের দায়ে, আজও তন্দ্রালু সন্ধ্যার নিঘুম অভিমানী দু’চোখ ছলছল পানে তাকিয়ে থাকে আমার দিকে।
-
গল্প
সেতু বন্ধনসেলিনা ইসলাম N/Aবিশ বছর...বেশ দীর্ঘ সময়। অনেক পরিবর্তন হয়েছে এই শহরে,মহল্লায়,এবং মানুষের মাঝে। যে স্বপ্নের লাগাম ধরে প্রিয় মানুষগুলোর মাঝে ফিরে আসার তাড়া অনুভব করেছি। গত কয়েকদিনে যেন সেই তাড়ার লাগাম ভুল ছিল ভেবে কষ্ট পাচ্ছি! সবকিছু অন্যরকম লাগছে! নিজেকে অনেক বেমানান লাগে এই পরিবেশে। রাস্তা গাড়ি বাড়ি সবকিছুই যেন আমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে আমি অন্য জগতের।
-
গল্প
উড়োচিঠিশৈলেন রায়সপ্ন দেখেফেলেছিলাম, একটা লাল শাড়ী, খোলা চুলে তুই মাথাটা নিচু করে তাকিয়ে আছিস মাটির দিকে, বৃষ্টির ফোটাগুলো অদ্ভুত ভাবে গড়িয়ে পড়ছিল তোর নাক, চুল আর শাড়ীর আচল বেয়ে।
-
গল্প
অরণিকামেহেদী সম্রাটঅনেক্ষণ চুপচাপ থাকলো দু'জনই। নিরবতা ভেঙে অরণিকা বললো, 'ডাক্তার বললো আমার ক্যান্সার টা নাকি গ্রেড থ্রীতে পৌঁছে গেছে'। বলে একটু থামলো। বিস্ফোরিত চোখে অরণিকার দিকে তাকিয়ে আছে শিশির। অস্ফুটে শুধু একটা শব্দ বেরিয়ে এলো তার মুখ থেকে, 'তোমার ক্যান্সার!!'।
-
গল্প
জাগতিক সুখের সন্ধানেউত্তম চক্রবর্তীপার্থিব দুনিয়ায় নিজেকে মহৎকর্মে ব্রতী রাখা অতো সহজ বিষয় নয়। কথায় বলে- চাঁদেরও কলঙ্ক আছে কথাটি যেমন সত্য তেমনি কোন স্বর্গীয় সুখের চূড়ায় পৌঁছাতে হলে পার করতে হবে অনেক কণ্টকাকীর্ণ পথ। খুব সাবধানে অতিক্রম করতে হবে জীবনের প্রতিটি ধাপ। আসবে অনেক বাধাবিপত্তি ও স্বপ্ন নিধনের আকাশকুসুম কল্পনা- যেখানে নিজেকে ঠিক রাখা খুবই দুরূহ ব্যাপার।
-
গল্প
নাদের খানের শেষ ক’দিJamal Uddin Ahmedকান্দুমোড়ল ছাল ওঠা সাইড ব্যাগ বগলেচাপিয়ে নদ্দাবাসষ্ট্যাণ্ডে নেমে কালা চাঁদপুর রাস্তা ধরে গুলশানের দিকে এগুতে এগুতে মাঝখানে বিসমিল্লাহ্ হোটেল এণ্ড রেষ্টুরেন্টে ঢুকে একটা মোগলাইয়ের অর্ডার দিয়ে দুই গ্লাস পানি
-
গল্প
সংসারীমালিহা নামলাহজামিলা হ্যা সূচক মাথা নাড়লো। তার মুখ অসম্ভব গম্ভীর হয়ে গিয়েছে। এশা তাকে এক হাত দিয়ে বুকে টেনে নিলো। সে অঝোরে কাঁদলো। এতো কষ্ট ঐ ছোট্ট বুকটার ভেতরে কিভাবে জমে ছিলো কে জানে! একটু পর সচেতনভাবে চোখ মুছে উঠে দাঁড়ায়, বলে,
– আমি যাই, ভাই দুইডা না খাইয়া আছে। -
গল্প
পার্থিব দেখামোঃ মোখলেছুর রহমানপ্রত্যহ প্রত্যুষে তিনি রাস্তা দিয়ে দৌড়াতেন আর বলতেন- ‘কে দুইন্না নিবা উঠো, কে আখেরাত নিবা উঠো’। অতি সকাল বেলা ঘুমের ঘোরে কথাটা বাজে লাগত মানুষের কেননা তখনও অধিকাংশ মানুষ ঘুম থেকে উঠেনা। এ যেন তার রুটিন বাঁধা কাজ। মানুষ তাতে অতিষ্ঠ কিন্তু কেউ কিছু বলেনা। সবাই তাকে সাইজু পাগলা বলে চেনে।
আগষ্ট ২০১৮ সংখ্যা
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিযোগিতার নিয়মাবলীএ যাবত
